নতুন ই-পাসপোর্ট করার নিয়ম ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

ই-পাসপোর্ট অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া ও নির্দেশনা

আধুনিক যুগে ভ্রমণের জন্য ই-পাসপোর্ট অপরিহার্য। বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ই-পাসপোর্ট তৈরি করা এখন আগের চেয়ে সহজ হয়েছে। ডিজিটাল প্রযুক্তির বদৌলতে পুরো প্রক্রিয়াটি দ্রুততর হয়েছে।

তবে, সঠিক তথ্য না জানলে আপনি সমস্যায় পড়তে পারেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ থেকে শুরু করে আবেদন জমা দেওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ গুরুত্বপূর্ণ। আজকের এই নিবন্ধে আমরা ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত সবকিছু নিয়ে আলোচনা করব।

👉 এক নজরে প্রবন্ধটির মূল বিষয়বস্তু/সূচিপত্রঃ 📖

ই-পাসপোর্ট আবেদন ফরম

ই-পাসপোর্ট আবেদন ফরম পূরণ করা প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হয় সতর্কতার সাথে। ভুল তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হয়ে যেতে পারে।

ফরমে ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হয়। নাম, বয়স, ঠিকানা সবকিছু সঠিকভাবে লিখুন। জন্ম তারিখ এবং এনআইডি নম্বর মিলিয়ে দেখুন। কারণ এই তথ্যগুলো সরকারি ডাটাবেসের সাথে যাচাই করা হয়।

পিতা-মাতার তথ্যও দিতে হবে। তাদের নাম এবং এনআইডি নম্বর প্রয়োজন। যদি পিতা-মাতা মারা গেছেন তাহলে মৃত্যু সনদের তথ্য প্রয়োজন। এছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর তথ্যও দিতে হতে পারে।

ফরম পূরণের পর ভালো করে পড়ে দেখুন। কোনো ভুল থাকলে সংশোধন করুন। তারপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন। একবার সাবমিট হলে আর পরিবর্তন করতে পারবেন না।

অনলাইন ই-পাসপোর্ট আবেদন

অনলাইন ই-পাসপোর্ট আবেদন করা খুবই সহজ। www.epassport.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন। একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড মনে রাখবেন।

রেজিস্ট্রেশনের পর লগইন করুন। তারপর ‘নতুন আবেদন’ বাটনে ক্লিক করুন। আবেদন ফরম খুলে যাবে। সব তথ্য পূরণ করে ছবি আপলোড করুন।

আবেদন সম্পূর্ণ হলে একটি আবেদন নম্বর পাবেন। এই নম্বরটি সংরক্ষণ করুন। পরবর্তীতে আবেদনের অবস্থা জানতে এই নম্বর প্রয়োজন। আবেদন নম্বর হারালে সমস্যায় পড়বেন।

অনলাইন আবেদনের সুবিধা হলো ঘরে বসে করতে পারেন। কিন্তু ইন্টারনেট সংযোগ ভালো থাকতে হবে। নাহলে আবেদন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে। আবেদনের পর নিশ্চিতকরণ ইমেইল পাবেন।

ই-পাসপোর্ট ফি ২০২

২০২৬ সালে ই-পাসপোর্ট ফি বিভিন্ন ধরনের হয়েছে। বর্তমানে দুই ধরনের পাসপোর্ট পাওয়া যায় – ৪৮ পৃষ্ঠা এবং ৬৪ পৃষ্ঠার। মেয়াদও দুই ধরনের – ৫ বছর এবং ১০ বছর। ৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের জন্য সাধারণ ডেলিভারিতে (১৫-২১ কর্মদিবস) খরচ ৪,০২৫ টাকা। জরুরি ডেলিভারিতে (৭-১০ কর্মদিবস) লাগে ৬,৩২৫ টাকা। অতি জরুরি ডেলিভারিতে (২ কর্মদিবস) খরচ ৮,৬২৫ টাকা। ১০ বছর মেয়াদি ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ফি সাধারণ ডেলিভারিতে ৫,৭৫০ টাকা, জরুরিতে ৮,০৫০ টাকা এবং অতি জরুরিতে ১০,৩৫০ টাকা।

৬৪ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের জন্য সাধারণ ডেলিভারিতে ৬,৩২৫ টাকা, জরুরিতে ৮,৬২৫ টাকা এবং অতি জরুরিতে ১২,০৭৫ টাকা। ১০ বছর মেয়াদি ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের খরচ সাধারণ ডেলিভারিতে ৮,০৫০ টাকা, জরুরিতে ১০,৩৫০ টাকা এবং অতি জরুরিতে ১৩,৮০০ টাকা। এই সব ফির সাথে ১৫ শতাংশ ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অনলাইন পেমেন্টের সুবিধা রয়েছে। যেকোনো ব্যাংকের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে ফি দিতে পারেন।

এছাড়াও বিকাশ, নগদের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমেও পেমেন্ট করা যায়। তবে সরাসরি ক্যাশ পেমেন্ট নেওয়া হয় না। ১৮ বছরের কম এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সীরা শুধুমাত্র ৫ বছর মেয়াদি ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট পাবেন। তাদের ক্ষেত্রেও একই ফি প্রযোজ্য। আবেদনের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রয়োজন। নাবালকদের ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতিপত্র এবং পিতা-মাতার ছবি লাগবে।

ই-পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

ই-পাসপোর্ট করতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র লাগে। জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি প্রয়োজন। অবশ্যই সত্যায়িত হতে হবে। অনলাইন কপি এবং হার্ড কপি দুটোই লাগতে পারে।

জন্ম সনদ বা শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ দিতে হবে। এসএসসি বা সমমানের সনদের কপি গ্রহণযোগ্য। যদি জন্ম সনদ না থাকে তাহলে ম্যাট্রিক সার্টিফিকেট দেওয়া যায়। বয়স প্রমাণের জন্য এই কাগজগুলো অপরিহার্য।

পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের কপি লাগবে। যদি কেউ মারা গেছেন তাহলে মৃত্যু সনদ দিতে হবে। বিবাহিত হলে স্বামী বা স্ত্রীর এনআইডি প্রয়োজন। নিকাহনামা বা বিবাহের সনদও লাগতে পারে।

পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিতে হয় সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে। ছবির মান ভালো হতে হবে। ঝাপসা বা অস্পষ্ট ছবি গ্রহণযোগ্য নয়। চশমা পরে থাকলে রিফ্লেকশন থাকা যাবে না।

পাসপোর্ট অফিস ঠিকানা

ঢাকায় প্রধান পাসপোর্ট অফিস আগারগাঁওয়ে অবস্থিত। ঠিকানা: আগারগাঁও, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭। এখানে সব ধরনের সেবা পাওয়া যায়। তবে ভিড় বেশি থাকে।বর্তমানে ঢাকা পশ্চিম জোন এর জন্য মোহাম্মদপুর-বসিলা রোডে একটি পাসপোর্ট অফিস রয়েছে।

চট্টগ্রাম পাসপোর্ট অফিসটি আন্দরকিল্লায়। নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতেও একটি শাখা আছে। সিলেট পাসপোর্ট অফিস জিন্দাবাজারে। রাজশাহী অফিস সাপাহার এলাকায়।

খুলনা পাসপোর্ট অফিসটি খুলনা সেনানিবাসের কাছে। বরিশাল এবং রংপুরেও পাসপোর্ট অফিস রয়েছে। এছাড়া জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন উপজেলায় শাখা অফিস আছে।

অফিসের সময়সূচি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা। শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। সরকারি ছুটির দিনগুলোতেও বন্ধ থাকে। জরুরি প্রয়োজনে হটলাইনে যোগাযোগ করতে পারেন।

ই-পাসপোর্ট ছবি আপলোড

ই-পাসপোর্টের জন্য একজন পুরুষের স্টুডিও তোলা ফটো

ই-পাসপোর্ট ছবি আপলোড করার নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ছবির সাইজ অবশ্যই ৩০০x৩০০ পিক্সেল হতে হবে। ফাইল সাইজ ১০০ কেবির বেশি হওয়া যাবে না। JPEG ফরম্যাটে আপলোড করুন।

ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা বা হালকা নীল হতে হবে। মুখ স্পষ্ট দেখা যেতে হবে। চোখ খোলা রাখুন এবং মুখে হাসি থাকা যাবে না। গম্ভীর ভাব রাখুন।

মাথার টুপি বা স্কার্ফ পরা যাবে না। তবে ধর্মীয় কারণে যদি আবশ্যক হয় তাহলে মুখ দেখা যেতে হবে। গলায় কোনো অলঙ্কার থাকলে সরিয়ে ফেলুন। কানের দুল থাকলেও সমস্যা হতে পারে।

ছবি তোলার সময় আলো পর্যাপ্ত রাখুন। ছায়া পড়া যাবে না। প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারের কাছে ছবি তোলানো ভালো। তারা পাসপোর্ট ছবির নিয়মকানুন জানেন।

ই-পাসপোর্ট রি-ইস্যু

পুরাতন পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে ই-পাসপোর্ট রি-ইস্যু করতে হয়। রি-ইস্যুর জন্য পুরাতন পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। যদি হারিয়ে যায় তাহলে জিডি করতে হবে। তারপর নতুন আবেদন করুন।

রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা আছে। আগের তথ্যগুলো সিস্টেমে থাকে। নতুন করে সব কাগজপত্র দিতে হয় না। শুধু আপডেটেড তথ্য এবং নতুন ছবি লাগে।

পাসপোর্ট ড্যামেজ হয়ে গেলেও রি-ইস্যু করা যায়। ড্যামেজের প্রমাণ দিতে হবে। পানি লাগা বা ছিঁড়ে যাওয়া পাসপোর্টের ক্ষেত্রে বিশেষ প্রক্রিয়া আছে। ফি একটু বেশি দিতে হয়।

বিদেশে থাকলে দূতাবাসের মাধ্যমে রি-ইস্যু করতে পারেন। তবে সময় বেশি লাগে। দূতাবাসের নিয়মকানুন আলাদা। আগে থেকে যোগাযোগ করে নিন।

ই-পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক

আবেদন করার পর ই-পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক করতে পারেন। www.epassport.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘আবেদন ট্র্যাকিং’ অপশনে ক্লিক করুন। আবেদন নম্বর এবং জন্ম তারিখ দিন।

স্ট্যাটাস চেক করলে দেখতে পাবেন আবেদনটি কোন পর্যায়ে আছে। ‘গ্রহণযোগ্য’ মানে আবেদন সফল। ‘প্রক্রিয়াধীন’ মানে কাজ চলছে। ‘প্রস্তুত’ হলে সংগ্রহ করতে পারবেন।

এসএমএসের মাধ্যমেও স্ট্যাটাস জানতে পারেন। ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠান। ‘STATUS<space>আবেদন নম্বর’ লিখে পাঠান। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে রিপ্লাই আসবে।

মোবাইল অ্যাপও আছে স্ট্যাটাস চেক করার জন্য। ‘বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট’ অ্যাপটি প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন। লগইন করে সহজেই স্ট্যাটাস দেখতে পাবেন।

পাসপোর্ট করার নিয়ম

পাসপোর্ট করার নিয়ম সহজ কিন্তু সময়সাপেক্ষ। প্রথমে সব কাগজপত্র সংগ্রহ করুন। তারপর অনলাইনে আবেদন করুন। আবেদন সফল হলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।

অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিন নির্দিষ্ট সময়ে পাসপোর্ট অফিসে যান। সব কাগজপত্র নিয়ে যাবেন। দেরি করলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল হতে পারে। তাই সময়মতো পৌঁছান।

অফিসে গিয়ে কাউন্টারে কাগজপত্র জমা দিন। কর্মকর্তা সব দেখে নিবেন। কোনো সমস্যা থাকলে বলে দিবেন। ঠিক থাকলে রসিদ দিবেন। রসিদটি সংরক্ষণ করুন।

বায়োমেট্রিক ডেটা নিবেন। আঙুলের ছাপ এবং চোখের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। ছবি তুলবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে পাসপোর্ট তৈরির কাজ শুরু হবে। ডেলিভারির তারিখ জানিয়ে দিবেন।

বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট ওয়েবসাইট

বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট ওয়েবসাইট হলো www.epassport.gov.bd। এই ওয়েবসাইটে সব ধরনের তথ্য পাবেন। আবেদন থেকে সংগ্রহ পর্যন্ত সব কাজ এখানেই করতে পারেন।

ওয়েবসাইটটি বাংলা এবং ইংরেজি দুই ভাষায় পাওয়া যায়। মোবাইল এবং কম্পিউটার দুটিতেই ব্যবহার করা যায়। ইন্টারফেস ব্যবহারকারী-বান্ধব। সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পাবেন।

হোমপেজে গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ থাকে। নতুন নিয়মকানুন বা ফি পরিবর্তনের খবর পাবেন। FAQ সেকশনে প্রচলিত প্রশ্নের উত্তর আছে। সমস্যা হলে হেল্প ডেস্কে যোগাযোগ করুন।

ওয়েবসাইটে নিয়মিত আপডেট দেওয়া হয়। সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণের সময় কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে। তখন অন্য সময়ে চেষ্টা করুন। টেকনিক্যাল সাপোর্টের জন্য আলাদা নম্বর আছে।

উপসংহার

ই-পাসপোর্ট আধুনিক বিশ্বে ভ্রমণের জন্য অত্যাবশ্যক একটি দলিল। বাংলাদেশের নাগরিকরা এখন সহজেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাসপোর্ট তৈরি করতে পারেন। অনলাইন আবেদন থেকে শুরু করে বায়োমেট্রিক ডেটা সংগ্রহ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ এবং দ্রুততর হয়েছে।

সঠিক কাগজপত্র এবং প্রয়োজনীয় ফি নিয়ে আবেদন করলে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। ছবি আপলোড থেকে স্ট্যাটাস চেক করা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে সতর্ক থাকুন।

পরিশেষে বলা যায়, ই-পাসপোর্ট তৈরি করা এখন আর জটিল কোনো বিষয় নয়। প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে, সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে সহজেই পাসপোর্ট হাতে পেয়ে যাবেন। বিদেশ ভ্রমণের স্বপ্ন পূরণে এই ডিজিটাল ই-পাসপোর্ট হবে আপনার নির্ভরযোগ্য সঙ্গী।

এই পোস্টটি সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ২০২৬।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী(FAQs)

e-passport তৈরি করতে কত দিন সময় লাগে?

সাধারণত ১৫-২১ কার্যদিবস সময় লাগে। জরুরি সার্ভিসের ক্ষেত্রে ৭ দিনের মধ্যে পাওয়া যায়। তবে কাগজপত্রে সমস্যা থাকলে আরো বেশি সময় লাগতে পারে।

e-passport এর মেয়াদ কত বছর?

১৮ বছর বয়সের উপরে সবার জন্য ১০ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট দেওয়া হয়। ১৮ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে ৫ বছর মেয়াদ। ৫ বছর পরে আবার আবেদন করতে হবে।

পুরাতন পাসপোর্ট থাকলেও কি নতুন e-passport করা যায়?

হ্যাঁ, পুরাতন পাসপোর্ট থাকলেও নতুন e-passport করা যায়। তবে পুরাতনটি বাতিল করতে হবে। দুটো পাসপোর্ট একসাথে রাখা যায় না।

বিদেশে থাকলে কি e-passport করা যায়?

হ্যাঁ, বিদেশে থাকলে বাংলাদেশি দূতাবাস বা হাই কমিশনের মাধ্যমে e-passport করতে পারেন। তবে প্রক্রিয়া একটু ভিন্ন এবং সময় বেশি লাগে।

e-passport হারিয়ে গেলে কি করতে হবে?

প্রথমে পুলিশ স্টেশনে জিডি করতে হবে। তারপর জিডির কপি নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে নতুন আবেদন করুন। ডুপ্লিকেট ফি দিতে হবে।

অনলাইনে আবেদনের পর কি অফিসে যেতে হবে?

হ্যাঁ, অনলাইন আবেদনের পর অবশ্যই পাসপোর্ট অফিসে যেতে হবে। বায়োমেট্রিক ডেটা সংগ্রহ এবং কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য সশরীরে উপস্থিত থাকা আবশ্যক।

ই-পাসপোর্টে কি ধরনের তথ্য থাকে?

ই-পাসপোর্টে চিপের মধ্যে ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি, আঙুলের ছাপ এবং চোখের তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এই চিপ অত্যাধুনিক এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত।

ই-পাসপোর্টের সাথে পুরাতন পাসপোর্টের পার্থক্য কি?

ই-পাসপোর্টে ইলেকট্রনিক চিপ থাকে যা পুরাতন পাসপোর্টে ছিল না। এতে জাল করা কঠিন এবং ভ্রমণের সময় দ্রুততর যাচাই হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক উন্নত।

🔥 পোস্টটি শেয়ার করুনঃ 🌍

You cannot copy content of this page

Scroll to Top