বাংলাদেশে এনজিও চাকরি অনেক মানুষের স্বপ্ন। আপনি কি একটি ভালো চাকরি খুঁজছেন? তাহলে এনজিও সেক্টর আপনার জন্য সেরা সুযোগ হতে পারে। এই লেখায় আমরা ২০২৫ সালের সব তথ্য দেব। আপনি জানবেন কীভাবে আবেদন করতে হয়। কোথায় নতুন চাকরির খবর পাবেন সেটাও জানবেন।
এনজিও চাকরির আবেদন

এনজিও চাকরিতে আবেদন করা সহজ। তবে কিছু নিয়ম মানতে হয়। প্রথমে বিজ্ঞপ্তি ভালো করে পড়ুন। কী কী যোগ্যতা লাগবে তা দেখুন। তারপর সব কাগজপত্র প্রস্তুত করুন।
আবেদন করার আগে একটি ভালো সিভি বানান। আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা লিখুন। অভিজ্ঞতা থাকলে সেটাও যোগ করুন। সিভিতে সঠিক তথ্য দেওয়া খুব জরুরি। ভুল তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হতে পারে।
বেশিরভাগ এনজিও অনলাইনে আবেদন নেয়। তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে ফর্ম পূরণ করুন। কিছু এনজিও ইমেইলে আবেদন চায়। সেক্ষেত্রে সব ডকুমেন্ট স্ক্যান করে পাঠান। আবেদনের শেষ তারিখের আগে জমা দিন। দেরি হলে আপনার সুযোগ হারাতে পারেন।
এনজিও চাকরির খবর ২০২৫
২০২৫ সালে এনজিও চাকরির বাজার অনেক বড়। প্রতিদিন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আসছে। বাংলাদেশে অনেক এনজিও কাজ করছে। তারা বিভিন্ন পদে লোক নিচ্ছে। আপনি যদি চাকরি খুঁজছেন তাহলে এই সময় খুব ভালো।
এনজিও চাকরির খবর পেতে কয়েকটি উপায় আছে। অনলাইন জব পোর্টাল প্রতিদিন চেক করুন। সামাজিক মাধ্যমে এনজিও পেজ ফলো করুন। এনজিওর নিজস্ব ওয়েবসাইটেও দেখুন। এভাবে আপনি সব নতুন খবর পাবেন। চাকরির বাজার এখন অনেক প্রতিযোগিতামূলক। তাই দেরি না করে আবেদন করুন।
এই বছর স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও উন্নয়ন সেক্টরে চাকরি বেশি। এনজিওগুলো গ্রামীণ এলাকায় প্রজেক্ট শুরু করছে। শহরেও অনেক কাজের সুযোগ আছে। তাই আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী পদ খুঁজুন। এনজিও চাকরি শুধু একটি কাজ নয়। এটি মানুষের সেবা করার সুযোগ।
চলমান এনজিও চাকরি
এই মুহূর্তে অনেক এনজিও লোক নিচ্ছে। চলমান এনজিও চাকরি খুঁজতে আপনাকে সক্রিয় থাকতে হবে। প্রতিদিন নতুন সার্কুলার আসে। কিছু পদের আবেদনের সময় কম থাকে। তাই নিয়মিত খোঁজ রাখুন।
বড় এনজিওগুলো সারা বছর নিয়োগ দেয়। ছোট এনজিওগুলোও প্রজেক্ট ভিত্তিক লোক নেয়। ফিল্ড লেভেল থেকে ম্যানেজমেন্ট পর্যন্ত চাকরি আছে। আপনার দক্ষতা অনুযায়ী পদ বেছে নিন। চলমান চাকরিগুলো দ্রুত পূরণ হয়ে যায়। তাই সময়মতো আবেদন করা জরুরি।
অনেক এনজিও মহিলা ও যুবকদের অগ্রাধিকার দেয়। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্যও কোটা আছে। এসব সুযোগ কাজে লাগান। চলমান চাকরির তালিকা জব পোর্টালে পাবেন। এনজিও অফিসেও সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।
- এনজিও কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার নিয়োগ চলছে।
- ফিল্ড সুপারভাইজার পদে আবেদন শুরু হয়েছে।
- মনিটরিং অফিসারের জন্য আবেদন চলছে।
- প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দিচ্ছে।
- ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের চাহিদা বেশি।
এনজিও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
এনজিও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সাধারণত তাদের ওয়েবসাইটে আসে। জাতীয় পত্রিকায়ও প্রকাশ হয়। অনলাইন জব সাইটগুলো নিয়মিত আপডেট দেয়। আপনি এসব মাধ্যম থেকে খবর পাবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে পদের নাম ও সংখ্যা থাকে। কাজের ধরন ও জায়গার তথ্য দেওয়া থাকে। যোগ্যতা ও বেতনের কথাও লেখা থাকে। আবেদনের নিয়ম খুব স্পষ্ট থাকে। সব তথ্য মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের শেষ তারিখ থাকে। পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকারের তথ্যও দেওয়া হয়। কিছু এনজিও লিখিত পরীক্ষা নেয়। কিছু শুধু সাক্ষাৎকার করে। বিজ্ঞপ্তি ডাউনলোড করে রাখুন। পরে কাজে লাগবে।
- নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে পদের নাম ও সংখ্যা দেখুন।
- যোগ্যতার শর্ত ভালো করে পড়ুন।
- আবেদনের শেষ তারিখ মনে রাখুন।
- কাজের জায়গা ও বেতন জেনে নিন।
- সাক্ষাৎকারের তারিখ ও সময় নোট করুন।
আজকের এনজিও চাকরির খবর
আজকের এনজিও চাকরির খবর পেতে অনলাইন সবচেয়ে ভালো। অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখানে প্রতিদিন আপডেট আসে। BDJobs, Bdjobstoday এমন সাইট ভালো। সেখানে নতুন সার্কুলার দ্রুত পাবেন।
আজ কোন এনজিও নিয়োগ দিচ্ছে তা জানতে ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন। অনেক গ্রুপ আছে যেখানে চাকরির খবর শেয়ার হয়। এনজিওর নিজস্ব ফেসবুক পেজও ফলো করুন। তারা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সেখানে দেয়।
সকালে উঠেই জব সাইট চেক করার অভ্যাস করুন। অনেক ভালো চাকরি দ্রুত পূরণ হয়ে যায়। আপনি যদি প্রথম দিকে আবেদন করেন তাহলে সুযোগ বেশি। আজকের খবর জানলে আগামীকালও প্রস্তুত থাকবেন।
বাংলাদেশে এনজিও চাকরি
বাংলাদেশে এনজিও চাকরির বাজার অনেক বড়। হাজারেরও বেশি এনজিও এখানে কাজ করে। বড় এনজিওগুলো সবচেয়ে বেশি লোক নেয়। ছোট এনজিওগুলোও ভালো সুযোগ দেয়।
এনজিওগুলো বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি ও মানবাধিকার মূল ক্ষেত্র। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশেও কাজ হয়। আপনার আগ্রহ অনুযায়ী এনজিও বেছে নিন। বাংলাদেশে এনজিও চাকরি স্থিতিশীল। সরকারি চাকরির মতোই নিরাপদ।
ঢাকায় সবচেয়ে বেশি এনজিও অফিস আছে। তবে গ্রামীণ এলাকায় ফিল্ড কাজ বেশি। চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনায়ও সুযোগ ভালো। কক্সবাজারে রোহিঙ্গা প্রজেক্টে চাকরি আছে। সিলেট, বরিশালেও এনজিও কাজ করছে।
| এনজিওর নাম | কাজের ক্ষেত্র | প্রধান এলাকা | গড় বেতন |
| ব্র্যাক | শিক্ষা, স্বাস্থ্য | সারাদেশ | ২৫,০০০-৮০,০০০ টাকা |
| আশা | মাইক্রোফাইন্যান্স | গ্রামীণ | ২০,০০০-৫০,০০০ টাকা |
| প্রশিকা | কৃষি, শিক্ষা | সারাদেশ | ২২,০০০-৬০,০০০ টাকা |
| সেভ দ্য চিলড্রেন | শিশু অধিকার | শহর ও গ্রাম | ৩০,০০০-১,০০,০০০ টাকা |
এনজিওতে চাকরি ২০২৫
২০২৫ সালে এনজিওতে চাকরি পাওয়া আগের চেয়ে সহজ। নতুন প্রজেক্ট শুরু হচ্ছে প্রতিদিন। সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বেশি ফান্ড দিচ্ছে। তাই নিয়োগের সংখ্যা বাড়ছে।
এই বছর তরুণদের জন্য সুযোগ বেশি। অনেক এনজিও তাজা গ্রাজুয়েট নিচ্ছে। তাদের ট্রেনিং দেওয়া হয়। অভিজ্ঞতা না থাকলেও সমস্যা নেই। শুধু শেখার ইচ্ছা থাকতে হবে।
এনজিওতে ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব। প্রথমে ছোট পদে শুরু করুন। কাজের দক্ষতা বাড়ান। প্রমোশন পাওয়ার সুযোগ আছে। অনেকে ম্যানেজার পর্যন্ত পৌঁছায়। আন্তর্জাতিক এনজিওতে বিদেশেও যাওয়ার সুযোগ আছে।
- ২০২৫ সালে ফিল্ড অফিসারের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।
- অ্যাকাউন্টস অফিসারের জন্য ভালো বেতন।
- এমএন্ডই অফিসারদের চাহিদা বাড়ছে।
- সোশ্যাল মোবিলাইজারদের প্রয়োজন আছে।
- লজিস্টিক অফিসার পদে নিয়োগ চলছে।
উপদ্বীপ এনজিও চাকরি
উপদ্বীপ এলাকায় অনেক এনজিও কাজ করছে। বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায় প্রজেক্ট বেশি। এসব জায়গায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কাজ হয়। লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ ও জীবিকার প্রজেক্টও আছে।
উপদ্বীপে কাজ করলে বাড়তি সুবিধা পাবেন। হার্ডশিপ এলাউন্স দেওয়া হয়। থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা এনজিও করে। পরিবার নিয়ে থাকার সুযোগও আছে। তাই উপদ্বীপে চাকরি খুবই ভালো।
এসব এলাকায় ফিল্ড ওয়ার্কার বেশি লাগে। কমিউনিটির সাথে কাজ করতে হয়। স্থানীয় ভাষা জানলে সুবিধা। তবে বাংলা জানলেই চলবে। উপদ্বীপ এলাকায় কাজের অভিজ্ঞতা অনেক মূল্যবান। পরে বড় পদে যেতে সাহায্য করে।
কক্সবাজার এনজিও চাকরির খবর
কক্সবাজারে এনজিও চাকরির সুযোগ সবচেয়ে বেশি। রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে অনেক এনজিও কাজ করছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সেখানে প্রজেক্ট চালাচ্ছে। প্রতিদিন নতুন নিয়োগ হচ্ছে।
কক্সবাজারে হিউম্যানিটেরিয়ান কাজ মূল ফোকাস। খাদ্য বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার কাজ হয়। প্রোটেকশন অফিসার, কেস ওয়ার্কার লাগে। লজিস্টিক ও অ্যাডমিন স্টাফও প্রয়োজন। বেতন তুলনামূলক বেশি।
কক্সবাজারে কাজ করতে হলে প্রস্তুতি লাগে। ক্যাম্প পরিবেশ কঠিন হতে পারে। তবে অভিজ্ঞতা অসাধারণ। আন্তর্জাতিক এনজিওর সাথে কাজ করার সুযোগ পাবেন। ইংরেজি জানা থাকলে আরও ভালো। অনেক এনজিও ক্যাম্পে থাকার ব্যবস্থা করে।
| এনজিওর নাম | পদের নাম | যোগ্যতা | বেতন |
| UNHCR | প্রোটেকশন অফিসার | স্নাতক, ইংরেজি | ৫০,০০০-১,২০,০০০ টাকা |
| WFP | লজিস্টিক অফিসার | স্নাতক | ৪৫,০০০-৯০,০০০ টাকা |
| IOM | কমিউনিটি মোবিলাইজার | এইচএসসি+ | ২৫,০০০-৫০,০০০ টাকা |
| ACF | নিউট্রিশন অফিসার | ডিপ্লোমা | ৩০,০০০-৬০,০০০ টাকা |
ব্র্যাক এনজিও চাকরি
ব্র্যাক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এনজিও। এখানে হাজারেরও বেশি মানুষ কাজ করে। ব্র্যাকে চাকরি পেলে ক্যারিয়ার সুরক্ষিত। তারা নিয়মিত নতুন লোক নেয়। সারা বছরই নিয়োগ চলে।
ব্র্যাকের অনেক প্রোগ্রাম আছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মাইক্রোফাইন্যান্স মূল কাজ। কৃষি ও জেন্ডার প্রোগ্রামও চলছে। আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী বিভাগ বেছে নিন। ব্র্যাক ভালো বেতন ও সুবিধা দেয়।
ব্র্যাকে আবেদন করতে তাদের ওয়েবসাইটে যান। সেখানে জবস সেকশন আছে। সিভি আপলোড করে আবেদন করুন। লিখিত পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকার হয়। ট্রেনিং দেওয়ার পর কাজ শুরু। ব্র্যাকে দীর্ঘমেয়াদী ক্যারিয়ার গড়া যায়।
- ব্র্যাক শিক্ষা প্রোগ্রামে শিক্ষক নেয় নিয়মিত।
- স্বাস্থ্য কর্মী পদে মহিলাদের অগ্রাধিকার।
- মাইক্রোফাইন্যান্স অফিসার দরকার।
- ফিল্ড অর্গানাইজার পদে নিয়োগ চলছে।
- এমএন্ডই অফিসার ও অ্যাকাউন্টস স্টাফ লাগে।
আশা এনজিও চাকরি
আশা একটি পরিচিত মাইক্রোফাইন্যান্স এনজিও। গ্রামীণ মহিলাদের সাথে কাজ করে। তারা ঋণ দেয় ও উদ্যোগ তৈরি করে। আশায় চাকরি পেলে গ্রাম পর্যায়ে কাজ করতে হয়।
আশায় মূলত ফিল্ড স্টাফ বেশি লাগে। লোন অফিসার, শাখা ম্যানেজার দরকার। অ্যাকাউন্টস ও আইটি স্টাফও নেয়। বেতন মাঝারি মানের। তবে চাকরি স্থিতিশীল। প্রতি বছর বৃদ্ধি পান।
আশায় আবেদন করতে তাদের শাখায় যোগাযোগ করুন। অনলাইনেও আবেদন নেয়। সাধারণত স্থানীয়দের অগ্রাধিকার দেয়। কারণ গ্রামে কাজ করতে হয়। আশায় কাজ করলে গ্রামীণ জীবন বুঝবেন। মানুষের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন।
বিশ্ব ভিশন এনজিও চাকরি
বিশ্ব ভিশন একটি আন্তর্জাতিক এনজিও। শিশুদের উন্নয়নে তারা কাজ করে। বাংলাদেশে অনেক বছর ধরে কাজ করছে। বিশ্ব ভিশনে চাকরি পেলে আন্তর্জাতিক পরিবেশে কাজ করবেন।
বিশ্ব ভিশন শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও চাইল্ড প্রোটেকশন নিয়ে কাজ করে। দুর্যোগ মোকাবেলায়ও সক্রিয়। তারা প্রফেশনাল লোক খোঁজে। যোগ্যতার মান উচ্চ। তবে বেতন ও সুবিধা খুব ভালো। ইংরেজি জানা জরুরি।
বিশ্ব ভিশনের ওয়েবসাইটে ক্যারিয়ার সেকশন আছে। সেখানে সব পদের বিজ্ঞপ্তি থাকে। অনলাইনে আবেদন করতে হয়। সিভি খুব ভালোভাবে তৈরি করুন। সাক্ষাৎকারে আত্মবিশ্বাসী থাকুন। বিশ্ব ভিশনে ক্যারিয়ার দীর্ঘমেয়াদী হতে পারে।
| পদের নাম | কাজের ধরন | যোগ্যতা | অভিজ্ঞতা |
| প্রোগ্রাম ম্যানেজার | প্রজেক্ট পরিচালনা | স্নাতকোত্তর | ৫+ বছর |
| চাইল্ড প্রোটেকশন অফিসার | শিশু সুরক্ষা | স্নাতক | ৩ বছর |
| ওয়াশ অফিসার | পানি ও স্যানিটেশন | ডিপ্লোমা | ২ বছর |
| কমিউনিকেশন অফিসার | মিডিয়া ও প্রচার | স্নাতক | ২ বছর |
চলমান এনজিও নিয়োগ ২০২৫
২০২৫ সালে চলমান এনজিও নিয়োগ খুব বেশি। প্রায় প্রতিটি বড় এনজিও নিয়োগ দিচ্ছে। নতুন প্রজেক্ট শুরু হওয়ায় লোকবল বাড়ছে। বিভিন্ন পদে সুযোগ আছে। ফ্রেশ গ্রাজুয়েট থেকে অভিজ্ঞ সবাই আবেদন করতে পারেন।
চলমান নিয়োগে প্রোগ্রাম অফিসারের চাহিদা বেশি। মনিটরিং ও ইভালুয়েশন স্টাফ লাগছে। ফিল্ড লেভেলে সুপারভাইজার দরকার। হেড অফিসে অ্যাডমিন ও এইচআর স্টাফও নিচ্ছে। অ্যাকাউন্টস অফিসারের জন্য ভালো বেতন।
চলমান নিয়োগে আবেদনের সময় কম থাকে। দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সব কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন। অনলাইনে আবেদন সবচেয়ে সহজ। কিছু এনজিও হার্ড কপি চায়। সেক্ষেত্রে সরাসরি অফিসে জমা দিন। নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত হয়। তাই প্রস্তুত থাকুন।
- কমিউনিটি মোবিলাইজারের জন্য আবেদন চলছে।
- ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ হচ্ছে।
- ট্রেনিং অফিসারদের দরকার আছে।
- জেন্ডার অফিসার পদে মহিলা প্রার্থী চাওয়া হচ্ছে।
- রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগ দিচ্ছে।
নতুন এনজিও জব সার্কুলার
নতুন এনজিও জব সার্কুলার পেতে নিয়মিত খোঁজ রাখুন। প্রতি সপ্তাহে নতুন বিজ্ঞপ্তি আসে। কিছু এনজিও মাস শেষে সার্কুলার দেয়। আবার কিছু যেকোনো সময় দিতে পারে। তাই সতর্ক থাকতে হবে।
নতুন সার্কুলারে সাধারণত তাজা পদ থাকে। নতুন প্রজেক্টের জন্য লোক নেয়। এসব সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। আবেদনের প্রতিযোগিতা কম থাকে শুরুতে। তাই দ্রুত আবেদন করুন।
জব সার্কুলারে সব তথ্য ভালো করে পড়ুন। কাজের বিবরণ বুঝে নিন। বেতন ও সুবিধা দেখুন। আবেদনের শর্ত মিললেই আবেদন করুন। নতুন সার্কুলার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হয়। গ্রুপে এক্টিভ থাকুন।
এনজিও চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
এনজিও চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বিভিন্ন মাধ্যমে পাবেন। এনজিওর নিজস্ব ওয়েবসাইট প্রথম জায়গা। জাতীয় পত্রিকার চাকরির পাতায়ও আসে। অনলাইন জব পোর্টাল সবচেয়ে ভালো উৎস।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে কয়েকটি অংশ থাকে। প্রথমে এনজিওর পরিচিতি দেওয়া হয়। তারপর পদের নাম ও সংখ্যা লেখা থাকে। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার শর্ত থাকে। কাজের দায়িত্ব বিস্তারিত লেখা থাকে।
বিজ্ঞপ্তিতে বেতন ও সুবিধার তথ্য থাকে। আবেদন করার পদ্ধতি খুব পরিষ্কার থাকে। কী কী কাগজপত্র লাগবে সেটাও বলা থাকে। শেষে আবেদনের ঠিকানা ও শেষ তারিখ দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তি সংরক্ষণ করে রাখুন।
এনজিও চাকরির সার্কুলার সাইট
এনজিও চাকরির সার্কুলার খুঁজতে কয়েকটি সাইট ভালো। BDJobs সবচেয়ে জনপ্রিয়। Bdjobstoday প্রতিদিন আপডেট দেয়। Chakri.com এও ভালো সার্কুলার পাবেন। এসব সাইটে রেজিস্ট্রেশন করুন।
সার্কুলারে এনজিওর নাম ও ঠিকানা থাকে। পদের বিবরণ পরিষ্কারভাবে লেখা থাকে। যোগ্যতা, বয়স, অভিজ্ঞতার শর্ত দেওয়া হয়। বেতন স্কেল উল্লেখ থাকে। কখনো নেগোশিয়েবল লেখা থাকে।
সার্কুলার থেকে এনজিও সম্পর্কে জানুন। তাদের কাজের ধরন বুঝুন। আপনি সেখানে মানানসই কিনা ভাবুন। তারপর আবেদন করুন। সার্কুলার পিডিএফ ডাউনলোড করে রাখুন। পরে প্রিন্ট নিতে পারবেন।
| জব পোর্টাল | বিশেষত্ব | আপডেট ফ্রিকোয়েন্সি | রেজিস্ট্রেশন |
| BDJobs.com | সবচেয়ে জনপ্রিয় | প্রতিদিন | ফ্রি |
| Bdjobstoday.com | এনজিও ফোকাস | প্রতিদিন | ফ্রি |
| Chakri.com | সব ধরনের চাকরি | সাপ্তাহিক | ফ্রি |
| Prothomalo Jobs | পত্রিকা ভিত্তিক | সাপ্তাহিক | ফ্রি |
এনজিওতে চাকরির সুযোগ
এনজিওতে চাকরির সুযোগ এখন অনেক। বিভিন্ন পদে কাজ করতে পারবেন। ফিল্ড লেভেল থেকে শুরু করতে পারেন। ধীরে ধীরে উপরে উঠতে পারবেন। এনজিওতে ক্যারিয়ার গ্রোথ ভালো।
তরুণদের জন্য সুযোগ সবচেয়ে বেশি। অনেক এনজিও তরুণ লোক পছন্দ করে। তারা নতুন আইডিয়া আনে। প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ। তাই তরুণদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। ইন্টার্নশিপের সুযোগও আছে।
মহিলাদের জন্যও সুযোগ প্রচুর। অনেক এনজিও মহিলা কর্মী চায়। বিশেষ করে ফিল্ড লেভেলে। গ্রামীণ মহিলাদের সাথে কাজে মহিলা স্টাফ দরকার। নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হয়। মাতৃত্বকালীন ছুটিও পাবেন।
- ফ্রেশ গ্রাজুয়েটদের জন্য এন্ট্রি লেভেল পদ আছে।
- অভিজ্ঞদের জন্য ম্যানেজমেন্ট পদ খোলা।
- পার্ট টাইম কাজের সুযোগও আছে।
- কনসালট্যান্সির কাজ পাওয়া যায়।
- ইন্টার্নশিপ করে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ।
এনজিও চাকরি আপডেট
এনজিও চাকরি আপডেট পেতে কয়েকটি উপায় আছে। জব পোর্টালে নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন। তারা ইমেইলে নতুন চাকরির খবর পাঠাবে। ফেসবুক গ্রুপে এক্টিভ থাকুন। সেখানে দ্রুত আপডেট আসে।
এনজিওর নিজস্ব ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন। ক্যারিয়ার পেজ বুকমার্ক করে রাখুন। কিছু এনজিও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চালায়। সেখানে জয়েন করলে আপডেট পাবেন। টেলিগ্রাম চ্যানেলও ফলো করতে পারেন।
আপডেট পেলে দেরি করবেন না। দ্রুত আবেদনের প্রস্তুতি নিন। কাগজপত্র তৈরি রাখুন সবসময়। সিভি আপডেট রাখুন নিয়মিত। নতুন সার্টিফিকেট পেলে যোগ করুন। এভাবে আপডেট থাকলে সুযোগ হাতছাড়া হবে না।
এনজিও চাকরির তথ্য
এনজিও চাকরির তথ্য সংগ্রহ করা জরুরি। আপনি কোন এনজিওতে আবেদন করছেন জানুন। তারা কী ধরনের কাজ করে বুঝুন। তাদের প্রজেক্ট সম্পর্কে পড়ুন। এতে সাক্ষাৎকারে সাহায্য হবে।
চাকরির শর্ত ভালো করে জানুন। বেতন কত হবে সেটা বুঝুন। কী কী সুবিধা পাবেন দেখুন। কাজের সময় কেমন থাকবে জানুন। ছুটির নিয়ম কী সেটাও জানা দরকার। প্রমোশনের সুযোগ আছে কিনা জিজ্ঞেস করুন।
এনজিও চাকরির তথ্য অভিজ্ঞদের কাছ থেকে নিন। যারা এনজিওতে কাজ করছেন তাদের সাথে কথা বলুন। তাদের অভিজ্ঞতা জানুন। অনলাইন ফোরামেও তথ্য পাবেন। সঠিক তথ্য নিয়ে সিদ্ধান্ত নিন।
এনজিও জব সার্কুলার বাংলাদেশ

এনজিও জব সার্কুলার বাংলাদেশ বিভিন্ন সোর্স থেকে পাবেন। দেশের সব এনজিও নিয়োগ দেয় নিয়মিত। ছোট-বড় মিলিয়ে হাজারেরও বেশি এনজিও আছে। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও সার্কুলার আসে।
বাংলাদেশের এনজিও সেক্টর অনেক বৈচিত্র্যময়। কিছু এনজিও মাইক্রোক্রেডিট নিয়ে কাজ করে। কিছু স্বাস্থ্য ও শিক্ষায়। আবার কিছু পরিবেশ রক্ষায়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায়ও এনজিও সক্রিয়। আপনার আগ্রহ অনুযায়ী বেছে নিন।
জব সার্কুলার খুঁজতে স্থানীয় পত্রিকাও দেখুন। জেলা পর্যায়ে অনেক এনজিও আছে। তারা স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়। ইউনিয়ন পর্যায়ে কাজের সুযোগ আছে। বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকায় এনজিও চাকরি পাওয়া সম্ভব।
রিলিফ সংস্থা এনজিও চাকরি
রিলিফ সংস্থা এনজিও চাকরি বিশেষ ধরনের। এসব এনজিও জরুরি পরিস্থিতিতে কাজ করে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্পে তারা সক্রিয়। দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দেয় ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে। এসব এনজিওতে কাজ চ্যালেঞ্জিং।
রিলিফ এনজিওতে ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম থাকে। খাদ্য বিতরণ, আশ্রয় ও চিকিৎসা দেয়। লজিস্টিক অফিসার ও ফিল্ড কর্মী বেশি লাগে। দ্রুত কাজ করার দক্ষতা দরকার। চাপ সামলানোর ক্ষমতা থাকতে হবে।
এসব এনজিওতে কাজ করলে দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। কখনো দুর্গম এলাকায়ও কাজ করতে হতে পারে। তবে অভিজ্ঞতা অসাধারণ। মানুষের জীবন বাঁচাতে ভূমিকা রাখবেন। রিলিফ সংস্থায় বেতন ভালো। হার্ডশিপ এলাউন্স পাবেন।
- ইমার্জেন্সি কোঅর্ডিনেটর পদে নিয়োগ চলছে।
- লজিস্টিক অ্যাসিস্ট্যান্ট দরকার আছে।
- ওয়াশ স্পেশালিস্ট নিয়োগ দিচ্ছে।
- ক্যাম্প ম্যানেজার পদ খোলা আছে।
- ডিস্ট্রিবিউশন অফিসার লাগবে।
উন্নয়ন সংস্থা এনজিও চাকরি
উন্নয়ন সংস্থা এনজিও চাকরি দীর্ঘমেয়াদী। এসব এনজিও সমাজ উন্নয়নে কাজ করে। দারিদ্র্য কমানো, শিক্ষা বৃদ্ধি মূল লক্ষ্য। মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা। কমিউনিটি নিয়ে কাজ করতে হয়।
উন্নয়ন এনজিওতে প্রোগ্রাম অফিসার বেশি লাগে। কমিউনিটি অর্গানাইজার ও মোবিলাইজার দরকার। ট্রেনিং অফিসার ও রিসার্চার নেয়। এমএন্ডই স্পেশালিস্টের চাহিদা আছে। অ্যাডভোকেসি অফিসারও লাগে।
এসব এনজিওতে কাজ স্থিতিশীল। দীর্ঘদিন চাকরি করা যায়। ক্যারিয়ার গ্রোথের সুযোগ ভালো। প্রশিক্ষণ পাওয়ার সুযোগ থাকে। উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করলে সমাজে অবদান রাখতে পারবেন। মানুষের জীবন বদলাতে সাহায্য করবেন।
এনজিও চাকরির পদের তালিকা
এনজিও চাকরির পদের তালিকা অনেক লম্বা। বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন পদ আছে। এন্ট্রি লেভেল থেকে টপ ম্যানেজমেন্ট পর্যন্ত। প্রতিটি পদের কাজ আলাদা। দায়িত্বও ভিন্ন।
ফিল্ড লেভেলে কমিউনিটি ওয়ার্কার আছে। ফিল্ড অর্গানাইজার ও সুপারভাইজার। মিড লেভেলে প্রোগ্রাম অফিসার। প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর ও ম্যানেজার। সিনিয়র লেভেলে ডিরেক্টর। চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসারও আছে।
সাপোর্ট স্টাফের মধ্যে অ্যাকাউন্টস অফিসার। এইচআর অফিসার ও অ্যাডমিন স্টাফ। আইটি অফিসার ও লজিস্টিক ম্যানেজার। কমিউনিকেশন অফিসার ও রিসার্চার। প্রতিটি পদ গুরুত্বপূর্ণ। সবাই মিলে এনজিও চলে।
| পদের নাম | কাজের স্তর | শিক্ষাগত যোগ্যতা | গড় বেতন |
| কমিউনিটি ওয়ার্কার | ফিল্ড লেভেল | এইচএসসি | ১৫,০০০-২৫,০০০ টাকা |
| ফিল্ড অর্গানাইজার | ফিল্ড লেভেল | স্নাতক | ২০,০০০-৩৫,০০০ টাকা |
| প্রোগ্রাম অফিসার | মিড লেভেল | স্নাতক | ৩০,০০০-৫৫,০০০ টাকা |
| প্রজেক্ট ম্যানেজার | সিনিয়র লেভেল | স্নাতকোত্তর | ৬০,০০০-১,২০,০০০ টাকা |
এনজিও চাকরির যোগ্যতা ও বেতন
এনজিও চাকরির যোগ্যতা ও বেতন পদ অনুযায়ী আলাদা। ফিল্ড লেভেলে এইচএসসি পাস হলেই হয়। অফিস পদে স্নাতক লাগে। ম্যানেজমেন্ট পদে স্নাতকোত্তর দরকার। অভিজ্ঞতার শর্তও থাকে কিছু পদে।
বেতন নির্ভর করে পদ ও এনজিওর উপর। আন্তর্জাতিক এনজিও বেশি বেতন দেয়। স্থানীয় এনজিওর বেতন মাঝারি। ফিল্ড লেভেলে ১৫ থেকে ২৫ হাজার। অফিস লেভেলে ২৫ থেকে ৫০ হাজার। ম্যানেজমেন্ট লেভেলে ৫০ হাজার থেকে লাখের উপরে।
এনজিও চাকরিতে অন্যান্য সুবিধা আছে। মোবাইল বিল ও ইন্টারনেট ভাতা। যাতায়াত ভাতা দেওয়া হয়। চিকিৎসা সুবিধা থাকে কোনো কোনো এনজিওতে। বোনাস ও ইনক্রিমেন্টও পাবেন নিয়মিত। প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুবিধাও আছে।
- ফিল্ড ওয়ার্কারের বেতন ১৫-২৫ হাজার টাকা।
- প্রোগ্রাম অফিসারের বেতন ৩০-৫৫ হাজার টাকা।
- ম্যানেজারের বেতন ৬০ হাজার থেকে শুরু।
- স্পেশালিস্টদের বেতন লাখের উপরে।
- আন্তর্জাতিক এনজিওতে বেতন সবচেয়ে ভালো।
উপসংহার
এনজিও চাকরি বাংলাদেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। এখানে হাজারো মানুষ কাজ করছে। নতুন সুযোগ আসছে প্রতিদিন। আপনিও এই সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।
এই লেখায় আমরা সব তথ্য দিয়েছি। কীভাবে চাকরি খুঁজবেন জেনেছেন। আবেদন প্রক্রিয়া বুঝেছেন। বিভিন্ন এনজিও সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। এখন আপনার পালা কাজে লাগানোর।
এনজিও চাকরি শুধু একটি কাজ নয়। এটি মানুষের সেবা করার সুযোগ। সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখার পথ। দেশের উন্নতিতে ভূমিকা পালন করা। তাই এনজিও সেক্টরে কাজ অর্থবহ।
প্রস্তুতি নিন ভালোভাবে। সিভি আপডেট করুন নিয়মিত। নতুন দক্ষতা শিখতে থাকুন। ইংরেজি দক্ষতা বাড়ান। কম্পিউটার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন। এসব যোগ্যতা চাকরি পেতে সাহায্য করবে।
ধৈর্য ধরুন চাকরি খুঁজতে। প্রথমেই না পেলে হতাশ হবেন না। চেষ্টা চালিয়ে যান নিয়মিত। একদিন সফল হবেনই। এনজিও সেক্টর বিশাল। সবার জন্য সুযোগ আছে এখানে।
নেটওয়ার্কিং করুন অবশ্যই। এনজিও কাজ করা মানুষের সাথে যোগাযোগ রাখুন। তাদের অভিজ্ঞতা থেকে শিখুন। তারা আপনাকে গাইড করতে পারবে। সঠিক তথ্য পাবেন তাদের কাছ থেকে।
অনলাইনে সক্রিয় থাকুন সবসময়। জব পোর্টাল চেক করুন দৈনিক। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করুন স্মার্টভাবে। গ্রুপে এক্টিভ থাকুন নিয়মিত। এভাবে কোনো সুযোগ মিস হবে না।
আপনার লক্ষ্য স্পষ্ট রাখুন। কোন ধরনের কাজ করতে চান ঠিক করুন। কোন সেক্টরে আগ্রহ আছে বুঝুন। তারপর সেই অনুযায়ী খুঁজুন। ফোকাসড সার্চ বেশি সফল হয়।
এনজিও চাকরি পেলে সৎভাবে কাজ করুন। দায়িত্ব নিয়ে কাজ করুন সবসময়। মানুষের সেবায় নিবেদিত থাকুন। এনজিওর সুনাম বাড়াতে সাহায্য করুন। আপনার ক্যারিয়ারও এগিয়ে যাবে তখন।
চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর শিখতে থাকুন। নতুন প্রশিক্ষণে অংশ নিন। সেমিনার ও ওয়ার্কশপে যান। নিজেকে আপডেট রাখুন সবসময়। এনজিও সেক্টর পরিবর্তনশীল। তাই শেখা চলতে থাকে।
সহকর্মীদের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখুন। টিমওয়ার্ক খুব গুরুত্বপূর্ণ এনজিওতে। একসাথে কাজ করলে ফলাফল ভালো হয়। সবার সাথে সহযোগিতা করুন। পেশাদার আচরণ বজায় রাখুন।
এনজিও চাকরি আপনার জীবন বদলে দিতে পারে। অর্থনৈতিক নিরাপত্তা পাবেন। সামাজিক সম্মান বাড়বে। মানুষের কল্যাণে কাজ করার তৃপ্তি পাবেন। এটি একটি সম্মানজনক পেশা।
সবশেষে বলবো প্রস্তুতি নিন এখনই। দেরি করবেন না একদমই। চাকরির বাজার প্রতিযোগিতামূলক। যে আগে প্রস্তুত সে এগিয়ে থাকে। আপনার সফলতা কামনা করছি। এনজিও সেক্টরে আপনার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ হোক।
লেখকের নোট : এই নিবন্ধে দেওয়া তথ্য সাধারণ ধারণার জন্য। প্রতিটি এনজিওর নিয়ম ও শর্ত আলাদা হতে পারে। চাকরিতে আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট এনজিওর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ও বিজ্ঞপ্তি ভালোভাবে পড়ুন। সঠিক ও আপডেট তথ্যের জন্য এনজিওর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন। আপনার এনজিও ক্যারিয়ার সফল হোক।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)
এনজিও চাকরিতে আবেদন করতে কী কী লাগে?
এনজিও চাকরিতে আবেদন করতে কয়েকটি জিনিস দরকার। প্রথমে একটি ভালো সিভি চাই। শিক্ষাগত সনদপত্রের কপি লাগবে। জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম সনদ দিতে হবে। ছবিও প্রয়োজন হয় সাধারণত। কভার লেটার লিখতে হয় অনেক ক্ষেত্রে। অভিজ্ঞতা সার্টিফিকেট থাকলে যোগ করুন। রেফারেন্স লেটার কিছু এনজিও চায়। সব কাগজ স্ক্যান করে রাখুন। অনলাইন আবেদনে কাজে লাগবে। ইমেইল অ্যাড্রেস ও মোবাইল নম্বর সক্রিয় রাখুন।
এনজিও চাকরির বেতন কেমন হয়?
এনজিও চাকরির বেতন পদভেদে আলাদা হয়। ফিল্ড লেভেল কর্মীরা ১৫ থেকে ২৫ হাজার পান। অফিস অ্যাসিস্ট্যান্টরা ২০ থেকে ৩৫ হাজার পান। প্রোগ্রাম অফিসারদের বেতন ৩০ থেকে ৫৫ হাজার। ম্যানেজার লেভেলে ৬০ হাজার থেকে শুরু। আন্তর্জাতিক এনজিওতে বেতন আরও বেশি। লাখ টাকা পর্যন্ত বেতন পাওয়া যায়। স্থানীয় এনজিও মাঝারি বেতন দেয়। অভিজ্ঞতা বাড়লে বেতনও বাড়ে। বোনাস ও অন্যান্য সুবিধাও পাবেন। মোট প্যাকেজ বেশ ভালোই হয়।
এনজিও চাকরিতে কি অভিজ্ঞতা লাগে?
এনজিও চাকরিতে অভিজ্ঞতা নির্ভর করে পদের উপর। এন্ট্রি লেভেল পদে অভিজ্ঞতা লাগে না। ফ্রেশ গ্রাজুয়েট আবেদন করতে পারেন। ফিল্ড ওয়ার্কার পদেও নতুনরা সুযোগ পায়। মিড লেভেল পদে ২-৩ বছর অভিজ্ঞতা চায়। সিনিয়র পদে ৫ বছর বা বেশি লাগে। ম্যানেজমেন্ট পদে অভিজ্ঞতা অবশ্যই দরকার। তবে ইন্টার্নশিপের সুযোগ আছে অনেক এনজিওতে। ইন্টার্নশিপ করে অভিজ্ঞতা নিতে পারেন। পরে স্থায়ী চাকরি পাওয়া সহজ হয়। ভলান্টিয়ার কাজও অভিজ্ঞতা হিসেবে গণ্য হয়।
কোন এনজিওতে চাকরি সবচেয়ে ভালো?
এনজিও চাকরির ভালো-মন্দ নির্ভর করে আপনার লক্ষ্যের উপর। ব্র্যাক সবচেয়ে বড় ও স্থিতিশীল। সেভ দ্য চিলড্রেন ভালো বেতন দেয়। ওয়ার্ল্ড ভিশন আন্তর্জাতিক এক্সপোজার দেয়। আশা ও প্রশিকা স্থানীয় কাজে ভালো। BRAC University এ ক্যারিয়ার গ্রোথ ভালো। ছোট এনজিওতে দ্রুত প্রমোশন হয়। আন্তর্জাতিক এনজিওতে সুবিধা বেশি। আপনার আগ্রহের সেক্টর দেখে বেছে নিন। কাজের ধরন ও লোকেশনও বিবেচনা করুন। সবার জন্য ভালো এনজিও আলাদা হতে পারে।
এনজিও চাকরিতে কি ইংরেজি জানা লাগে?
এনজিও চাকরিতে ইংরেজি জানার প্রয়োজনীয়তা পদ অনুযায়ী আলাদা। ফিল্ড লেভেল কাজে বাংলাই যথেষ্ট। স্থানীয় মানুষের সাথে বাংলায় কথা হয়। অফিস পদে বেসিক ইংরেজি লাগে। রিপোর্ট লিখতে ইংরেজি দরকার। আন্তর্জাতিক এনজিওতে ভালো ইংরেজি চাই। বিদেশি সহকর্মীর সাথে যোগাযোগ হয়। ম্যানেজমেন্ট পদে ইংরেজি অবশ্যই লাগে। ডোনারদের সাথে কথা বলতে হয়। তবে ইংরেজি শিখে নিতে পারেন। অনেক এনজিও ট্রেনিং দেয়। প্র্যাকটিস করলে দক্ষ হওয়া যায়।
এনজিও চাকরিতে কি প্রমোশন হয়?
এনজিও চাকরিতে প্রমোশনের সুযোগ অবশ্যই আছে। ভালো কাজ করলে প্রমোশন পাবেন। সাধারণত ২-৩ বছর পর প্রমোশন হয়। ফিল্ড ওয়ার্কার থেকে সুপারভাইজার হতে পারেন। সুপারভাইজার থেকে অফিসার হওয়া যায়। অফিসার থেকে ম্যানেজার পদে যাওয়া সম্ভব। দক্ষতা ও পারফরম্যান্স দেখে প্রমোশন দেয়। অতিরিক্ত প্রশিক্ষণ নিলে সুবিধা হয়। উচ্চ শিক্ষা থাকলে দ্রুত এগোনো যায়। অনেকে ডিরেক্টর পর্যন্ত পৌঁছায়। ক্যারিয়ার গ্রোথের সুযোগ এনজিওতে ভালো। ধৈর্য ও কঠোর পরিশ্রম করতে হয়।
এনজিও চাকরি কি সরকারি চাকরির মতো?
এনজিও চাকরি সরকারি চাকরির মতো নয় সম্পূর্ণভাবে। তবে কিছু মিল আছে অবশ্যই। এনজিও চাকরিও স্থিতিশীল হতে পারে। বড় এনজিওতে চাকরি নিরাপদ। বেতন নিয়মিত পাবেন প্রতি মাসে। বোনাস ও ইনক্রিমেন্টও হয়। প্রভিডেন্ট ফান্ড কিছু এনজিওতে আছে। ছুটির সুবিধাও ভালো থাকে। তবে পেনশন সিস্টেম নেই সাধারণত। চাকরি প্রজেক্ট ভিত্তিক হতে পারে। সরকারি চাকরির মতো আজীবন নিশ্চয়তা নেই। তবে অভিজ্ঞতা বাড়লে চাকরি পাওয়া সহজ। এনজিও থেকে এনজিওতে যাওয়া যায়।
মহিলারা কি এনজিও চাকরি করতে পারে?
মহিলারা এনজিও চাকরিতে সবচেয়ে বেশি সুযোগ পায়। অনেক এনজিও মহিলা কর্মী পছন্দ করে। বিশেষ করে ফিল্ড লেভেলে মহিলা দরকার। গ্রামীণ মহিলাদের সাথে কাজে সুবিধা হয়। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেক্টরে মহিলা বেশি। চাইল্ড প্রোটেকশনেও মহিলাদের ভূমিকা বড়। এনজিও নিরাপদ কর্মপরিবেশ দেয়। হয়রানি রোধে কঠোর নীতি আছে। মাতৃত্বকালীন ছুটি পাওয়া যায়। অনেক এনজিও ডে কেয়ার সুবিধা দেয়। মহিলাদের জন্য এনজিও আদর্শ কর্মক্ষেত্র। ক্যারিয়ার গড়ার পূর্ণ সুযোগ আছে।
এনজিও চাকরিতে কি ট্রেনিং দেওয়া হয়?
এনজিও চাকরিতে নিয়মিত ট্রেনিং দেওয়া হয়। চাকরি শুরুতে ওরিয়েন্টেশন ট্রেনিং হয়। কাজের ধরন শেখানো হয় তখন। প্রজেক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়। কাজ চলাকালীনও ট্রেনিং চলে। নতুন দক্ষতা শেখার সুযোগ থাকে। কম্পিউটার ট্রেনিং দেওয়া হয়। ইংরেজি ভাষা শেখার ব্যবস্থা থাকে। ম্যানেজমেন্ট ট্রেনিংও পাওয়া যায়। কিছু এনজিও বিদেশে ট্রেনিং পাঠায়। সার্টিফিকেট দেওয়া হয় ট্রেনিং শেষে। এসব ট্রেনিং ক্যারিয়ারে সাহায্য করে। দক্ষতা বৃদ্ধি পায় অনেক।
এনজিও চাকরি করলে কি বিদেশে যাওয়া যায়?
এনজিও চাকরি করলে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ আছে। আন্তর্জাতিক এনজিওতে এই সুযোগ বেশি। ট্রেনিং বা কনফারেন্সে পাঠানো হয়। এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে অংশ নিতে পারেন। কিছু এনজিও বিদেশে পদ দেয়। অভিজ্ঞতা থাকলে আবেদন করতে পারেন। স্টাডি ট্যুরেও যাওয়া যায়। অন্য দেশের প্রজেক্ট দেখার সুযোগ হয়। স্কলারশিপ পাওয়ার সুবিধা থাকে। উচ্চ শিক্ষায় বিদেশে যেতে পারেন। এনজিও অভিজ্ঞতা ভিসা পেতে সাহায্য করে। তবে সবাই বিদেশে যায় না। যোগ্যতা ও সুযোগ লাগে অবশ্যই।
এনজিও চাকরি পেতে কত সময় লাগে?
এনজিও চাকরি পেতে সময় নির্ভর করে পদের উপর। এন্ট্রি লেভেল পদে দ্রুত নিয়োগ হয়। আবেদনের ১-২ সপ্তাহে ডাক আসতে পারে। সাক্ষাৎকারের পর এক সপ্তাহে ফলাফল। মোট ১ মাসের মধ্যে জয়েনিং সম্ভব। মিড লেভেল পদে একটু বেশি সময় লাগে। লিখিত পরীক্ষা ও একাধিক সাক্ষাৎকার হয়। ২-৩ মাস সময় নিতে পারে। সিনিয়র পদে আরও সময় লাগে। রেফারেন্স চেক করা হয়। ৩-৪ মাস পর্যন্ত লাগতে পারে। তবে জরুরি নিয়োগ দ্রুত হয়। প্রজেক্ট শুরুতে তাড়াতাড়ি লোক নেয়। ধৈর্য রাখুন আবেদনের পর।
এনজিও চাকরিতে কি স্থায়ী হওয়া যায়?
এনজিও চাকরিতে স্থায়ী হওয়া সম্ভব অবশ্যই। তবে এটা নির্ভর করে এনজিও ও পদের উপর। বড় এনজিওগুলো স্থায়ী পদ দেয়। ব্র্যাক, আশা, প্রশিকায় স্থায়ী চাকরি আছে। কোর স্টাফ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রোবেশন পিরিয়ড শেষে স্থায়ী হন। সাধারণত ৬ মাস থেকে ১ বছর প্রোবেশন। ভালো কাজ করলে স্থায়ী করা হয়। কিছু চাকরি প্রজেক্ট ভিত্তিক হয়। প্রজেক্ট শেষে চুক্তি শেষ হতে পারে। তবে নতুন প্রজেক্টে নেওয়া হয় অনেক সময়। অভিজ্ঞ স্টাফ ধরে রাখার চেষ্টা করে এনজিও। দীর্ঘদিন কাজ করা সম্ভব।
এনজিও চাকরিতে কি ওভারটাইম করতে হয়?
এনজিও চাকরিতে ওভারটাইম নির্ভর করে কাজের ধরনের উপর। ফিল্ড লেভেল কাজে মাঝে মাঝে লাগে। কমিউনিটি মিটিং সন্ধ্যায় হতে পারে। জরুরি পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। তবে বেশিরভাগ সময় নির্ধারিত সময়েই কাজ। অফিস সাধারণত সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা। সপ্তাহান্তে ছুটি থাকে সাধারণত। কিছু এনজিও ওভারটাইম ভাতা দেয়। অতিরিক্ত কাজের জন্য বাড়তি পাওয়া যায়। আবার কিছু পদে নমনীয় সময় আছে। কাজ শেষ হলে চলে যেতে পারেন। ম্যানেজমেন্ট পদে কিছুটা বেশি থাকতে হয়। তবে সবসময় নয়।
এনজিও চাকরিতে কি স্বাস্থ্য বীমা পাওয়া যায়?
এনজিও চাকরিতে স্বাস্থ্য সুবিধা এনজিও অনুযায়ী আলাদা। বড় আন্তর্জাতিক এনজিও স্বাস্থ্য বীমা দেয়। পরিবারসহ কভারেজ পাওয়া যায়। হাসপাতাল খরচ বহন করা হয়। কিছু স্থানীয় এনজিওও বীমা দেয়। তবে সীমিত কভারেজ থাকতে পারে। চিকিৎসা ভাতা দেওয়া হয় অনেক জায়গায়। বছরে নির্দিষ্ট পরিমাণ পাবেন। কিছু এনজিও নিজস্ব ক্লিনিক চালায়। সেখানে ফ্রি চিকিৎসা পাবেন। জরুরি অবস্থায় আর্থিক সাহায্য দেয়। তবে ছোট এনজিওতে সুবিধা কম। চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে জেনে নিন। স্বাস্থ্য সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
এনজিও চাকরি ছেড়ে অন্য চাকরি করা যায়?
এনজিও চাকরি ছেড়ে অন্য চাকরি অবশ্যই করা যায়। এনজিও অভিজ্ঞতা সব জায়গায় মূল্যবান। সরকারি চাকরিতে আবেদন করতে পারবেন। প্রাইভেট কোম্পানিতেও সুযোগ আছে। এনজিও থেকে এনজিওতে যাওয়া সহজ। বেতন বৃদ্ধি পেয়ে যেতে পারেন। ব্যাংক বা কর্পোরেটেও আবেদন করা যায়। সিএসআর বিভাগে চাকরি পাবেন। আন্তর্জাতিক কোম্পানিতে সুযোগ আছে। উচ্চ শিক্ষা নিয়ে শিক্ষকতা করতে পারেন। নিজের ব্যবসাও শুরু করা যায়। এনজিও অভিজ্ঞতা সব দিকে কাজে লাগে। নোটিশ পিরিয়ড মেনে চলুন। ভালো সম্পর্ক রেখে চলে আসুন।
🔥 পোস্টটি শেয়ার করুনঃ 🌍






