LG ফ্রিজ: দাম, ফিচার ও রিভিউ গাইড বাংলাদেশ ২০২৫

আপনি কি নতুন ফ্রিজ কিনতে চাচ্ছেন? বাংলাদেশে LG ফ্রিজ এখন খুবই জনপ্রিয়। অনেকেই এই ব্র্যান্ডের ফ্রিজ পছন্দ করেন। কারণ এটি টেকসই এবং দীর্ঘদিন চলে। আজকের এই লেখায় আমরা LG ফ্রিজের সব তথ্য জানবো। দাম, মডেল, ফিচার সব কিছু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আপনার বাজেট অনুযায়ী সেরা ফ্রিজ বেছে নিতে এই গাইড সাহায্য করবে।

👉 এক নজরে প্রবন্ধটির মূল বিষয়বস্তু/সূচিপত্রঃ 📖

LG ফ্রিজের দাম

LG ফ্রিজের দাম নির্ভর করে মডেল এবং সাইজের উপর। ছোট ফ্রিজের দাম কম হয়। বড় ফ্রিজের দাম একটু বেশি পড়ে। বাংলাদেশে LG ফ্রিজের দাম শুরু হয় প্রায় ২৫,০০০ টাকা থেকে। সবচেয়ে দামী মডেল দুই লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। মাঝারি সাইজের ফ্রিজ পাবেন ৪০,০০০ থেকে ৮০,০০০ টাকার মধ্যে। আপনার পরিবারের সদস্য সংখ্যা দেখে ফ্রিজ বেছে নিন। ছোট পরিবারের জন্য ২০০ লিটার যথেষ্ট। বড় পরিবারের জন্য ৩০০ লিটার বা তার বেশি ভালো।

LG ফ্রিজের দাম বাংলাদেশ

LG ফ্রিজের দাম বাংলাদেশ – নতুন মডেল, ফিচার ও সর্বশেষ প্রাইস আপডেট

বাংলাদেশে LG ফ্রিজের দাম বিভিন্ন দোকানে আলাদা হতে পারে। ঢাকার ইলেকট্রনিক্স শপগুলোতে ভালো দাম পাওয়া যায়। অনলাইনেও LG ফ্রিজ কিনতে পারবেন। দারাজ, রকমারি এসব সাইটে অনেক অফার থাকে। সরাসরি LG শোরুম থেকে কিনলে ওয়ারেন্টি পাবেন। স্থানীয় দোকানে দাম কম হলেও সার্ভিস ভালো নাও হতে পারে। তাই বিশ্বস্ত জায়গা থেকে কিনুন। দাম তুলনা করে দেখুন কোথায় সবচেয়ে ভালো দাম পাচ্ছেন। কিস্তিতে কিনতে চাইলে ব্যাংক অফার চেক করুন।

LG fridge ২০২৫

২০২৫ সালে LG নতুন অনেক মডেল বাজারে এনেছে। এই নতুন মডেলগুলো আরও স্মার্ট এবং শক্তি সাশ্রয়ী। বিদ্যুৎ খরচ কম হয় নতুন মডেলে। ডিজাইনও অনেক আকর্ষণীয় হয়েছে। টাচ স্ক্রিন ডিসপ্লে আছে কিছু মডেলে। ভয়েস কন্ট্রোল ফিচার যুক্ত হয়েছে কিছু প্রিমিয়াম ফ্রিজে। ২০২৫ সালের মডেলগুলো আরও বেশি স্টোরেজ দেয়। ফ্রিজার স্পেসও বাড়ানো হয়েছে। নতুন কুলিং টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়েছে।

  • স্মার্ট ডায়াগনসিস: ফোন দিয়ে ফ্রিজের সমস্যা চেক করতে পারবেন
  • ডোর কুলিং প্লাস: দরজার কাছের খাবারও তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়
  • মোবাইল অ্যাপ: মোবাইল থেকে ফ্রিজ কন্ট্রোল করতে পারবেন

LG fridge প্রাইস ইন বাংলাদেশ

বাংলাদেশে LG fridge প্রাইস অনেক রেঞ্জের আছে। এন্ট্রি লেভেল মডেল পাবেন ২৫,০০০ থেকে ৩৫,০০০ টাকায়। মিড রেঞ্জ মডেল খরচ পড়বে ৫০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ টাকা। হাই এন্ড মডেল দেড় লাখ থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত। প্রাইস নির্ভর করে ক্যাপাসিটি এবং ফিচারের উপর। ইনভার্টার মডেল একটু বেশি দামী হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ বিল কম আসে দীর্ঘমেয়াদে। স্মার্ট ফিচার যুক্ত মডেলও দাম বেশি। আপনার বাজেট ঠিক করে তারপর মডেল বেছে নিন।

LG ডাবল ডোর ফ্রিজ

LG ডাবল ডোর ফ্রিজ খুবই সুবিধাজনক। উপরে ফ্রিজার এবং নিচে ফ্রিজ থাকে। দুটো আলাদা দরজা থাকায় সহজে খাবার রাখা যায়। ঠান্ডা বাতাস বাইরে কম বের হয়। তাই বিদ্যুৎ খরচও কম হয়। ফ্রিজার আলাদা থাকায় আইসক্রিম ভালো জমে থাকে। মাছ মাংস রাখার জন্য ভালো স্পেস পাওয়া যায়। নিচের ফ্রিজে সবজি ফল রাখতে পারবেন। দুধ পানীয় রাখার জন্য আলাদা শেলফ আছে। ডাবল ডোর ফ্রিজ দেখতেও সুন্দর লাগে।

LG সাইড বাই সাইড ফ্রিজ

LG সাইড বাই সাইড ফ্রিজ বড় পরিবারের জন্য আদর্শ। বাম দিকে ফ্রিজার ডান দিকে ফ্রিজ থাকে। এই ফ্রিজে অনেক বেশি জায়গা পাওয়া যায়। একসাথে অনেক খাবার রাখতে পারবেন। দরজায় পানি এবং আইস ডিসপেন্সার থাকে। বাইরে থেকেই ঠান্ডা পানি এবং বরফ নিতে পারবেন। এই মডেল একটু দামী হয়। কিন্তু সুবিধা অনেক বেশি পাবেন। রান্নাঘরে জায়গা বেশি লাগে এই ফ্রিজের জন্য। ডিজাইন অনেক মডার্ন এবং স্টাইলিশ।

  • ওয়াটার ডিসপেন্সার: দরজা খোলা ছাড়াই ঠান্ডা পানি পাবেন
  • আইস মেকার: অটোমেটিক বরফ তৈরি হয়
  • এলইডি লাইটিং: ভিতরে উজ্জ্বল আলো থাকে সবসময়

LG fridge ২০০ লিটার দাম

২০০ লিটার LG fridge ছোট পরিবারের জন্য উপযুক্ত। তিন থেকে চার জনের পরিবারে এই সাইজ যথেষ্ট। দাম পড়বে প্রায় ৩০,০০০ থেকে ৪৫,০০০ টাকা। ননফ্রস্ট মডেল একটু বেশি দামী হয়। ডাইরেক্ট কুল মডেল সস্তা পড়বে। ২০০ লিটার ফ্রিজে ভালো স্টোরেজ পাবেন। ফ্রিজার স্পেস থাকে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লিটার। নিচে ভেজিটেবল ড্রয়ার থাকে। দুধ পানীয় রাখার জায়গা আছে দরজায়। এই সাইজের ফ্রিজ বিদ্যুৎ কম খরচ করে।

মডেলদাম (টাকা)ক্যাপাসিটি
GL-B201APZY৩২,৫০০২০০ লিটার
GL-D201APZY৩৫,৯০০২০০ লিটার
GL-B201RPZX৩৮,৫০০২০০ লিটার
GL-I222RPZY৪২,০০০২২০ লিটার

LG fridge ২৫০ লিটার দাম

২৫০ লিটার LG fridge মাঝারি পরিবারের জন্য ভালো। পাঁচ থেকে ছয় জন মানুষের খাবার রাখতে পারবেন। দাম হবে ৪৫,০০০ থেকে ৬৫,০০০ টাকার মধ্যে। এই সাইজে অনেক মডেল পাওয়া যায়। ইনভার্টার কমপ্রেসর মডেল বেশি দামী। কিন্তু বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় অনেক। ২৫০ লিটার ফ্রিজে শেলফ সংখ্যা বেশি থাকে। ফ্রিজার স্পেস হয় প্রায় ৭০ লিটার। বোতল রাখার জন্য ভালো ব্যবস্থা আছে দরজায়। এগ ট্রে এবং আইস ট্রে পাবেন সাথে।

LG ফ্রিজ ৩০০ লিটার দাম

৩০০ লিটার LG ফ্রিজ বড় পরিবারের জন্য আদর্শ। সাত থেকে আট জনের খাবার সহজেই রাখা যায়। দাম পড়বে ৬৫,০০০ থেকে ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত। এই সাইজের ফ্রিজে ফিচার অনেক বেশি থাকে। মাল্টি এয়ার ফ্লো সিস্টেম থাকে প্রায় সব মডেলে। ফ্রিজার স্পেস পাবেন ৯০ লিটারের মতো। সবজি রাখার জন্য বড় ড্রয়ার থাকে। মাছ মাংসের জন্য আলাদা কম্পার্টমেন্ট পাবেন। ডিওডোরাইজার ফিল্টার থাকে দুর্গন্ধ দূর করতে।

  • স্মার্ট ইনভার্টার: বিদ্যুৎ ৫০% পর্যন্ত সাশ্রয় হয়
  • মোইস্ট ব্যালেন্স ক্রিস্পার: সবজি বেশিদিন তাজা থাকে
  • মাল্টি এয়ার ফ্লো: সব জায়গায় সমান ঠান্ডা থাকে

LG ফ্রিজ কোন কোম্পানির

LG ফ্রিজ দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বিখ্যাত কোম্পানির পণ্য। এলজি ইলেকট্রনিক্স একটি বিশ্বমানের ব্র্যান্ড। ১৯৫৮ সালে এই কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে রেডিও এবং টিভি তৈরি করতো। পরে ফ্রিজ এসি ওয়াশিং মেশিন বানানো শুরু করে। এখন পৃথিবীর প্রায় সব দেশে LG পণ্য পাওয়া যায়। বাংলাদেশেও LG অনেক জনপ্রিয়। কোয়ালিটি এবং সার্ভিসের জন্য এই ব্র্যান্ড বিখ্যাত। লাখ লাখ মানুষ LG পণ্য ব্যবহার করেন।

LG ফ্রিজ কোন দেশ

LG ফ্রিজ মূলত দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্য। তবে বিভিন্ন দেশে এদের কারখানা আছে। চীন ভারত ইন্দোনেশিয়ায় LG ফ্রিজ তৈরি হয়। থাইল্যান্ডেও কিছু মডেল উৎপাদিত হয়। বাংলাদেশে যে ফ্রিজ আসে তা বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা। কোরিয়া থেকে আসা মডেল বেশি দামী হয়। ভারত এবং থাইল্যান্ডের মডেল একটু সস্তা পড়ে। তবে কোয়ালিটিতে তেমন পার্থক্য নেই। সব দেশের ফ্যাক্টরিতে একই মান নিয়ন্ত্রণ আছে।

LG ফ্রিজ কি ভালো

হ্যাঁ LG ফ্রিজ খুবই ভালো মানের হয়। এই ব্র্যান্ড বিশ্বস্ত এবং টেকসই। অনেক বছর ধরে ভালো চলে LG ফ্রিজ। কমপ্রেসর অনেক শক্তিশালী হয় এই ফ্রিজে। ঠান্ডা করার ক্ষমতা অন্যদের চেয়ে বেশি। বিদ্যুৎ খরচ তুলনামূলক কম হয়। বিশেষ করে ইনভার্টার মডেল খুবই সাশ্রয়ী। ডিজাইন আধুনিক এবং আকর্ষণীয়। সার্ভিস সেন্টার সব জায়গায় পাওয়া যায়। খুচরা যন্ত্রাংশ সহজে মেলে বাজারে। ওয়ারেন্টি সার্ভিস ভালো দেয় কোম্পানি।

বৈশিষ্ট্যLG ফ্রিজঅন্যান্য ব্র্যান্ড
স্থায়িত্ব১০-১৫ বছর৮-১২ বছর
বিদ্যুৎ খরচকমমাঝারি
সার্ভিসসহজলভ্যসীমিত
ওয়ারেন্টি১০ বছর৫-৭ বছর

LG ফ্রিজের কোয়ালিটি কেমন

LG ফ্রিজের কোয়ালিটি অসাধারণ মানের হয়। স্টেইনলেস স্টিল বডি অনেক মজবুত থাকে। ভিতরের প্লাস্টিক ফুড গ্রেড কোয়ালিটির হয়। কমপ্রেসরে ব্যবহার করা হয় লিনিয়ার টেকনোলজি। এতে শব্দ কম হয় এবং বেশিদিন চলে। কুলিং সিস্টেম খুবই কার্যকর। সমান ঠান্ডা বজায় রাখে সব জায়গায়। ডোর সিল ভালো মানের রবার দিয়ে তৈরি। বাইরের বাতাস ভিতরে ঢুকতে পারে না। ফিনিশিং অনেক সুন্দর এবং স্ক্র্যাচ প্রুফ। রং উঠে যায় না সহজে।

LG ফ্রিজের বৈশিষ্ট্য

LG ফ্রিজে অনেক আধুনিক বৈশিষ্ট্য আছে। স্মার্ট ইনভার্টার কমপ্রেসর থাকে বেশিরভাগ মডেলে। এতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় অনেক। ডোর কুলিং প্লাস টেকনোলজি দ্রুত ঠান্ডা করে। মোইস্ট ব্যালেন্স ক্রিস্পার সবজি তাজা রাখে। মাল্টি এয়ার ফ্লো সিস্টেম সব জায়গায় ঠান্ডা ছড়ায়। স্মার্ট ডায়াগনসিস ফিচার সমস্যা চিহ্নিত করে। এলইডি লাইট ভিতরে উজ্জ্বল আলো দেয়। ডিওডোরাইজার ফিল্টার দুর্গন্ধ দূর করে। লক সিস্টেম শিশুদের নিরাপত্তা দেয়।

  • হাইগ্রিন ফ্রেশ প্লাস: ব্যাকটেরিয়া মুক্ত রাখে ফ্রিজ ভিতর
  • টেম্পারেচার সেন্সর: অটোমেটিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে
  • ডিজিটাল ডিসপ্লে: বাইরে থেকে তাপমাত্রা দেখা যায়

LG ফ্রিজের রিভিউ

বাংলাদেশে LG ফ্রিজ ব্যবহারকারীরা খুব সন্তুষ্ট। বেশিরভাগ মানুষ পজিটিভ রিভিউ দিয়েছেন। ঠান্ডা করার ক্ষমতা নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। বিদ্যুৎ খরচ সত্যিই কম হয় বলে জানিয়েছেন। শব্দ কম হয় এই ফ্রিজ চালু থাকলেও। ডিজাইন পছন্দ হয়েছে সবার। সার্ভিস নিয়ে মানুষ খুশি। দ্রুত সমস্যা সমাধান করে দেয় কোম্পানি। দাম একটু বেশি মনে হলেও কোয়ালিটি ভালো। তাই বেশিরভাগ মানুষ LG ফ্রিজ কিনতে পরামর্শ দেন।

LG ইনভার্টার ফ্রিজ দাম

LG ইনভার্টার ফ্রিজ দাম সাধারণ ফ্রিজের চেয়ে বেশি। তবে বিদ্যুৎ বিল অনেক কম আসে। ২০০ লিটার ইনভার্টার মডেল পাবেন ৪০,০০০ টাকা থেকে। ২৫০ লিটার মডেল খরচ পড়বে ৫৫,০০০ থেকে ৭৫,০০০ টাকা। ৩০০ লিটার ইনভার্টার ফ্রিজ দাম ৮০,০০০ থেকে ১,২০,০০০ টাকা। ইনভার্টার ফ্রিজ লোডশেডিং সহ্য করতে পারে ভালো। কমপ্রেসর অন অফ কম হয় এতে। তাই বেশিদিন চলে এই মডেল। শব্দও কম হয় সাধারণ ফ্রিজের চেয়ে।

LG নন-ফ্রস্ট ফ্রিজ দাম

LG নন-ফ্রস্ট ফ্রিজ আইস জমে না। তাই ডিফ্রস্ট করার ঝামেলা নেই। এই মডেলের দাম ডাইরেক্ট কুলের চেয়ে বেশি। ২০০ লিটার নন-ফ্রস্ট মডেল ৩৮,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা। ২৫০ লিটার পড়বে ৫৮,০০০ থেকে ৮০,০০০ টাকা। ৩০০ লিটারের দাম ৮৫,০০০ থেকে এক লাখ দশ হাজার টাকা। নন-ফ্রস্ট ফ্রিজ বিদ্যুৎ একটু বেশি খরচ করে। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণ কম লাগে। খাবার বেশিদিন ভালো থাকে এতে। ঠান্ডা সমানভাবে ছড়ায় সব জায়গায়।

মডেল টাইপবৈশিষ্ট্যদাম পার্থক্য
ডাইরেক্ট কুলডিফ্রস্ট করতে হয়কম দামী
নন-ফ্রস্টআইস জমে না৩০% বেশি
ইনভার্টারবিদ্যুৎ সাশ্রয়ী৪০% বেশি
স্মার্টঅ্যাপ কন্ট্রোল৫০% বেশি

LG ফ্রিজ কেন ভালো

LG ফ্রিজ ভালো হওয়ার অনেক কারণ আছে। প্রথমত এটি অনেক টেকসই এবং দীর্ঘস্থায়ী। দ্বিতীয়ত বিদ্যুৎ খরচ অনেক কম হয়। তৃতীয়ত সার্ভিস সুবিধা পাওয়া সহজ। চতুর্থত ডিজাইন খুবই আধুনিক এবং সুন্দর। পঞ্চমত কুলিং পারফরম্যান্স অসাধারণ। ষষ্ঠত ওয়ারেন্টি অনেক বছরের হয়। সপ্তমত রিসেল ভ্যালু ভালো থাকে। অষ্টমত শব্দ কম হয় চালু থাকলেও। নবমত স্টোরেজ স্পেস ভালো পাওয়া যায়। দশমত ব্র্যান্ড ভ্যালু অনেক বেশি।

LG ফ্রিজ বাংলাদেশে কত দাম

বাংলাদেশে LG ফ্রিজ দাম শুরু হয় ২৫,০০০ টাকা থেকে। সবচেয়ে সস্তা মডেল হলো ১৫০ লিটার ডাইরেক্ট কুল। মিড রেঞ্জ মডেল ৫০,০০০ থেকে ৮০,০০০ টাকা। প্রিমিয়াম মডেল এক লাখ থেকে দুই লাখ টাকা। সাইড বাই সাইড মডেল সবচেয়ে দামী হয়। দাম নির্ভর করে ক্যাপাসিটি ফিচার এবং টেকনোলজির উপর। অফার থাকলে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা কম পাবেন। ঈদ এবং পূজায় বিশেষ ছাড় থাকে। কিস্তিতে কিনলে কোনো অতিরিক্ত খরচ নেই অনেক জায়গায়।

LG ফ্রিজ কি এনার্জি সেভিং

হ্যাঁ LG ফ্রিজ অনেক এনার্জি সেভিং হয়। বিশেষ করে ইনভার্টার মডেল খুবই সাশ্রয়ী। সাধারণ ফ্রিজের চেয়ে ৫০ শতাংশ কম বিদ্যুৎ খরচ করে। স্মার্ট ইনভার্টার কমপ্রেসর লোড অনুযায়ী কাজ করে। ঠান্ডা বেশি হলে ধীরে চলে। ঠান্ডা কম হলে দ্রুত চলে। তাই বিদ্যুৎ অপচয় হয় না। এনার্জি স্টার রেটিং আছে বেশিরভাগ মডেলে। চার স্টার এবং পাঁচ স্টার মডেল সবচেয়ে সাশ্রয়ী। মাসিক বিদ্যুৎ বিল ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা হতে পারে। সাধারণ ফ্রিজে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা লাগে।

LG ফ্রিজ ২০২৫ মডেল

২০২৫ সালের LG ফ্রিজ মডেল এখনো বাজারে পাওয়া যায়। এই মডেলগুলো এখন কিছুটা সস্তা দামে পাবেন। নতুন মডেল আসায় পুরনো মডেলে ছাড় দিচ্ছে। ২০২৫ এর মডেলও খুব ভালো কোয়ালিটির। প্রযুক্তি প্রায় একই রকম আছে। পারফরম্যান্সে কোনো সমস্যা নেই। যদি বাজেট কম হয় তাহলে ২০২৫ মডেল কিনতে পারেন। ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা সাশ্রয় হবে। ওয়ারেন্টি একই রকম পাবেন। সার্ভিস সুবিধাও একই থাকবে। শুধু ডিজাইন একটু পুরনো হতে পারে।

  • GL-T292RPZY: ২৫৮ লিটার ডাবল ডোর ইনভার্টার মডেল
  • GL-B201RPZX: ২০০ লিটার সিঙ্গেল ডোর বেসিক মডেল
  • GC-B247SLUV: ৬৮৭ লিটার সাইড বাই সাইড প্রিমিয়াম মডেল

LG স্মার্ট ইনভার্টার ফ্রিজ

LG স্মার্ট ইনভার্টার ফ্রিজ সবচেয়ে আধুনিক মডেল। এতে লিনিয়ার কমপ্রেসর ব্যবহার করা হয়। কম পার্টস থাকায় ভাঙার সম্ভাবনা কম। শব্দ খুবই কম হয় চলার সময়। বিদ্যুৎ সাশ্রয় প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত। দশ বছরের ওয়ারেন্টি পাবেন কমপ্রেসরে। দাম একটু বেশি হলেও দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক। ভোল্টেজ ওঠানামা সহ্য করতে পারে ভালো। ১০০ থেকে ২৯০ ভোল্টে চলতে পারে। লোডশেডিংয়ের পর দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়। স্মার্ট কানেক্ট ফিচার থাকে কিছু মডেলে।

LG ফ্রিজের পাওয়ার কনজাম্পশন

LG ফ্রিজের পাওয়ার কনজাম্পশন খুবই কম। সাধারণ মডেল দৈনিক ১ থেকে ১.৫ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করে। ইনভার্টার মডেল ০.৫ থেকে ১ ইউনিট খরচ করে। মাসে প্রায় ১৫ থেকে ৩০ ইউনিট বিদ্যুৎ লাগে। প্রতি ইউনিট ৬ টাকা হিসাবে মাসিক খরচ ৯০ থেকে ১৮০ টাকা। বড় ফ্রিজে খরচ একটু বেশি হয়। ৩০০ লিটার মডেল ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বিল আসতে পারে। গরমকালে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে সামান্য। শীতকালে খরচ কমে যায়। দরজা বার বার খুললে বিদ্যুৎ বেশি লাগে।

LG ফ্রিজ মেরামত খরচ

LG ফ্রিজ মেরামত খরচ নির্ভর করে সমস্যার উপর। ছোটখাটো সমস্যা ৫০০ থেকে ২০০০ টাকায় সমাধান হয়। কমপ্রেসর বদলাতে ৮০০০ থেকে ১৫০০০ টাকা লাগতে পারে। তবে ওয়ারেন্টিতে থাকলে ফ্রি হয়। থার্মোস্ট্যাট বদল খরচ ১৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা। গ্যাস চার্জ করতে ২০০০ থেকে ৪০০০ টাকা। ডোর সিল বদল ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা। ফ্যান মটর বদল ২৫০০ থেকে ৫০০০ টাকা। সার্ভিস চার্জ আলাদা দিতে হয় ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা। অথরাইজড সেন্টার থেকে মেরামত করালে নিশ্চিত থাকবেন।

যন্ত্রাংশমেরামত খরচবদলানো খরচ
কমপ্রেসর১০,০০০-১৫,০০০ টাকা
থার্মোস্ট্যাট১,০০০ টাকা২,০০০-৩,০০০ টাকা
গ্যাস চার্জ৩,০০০ টাকা
ডোর সিল১,০০০-১,৫০০ টাকা

LG ফ্রিজ কমপ্রেসর ওয়ারেন্টি

LG ফ্রিজ কমপ্রেসরে দশ বছরের ওয়ারেন্টি থাকে। এটি খুবই ভালো একটি সুবিধা। অন্যান্য ব্র্যান্ডে পাঁচ থেকে সাত বছর ওয়ারেন্টি থাকে। কমপ্রেসর ফ্রিজের সবচেয়ে দামী অংশ। তাই দীর্ঘমেয়াদী ওয়ারেন্টি গুরুত্বপূর্ণ। সমস্যা হলে ফ্রি বদলে দেয় কোম্পানি। তবে অন্যান্য পার্টসে দুই বছর ওয়ারেন্টি। লেবার চার্জ এক বছর ফ্রি থাকে। ওয়ারেন্টি কার্ড সংরক্ষণ করতে হবে ভালোভাবে। বিল রাখতে হবে সার্ভিসের জন্য। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করলে ওয়ারেন্টি বাতিল হয় না।

LG ফ্রিজ vs Samsung ফ্রিজ

LG এবং Samsung উভয়ই ভালো ব্র্যান্ড। তবে কিছু পার্থক্য আছে দুটোর মধ্যে। LG ফ্রিজে কমপ্রেসর ওয়ারেন্টি দশ বছর। Samsung এ সাত থেকে আট বছর থাকে। LG তে বিদ্যুৎ খরচ সামান্য কম হয়। Samsung এর ডিজাইন একটু বেশি আকর্ষণীয়। দামে তেমন পার্থক্য নেই দুটোর মধ্যে। LG এর সার্ভিস সেন্টার একটু বেশি আছে। Samsung এর স্মার্ট ফিচার বেশি থাকে কিছু মডেলে। দুটোই টেকসই এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্র্যান্ড। আপনার পছন্দ এবং বাজেট দেখে বেছে নিন।

  • কমপ্রেসর: LG দশ বছর Samsung সাত বছর ওয়ারেন্টি দেয়
  • বিদ্যুৎ সাশ্রয়: LG ইনভার্টার একটু বেশি সাশ্রয়ী
  • স্মার্ট ফিচার: Samsung এ বেশি আধুনিক প্রযুক্তি আছে

LG ফ্রিজের বিদ্যুৎ খরচ

LG ফ্রিজের বিদ্যুৎ খরচ মডেল অনুযায়ী আলাদা হয়। ছোট ফ্রিজ কম বিদ্যুৎ খায়। বড় ফ্রিজ বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। ১৫০ লিটার মডেল দৈনিক ০.৮ ইউনিট খরচ করে। ২০০ লিটার মডেল ১ থেকে ১.২ ইউনিট লাগে। ২৫০ লিটার ফ্রিজে ১.৫ ইউনিট প্রয়োজন। ৩০০ লিটার মডেল ১.৮ থেকে ২ ইউনিট খায়। ইনভার্টার মডেল এর চেয়ে ৪০ শতাংশ কম খরচ করে। মাসিক বিল ১৫০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে হবে। এনার্জি স্টার রেটিং দেখে কিনলে সাশ্রয়ী হবে।

LG ফ্রিজের ফিচারস

LG ফ্রিজে অনেক আধুনিক ফিচারস আছে। ডোর কুলিং প্লাস দ্রুত ঠান্ডা করে। স্মার্ট ডায়াগনসিস সমস্যা চিহ্নিত করে। মাল্টি এয়ার ফ্লো সমান ঠান্ডা ছড়ায়। মোইস্ট ব্যালেন্স ক্রিস্পার সবজি তাজা রাখে। এলইডি লাইটিং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এবং উজ্জ্বল। টাচ ডিসপ্লে সহজে কন্ট্রোল করা যায়। চাইল্ড লক শিশুদের জন্য নিরাপদ। ডিওডোরাইজার ফিল্টার দুর্গন্ধ দূর করে। আইস মেকার অটোমেটিক বরফ তৈরি করে। ওয়াটার ডিসপেন্সার দরজা না খুলে পানি দেয়।

LG ফ্রিজের নতুন মডেল

LG ফ্রিজের নতুন মডেল – আধুনিক ফিচার ও ২০২৫ আপডেটেড ডিজাইন

২০২৫ সালে LG অনেক নতুন মডেল এনেছে বাজারে। GL-T302RPZY একটি জনপ্রিয় ডাবল ডোর মডেল। এতে ইনভার্টার কমপ্রেসর এবং স্মার্ট ফিচার আছে। GC-B247SQUM সাইড বাই সাইড প্রিমিয়াম মডেল। এতে আইস মেকার এবং ওয়াটার ডিসপেন্সার আছে। GL-I292RPZL মিড রেঞ্জের সেরা মডেল। এতে দাম এবং ফিচার দুটোই ব্যালেন্স করা। GL-B201APZY বাজেট ফ্রেন্ডলি ছোট মডেল। নতুন মডেলে ভয়েস কন্ট্রোল ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। মোবাইল অ্যাপ দিয়ে কন্ট্রোল করা যায়। এআই টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়েছে কিছু মডেলে।

মডেল নামক্যাপাসিটিবিশেষ ফিচারদাম
GL-T302RPZY২৮৪ লিটারস্মার্ট ইনভার্টার৬৮,০০০ টাকা
GC-B247SQUM৬৮৭ লিটারআইস মেকার১,৮৫,০০০ টাকা
GL-I292RPZL২৬০ লিটারডোর কুলিং৫৮,৫০০ টাকা
GL-B201APZY২০০ লিটারবেসিক মডেল৩২,৫০০ টাকা

LG ফ্রিজ বাজেট ফ্রেন্ডলি দাম

বাজেট ফ্রেন্ডলি LG ফ্রিজ পেতে কিছু টিপস মানুন। অফার সিজনে কিনুন যেমন ঈদ পূজা নববর্ষ। পুরনো মডেল নতুনের চেয়ে সস্তা পড়বে। ডাইরেক্ট কুল মডেল নন-ফ্রস্টের চেয়ে কম দামী। ছোট সাইজ বেছে নিন যদি জায়গা কম থাকে। অনলাইনে কিনলে ক্যাশব্যাক পাবেন অনেক সময়। ব্যাংক অফার দিয়ে কিস্তিতে কিনুন। ইএমআই তে কোনো সুদ লাগে না কিছু ক্ষেত্রে। শোরুম থেকে সরাসরি কিনলে দরদাম করতে পারবেন। ২৫,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকায় ভালো মডেল পাবেন।

উপসংহার

LG ফ্রিজ বাংলাদেশে একটি বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড। এটি মান এবং টেকসইয়ের জন্য বিখ্যাত। দাম একটু বেশি হলেও দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক। বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় অনেক বেশি। কমপ্রেসরে দশ বছরের ওয়ারেন্টি পাবেন। সার্ভিস সেন্টার সব জায়গায় আছে। খুচরা যন্ত্রাংশ সহজে পাওয়া যায়। আপনার বাজেট এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিন। ছোট পরিবারের জন্য ২০০ লিটার যথেষ্ট। বড় পরিবার ৩০০ লিটার বা বেশি নিতে পারেন।

ইনভার্টার মডেল বেশি দামী কিন্তু বিদ্যুৎ বিল কম। নন-ফ্রস্ট মডেলে রক্ষণাবেক্ষণ কম লাগে। স্মার্ট ফিচার চাইলে নতুন মডেল দেখুন। অফারের সময় কিনলে ভালো দাম পাবেন। অনলাইনে তুলনা করে সেরা ডিল খুঁজুন। রিভিউ পড়ে মডেল সিলেক্ট করুন।

LG ফ্রিজ কিনলে আপনি হতাশ হবেন না। এটি বছরের পর বছর ভালো সার্ভিস দেবে। পরিবারের খাবার সংরক্ষণে নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হবে। তাই আর দেরি না করে আজই আপনার পছন্দের LG ফ্রিজ কিনে ফেলুন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)

LG ফ্রিজ কতদিন চলে?

LG ফ্রিজ সাধারণত ১০ থেকে ১৫ বছর চলে। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করলে আরও বেশিদিন চলতে পারে। কমপ্রেসরে দশ বছর ওয়ারেন্টি থাকে। ভালো ব্যবহার করলে ২০ বছরও চলার রেকর্ড আছে।

LG ফ্রিজে কোন কমপ্রেসর ব্যবহার হয়?

LG ফ্রিজে লিনিয়ার ইনভার্টার কমপ্রেসর ব্যবহার করা হয়। এটি খুবই শক্তিশালী এবং টেকসই। শব্দ কম হয় এই কমপ্রেসরে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ও হয় অনেক বেশি। দশ বছরের ওয়ারেন্টি পাবেন কমপ্রেসরে।

LG ফ্রিজ কি লোডশেডিং সহ্য করতে পারে?

হ্যাঁ LG ফ্রিজ লোডশেডিং ভালো সহ্য করতে পারে। ইনভার্টার মডেল বিশেষভাবে এটার জন্য ডিজাইন করা। ভোল্টেজ ফ্লাকচুয়েশন প্রটেকশন আছে। ১০০ থেকে ২৯০ ভোল্টে চলতে পারে। লোডশেডিং পরে দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়।

LG ফ্রিজ কোথায় কিনবো?

LG ফ্রিজ অথরাইজড শোরুম থেকে কিনুন। ঢাকায় বসুন্ধরা সিটি এলিফ্যান্ট রোডে শোরুম আছে। অনলাইনে দারাজ এবং রকমারি থেকে কিনতে পারবেন। স্থানীয় ইলেকট্রনিক্স শপেও পাওয়া যায়। তবে বিশ্বস্ত জায়গা থেকে কিনুন সবসময়।

LG ফ্রিজ সার্ভিস সেন্টার কোথায়?

LG সার্ভিস সেন্টার প্রায় সব বড় শহরে আছে। ঢাকায় একাধিক সেন্টার আছে। চট্টগ্রাম সিলেট রাজশাহী খুলনায় পাবেন। কাস্টমার কেয়ার নম্বরে কল করে নিকটস্থ সেন্টার জানতে পারবেন। মোবাইল অ্যাপেও সার্ভিস বুক করতে পারবেন।

LG ফ্রিজ কি গ্যারান্টি পাওয়া যায়?

হ্যাঁ LG ফ্রিজ ২ বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি পাবেন। কমপ্রেসরে ১০ বছর ওয়ারেন্টি থাকে। পার্টস এবং লেবার এক বছর ফ্রি। ওয়ারেন্টি কার্ড এবং বিল সংরক্ষণ করতে হবে। নিয়মিত সার্ভিসিং করলে ওয়ারেন্টি বাতিল হয় না।

LG ফ্রিজে কি স্মার্ট ফিচার আছে?

হ্যাঁ নতুন মডেলে অনেক স্মার্ট ফিচার আছে। মোবাইল অ্যাপ দিয়ে কন্ট্রোল করতে পারবেন। ভয়েস কমান্ড দিয়ে চালানো যায়। স্মার্ট ডায়াগনসিস সমস্যা চিহ্নিত করে। ওয়াইফাই কানেক্টিভিটি আছে প্রিমিয়াম মডেলে। স্মার্টথিংস অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন।

LG ফ্রিজ কি পরিবেশ বান্ধব?

হ্যাঁ LG ফ্রিজ পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করে। সিএফসি ফ্রি রেফ্রিজারেন্ট ব্যবহার করা হয়। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হওয়ায় কার্বন ফুটপ্রিন্ট কম। রিসাইকেলযোগ্য ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করা হয়। এনার্জি স্টার সার্টিফাইড বেশিরভাগ মডেল। পরিবেশ সচেতনদের জন্য ভালো পছন্দ।

LG ফ্রিজ রক্ষণাবেক্ষণ কিভাবে করবো?

LG ফ্রিজ রক্ষণাবেক্ষণ খুবই সহজ। মাসে একবার ভিতর পরিষ্কার করুন। পিছনের কয়েল ধুলো মুছে ফেলুন নিয়মিত। ডোর সিল চেক করুন মাঝে মাঝে। অতিরিক্ত খাবার রাখবেন না যাতে বাতাস চলাচল হয়। তিন মাসে একবার ডিফ্রস্ট করুন ডাইরেক্ট কুল মডেল। ডোর ঠিকমতো বন্ধ হচ্ছে কিনা দেখুন। গরম খাবার সরাসরি রাখবেন না ফ্রিজে।

LG ফ্রিজের দাম কমানোর উপায় কি?

LG ফ্রিজের দাম কমাতে কিছু কৌশল অবলম্বন করুন। অফার সিজনে কিনুন যেমন ঈদ পূজা। পুরনো মডেল নিলে ১৫ থেকে ২০ হাজার সাশ্রয়। অনলাইনে কিনলে ক্যাশব্যাক পাবেন। ব্যাংক কার্ড অফার ব্যবহার করুন। এক্সচেঞ্জ অফারে পুরনো ফ্রিজ দিয়ে ছাড় নিন। শোরুম থেকে সরাসরি কিনে দরদাম করুন। গ্রুপ বাইং করলে বাল্ক ডিসকাউন্ট পাবেন।

LG ফ্রিজে আইস কেন জমে?

ডাইরেক্ট কুল মডেলে আইস জমা স্বাভাবিক ঘটনা। ফ্রিজারে ঠান্ডা বেশি থাকায় আইস তৈরি হয়। দরজা বার বার খুললে আর্দ্রতা ঢুকে আইস জমে। ডোর সিল নষ্ট হলে এই সমস্যা হয়। থার্মোস্ট্যাট সেটিং বেশি হলেও জমতে পারে। নিয়মিত ডিফ্রস্ট করলে এই সমস্যা থাকে না। নন-ফ্রস্ট মডেলে আইস জমে না কখনো।

LG ফ্রিজ কোন মডেল সবচেয়ে ভালো?

GL-T302RPZY সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ভালো মডেল। এতে সব ফিচার পাবেন যুক্তিসংগত দামে। ইনভার্টার কমপ্রেসর আছে এই মডেলে। দাম ৬৮,০০০ টাকার মতো পড়বে। বাজেট কম থাকলে GL-B201APZY নিতে পারেন। প্রিমিয়াম চাইলে GC-B247SQUM সেরা চয়েস। পরিবারের সাইজ দেখে মডেল বেছে নিন।

LG ফ্রিজ কি অনলাইনে কিনা নিরাপদ?

হ্যাঁ বিশ্বস্ত অনলাইন সাইট থেকে কিনা নিরাপদ। দারাজ এবং রকমারি অথরাইজড সেলার। ইজিবাইকে LG এর অফিশিয়াল স্টোর আছে। অনলাইনে কিনলে হোম ডেলিভারি পাবেন। ইনস্টলেশন সার্ভিস ফ্রি দেয় অনেক সাইট। পেমেন্ট করার আগে রিভিউ পড়ে নিন। ক্যাশ অন ডেলিভারি অপশন বেছে নিন নিরাপত্তার জন্য।

LG ফ্রিজ কি ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার লাগে?

ইনভার্টার মডেলে স্ট্যাবিলাইজার লাগে না সাধারণত। এতে বিল্ট ইন ভোল্টেজ প্রটেকশন আছে। ১০০ থেকে ২৯০ ভোল্টে চলতে পারে। তবে পুরনো এলাকায় ভোল্টেজ খুব কম হলে লাগতে পারে। নন-ইনভার্টার মডেলে স্ট্যাবিলাইজার দেওয়া ভালো। এতে ফ্রিজের আয়ু বাড়ে। কমপ্রেসর ড্যামেজ হওয়ার ঝুঁকি কমে।

 LG ফ্রিজ শব্দ কেন করে?

ফ্রিজ শব্দ করা স্বাভাবিক অপারেশনের অংশ। কমপ্রেসর চালু হলে সামান্য শব্দ হয়। ফ্যান মটর ঘুরলে হালকা শব্দ শোনা যায়। গ্যাস প্রবাহের সময়ও শব্দ হতে পারে। অতিরিক্ত শব্দ হলে সার্ভিস সেন্টার দেখান। লিনিয়ার কমপ্রেসর মডেল কম শব্দ করে। ফ্রিজ সমতল জায়গায় বসান শব্দ কমাতে।

LG ফ্রিজ কি ফ্রিজার আলাদা আছে?

হ্যাঁ বেশিরভাগ LG ফ্রিজে আলাদা ফ্রিজার আছে। ডাবল ডোর মডেলে উপরে ফ্রিজার থাকে। সাইড বাই সাইড মডেলে এক পাশে থাকে। ফ্রিজার স্পেস ৫০ থেকে ১০০ লিটার হয়। এতে মাছ মাংস আইসক্রিম রাখা যায়। আলাদা তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ আছে ফ্রিজারে। কিছু মডেলে কনভার্টিবল ফ্রিজার থাকে।

LG ফ্রিজ রঙ কি কি পাওয়া যায়?

LG ফ্রিজ বিভিন্ন রঙে পাওয়া যায়। সিলভার এবং স্টিল ফিনিশ সবচেয়ে জনপ্রিয়। কালো এবং সাদা রঙও আছে। লাল নীল রঙের মডেল পাওয়া যায় কিছু। গ্লাস ফিনিশ মডেল দেখতে খুব সুন্দর। ম্যাট ফিনিশ স্ক্র্যাচ প্রুফ হয়। আপনার রান্নাঘরের ডিজাইন অনুযায়ী রঙ বেছে নিন। রঙের জন্য দামে তেমন পার্থক্য নেই।

LG ফ্রিজ কিস্তিতে কিনতে পারবো?

হ্যাঁ LG ফ্রিজ কিস্তিতে কিনতে পারবেন সহজেই। সব ব্যাংক কার্ডে ইএমআই সুবিধা আছে। ৬ থেকে ৩৬ মাসের কিস্তি পাবেন। কিছু ক্ষেত্রে জিরো ইন্টারেস্ট ইএমআই পাওয়া যায়। ডিজিটাল পেমেন্ট দিয়েও কিস্তি করতে পারবেন। বিকাশ নগদে কিস্তি সুবিধা চালু হয়েছে। শোরুমে গিয়ে কিস্তির শর্ত জেনে নিন। ডাউন পেমেন্ট ২০ থেকে ৩০ শতাংশ লাগে।

LG ফ্রিজ কি দীর্ঘদিন খালি রাখা যায়?

হ্যাঁ LG ফ্রিজ দীর্ঘদিন খালি রাখা যায়। তবে কিছু সতর্কতা মানতে হবে। ভিতর ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। দরজা খোলা রেখে দিন যাতে বাতাস চলাচল হয়। প্লাগ খুলে রাখুন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য। মাসে একবার দরজা খুলে দেখুন। দুর্গন্ধ হলে বেকিং সোডা দিয়ে পরিষ্কার করুন। আবার ব্যবহার করার আগে কয়েক ঘণ্টা চালু রাখুন।

LG ফ্রিজ তাপমাত্রা কত রাখবো?

LG ফ্রিজ তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রাখুন। ফ্রিজারে মাইনাস ১৮ ডিগ্রি আদর্শ। গরমকালে একটু বাড়িয়ে দিতে পারেন। শীতকালে কমিয়ে রাখা ভালো। বেশি ঠান্ডা করলে বিদ্যুৎ বেশি খরচ হয়। কম ঠান্ডা হলে খাবার নষ্ট হতে পারে। থার্মোমিটার দিয়ে মাঝে মাঝে চেক করুন। ডিজিটাল ডিসপ্লে থাকলে সহজে সেট করতে পারবেন।

🔥 পোস্টটি শেয়ার করুনঃ 🌍

Scroll to Top