ফুটবল প্রেমীদের জন্য সবচেয়ে বড় উৎসব হলো ফিফা বিশ্বকাপ। ২০২৬ সালে এই টুর্নামেন্ট হবে একদম নতুন ধরনের। এবারের আসরে ৪৮টি দল খেলবে। তিনটি দেশ একসাথে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করবে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করবে এই মহাযজ্ঞ। মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই উৎসব। ফুটবল ভক্তরা এখন থেকেই অপেক্ষা করছেন। এই নিবন্ধে জানবেন সময়সূচি, দল, ভেন্যু ও সব তথ্য। চলুন জেনে নিই ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্পর্কে বিস্তারিত।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সময়সূচি

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরু হবে ১১ জুন, ২০২৬ তারিখে। এই টুর্নামেন্ট চলবে ১৯ জুলাই পর্যন্ত। মোট ৩৯ দিন ধরে চলবে এই ফুটবল উৎসব। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেবে এই প্রতিযোগিতায়। মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে পুরো টুর্নামেন্টে। গ্রুপ পর্বে ১৬টি গ্রুপ থাকবে। প্রতিটি গ্রুপে তিনটি করে দল খেলবে। গ্রুপ পর্ব শেষ হবে জুন মাসের শেষ সপ্তাহে। নকআউট পর্ব শুরু হবে জুলাইর প্রথম সপ্তাহ থেকে। সেমিফাইনাল ম্যাচ হবে জুলাইর মাঝামাঝি সময়ে। ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই, ২০২৬ তারিখে। এই সময়সূচি অনুযায়ী পুরো বিশ্ব প্রস্তুত হচ্ছে।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ কোন দেশে হবে
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে তিনটি দেশে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করবে। এটি প্রথমবার তিনটি দেশ একসাথে বিশ্বকাপ আয়োজন করবে। যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। মেক্সিকো ও কানাডাতেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হবে। উত্তর আমেরিকার এই তিন দেশ প্রস্তুতি নিচ্ছে ভালোভাবে। স্টেডিয়ামগুলো নতুন করে সাজানো হচ্ছে। ফুটবল ভক্তদের জন্য তৈরি হচ্ছে বিশেষ ব্যবস্থা। এই তিনটি দেশেই ফুটবলের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। বিশ্বকাপ আয়োজনের মাধ্যমে তারা ফুটবলকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়।
ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজক দেশ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র হবে প্রধান আয়োজক দেশ এবারের বিশ্বকাপের। মোট ৬০টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। কানাডায় হবে ১০টি ম্যাচ। মেক্সিকোতেও ১০টি ম্যাচ আয়োজন করা হবে। ফাইনাল ম্যাচটি হবে যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। এই স্টেডিয়ামটি নিউ জার্সিতে অবস্থিত। উদ্বোধনী ম্যাচ হবে মেক্সিকোতে। তিনটি দেশই তাদের সেরা স্টেডিয়ামগুলো প্রস্তুত করছে। প্রতিটি আয়োজক শহরে পর্যটকদের জন্য বিশেষ সুবিধা তৈরি হচ্ছে। হোটেল ও যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত করা হচ্ছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও থাকবে খুব কঠোর।
প্রধান আয়োজক শহরসমূহ:
- যুক্তরাষ্ট্র: নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, মায়ামি, ডালাস, আটলান্টা, সান ফ্রান্সিসকো, বস্টন, ফিলাডেলফিয়া, সিয়াটল, কানসাস সিটি, হিউস্টন
- কানাডা: টরন্টো, ভ্যাঙ্কুভার
- মেক্সিকো: মেক্সিকো সিটি, গুয়াদালাহারা, মন্তেরে
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ টিম লিস্ট
মোট ৪৮টি দল খেলবে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ। এটি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আসর। যোগ্যতা অর্জনের প্রক্রিয়া চলছে বিভিন্ন মহাদেশে। ইউরোপ থেকে ১৬টি দল খেলবে। আফ্রিকা থেকে আসবে ৯টি দল। এশিয়া পাবে ৮টি আসন। দক্ষিণ আমেরিকা থেকে খেলবে ৬টি দল। উত্তর ও মধ্য আমেরিকা পাবে ৬টি আসন। ওশেনিয়া থেকে আসবে ১টি দল। আয়োজক তিন দেশ সরাসরি খেলার সুযোগ পাবে। বাকি ২টি আসনের জন্য ইন্টারকন্টিনেন্টাল প্লে-অফ হবে। সব দলই প্রস্তুতি নিচ্ছে ভালোভাবে। খেলোয়াড় নির্বাচন চলছে প্রতিটি দেশে।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ম্যাচ সূচি
মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এই টুর্নামেন্টে। গ্রুপ পর্বে হবে ৮০টি ম্যাচ। নকআউট পর্বে খেলা হবে ২৪টি ম্যাচ। প্রতিদিন গড়ে ৩-৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত চলবে খেলা। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী রাতে ম্যাচ হবে বেশি। সকালেও কিছু ম্যাচ দেখা যাবে। প্রতিটি গ্রুপের ম্যাচ নির্ধারিত সময়ে হবে। শীর্ষ দুই দল নকআউটে উঠবে প্রতিটি গ্রুপ থেকে। তৃতীয় সেরা দলগুলোও পাবে নকআউটের সুযোগ। গ্রুপ পর্বের ম্যাচ চলবে প্রায় দুই সপ্তাহ। তারপর শুরু হবে রাউন্ড অব ৩২।
গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বিন্যাস:
- প্রথম দফা: ১১ জুন – ১৫ জুন, ২০২৬
- দ্বিতীয় দফা: ১৬ জুন – ২০ জুন, ২০২৬
- তৃতীয় দফা: ২১ জুন – ২৫ জুন, ২০২৬
- রাউন্ড অব ৩২: ২৭ জুন – ৩০ জুন, ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ভেন্যু তালিকা
মোট ১৬টি স্টেডিয়ামে খেলা হবে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ। যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে ১১টি স্টেডিয়াম। কানাডা ও মেক্সিকোতে আছে তিনটি করে স্টেডিয়াম। প্রতিটি স্টেডিয়াম অত্যাধুনিক সুবিধা সম্পন্ন। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এই স্টেডিয়ামে ধারণক্ষমতা প্রায় ৮২ হাজার। এটিএন্ডটি স্টেডিয়াম ডালাসে ধারণ করে ৮০ হাজার দর্শক। আরোহেড স্টেডিয়াম কানসাস সিটিতে বসে ৭৬ হাজার মানুষ। লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়াম অত্যন্ত আধুনিক। প্রতিটি ভেন্যুতেই পর্যাপ্ত পার্কিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। দর্শকদের জন্য খাবার ও বিনোদনের ব্যবস্থাও থাকবে।
| স্টেডিয়ামের নাম | শহর | দেশ | ধারণক্ষমতা |
| মেটলাইফ স্টেডিয়াম | নিউ জার্সি | যুক্তরাষ্ট্র | ৮২,৫০০ |
| এটিএন্ডটি স্টেডিয়াম | ডালাস | যুক্তরাষ্ট্র | ৮০,০০০ |
| আরোহেড স্টেডিয়াম | কানসাস সিটি | যুক্তরাষ্ট্র | ৭৬,৪১৬ |
| সোফি স্টেডিয়াম | লস অ্যাঞ্জেলেস | যুক্তরাষ্ট্র | ৭০,২৪০ |
| বিসি প্লেস | ভ্যাঙ্কুভার | কানাডা | ৫৪,৫০০ |
| এস্তাদিও আজতেকা | মেক্সিকো সিটি | মেক্সিকো | ৮৭,৫২৩ |
ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাস
ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল ১৯৩০ সালে। উরুগুয়েতে প্রথম টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। উরুগুয়ে সেই আসরের প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়। তখন মাত্র ১৩টি দল অংশ নিয়েছিল। এখন পর্যন্ত ২২টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্রাজিল সবচেয়ে বেশি ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। জার্মানি ও ইতালি জিতেছে ৪ বার করে। আর্জেন্টিনা ৩ বার শিরোপা জিতেছে। ফ্রান্স ও উরুগুয়ে জিতেছে ২ বার করে। ইংল্যান্ড ও স্পেন একবার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ১৯৪২ ও ১৯৪৬ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে বিশ্বকাপ হয়নি। প্রতি চার বছর পর পর এই টুর্নামেন্ট আয়োজিত হয়।
প্রধান চ্যাম্পিয়ন দেশসমূহ:
- ব্রাজিল: ৫ বার চ্যাম্পিয়ন, ২ বার রানার-আপ
- জার্মানি: ৪ বার চ্যাম্পিয়ন, ৪ বার রানার-আপ
- ইতালি: ৪ বার চ্যাম্পিয়ন, ২ বার রানার-আপ
- আর্জেন্টিনা: ৩ বার চ্যাম্পিয়ন, ৩ বার রানার-আপ
- ফ্রান্স: ২ বার চ্যাম্পিয়ন, ২ বার রানার-আপ
ফিফা বিশ্বকাপের পুরস্কার তালিকা
ফিফা বিশ্বকাপে বিভিন্ন ধরনের পুরস্কার দেওয়া হয়। চ্যাম্পিয়ন দল পায় বিশ্বকাপ ট্রফি। এই ট্রফি সোনার তৈরি এবং অত্যন্ত মূল্যবান। গোল্ডেন বল পুরস্কার পায় সেরা খেলোয়াড়। গোল্ডেন বুট দেওয়া হয় সর্বোচ্চ গোলদাতাকে। গোল্ডেন গ্লাভ পায় সেরা গোলরক্ষক। ইয়াং প্লেয়ার অ্যাওয়ার্ড পায় সেরা তরুণ খেলোয়াড়। ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয় সবচেয়ে ভালো আচরণকারী দলকে। প্রতিটি পুরস্কারই খুব সম্মানজনক। খেলোয়াড়রা এই পুরস্কারগুলো পেতে প্রাণপণ চেষ্টা করেন। পুরস্কার বিতরণী হয় ফাইনাল ম্যাচের পরেই।
ফিফা বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জয়ীরা
গোল্ডেন বুট পুরস্কার পায় সবচেয়ে বেশি গোলদাতা। ২০২২ বিশ্বকাপে কিলিয়ান এমবাপে পেয়েছিলেন এই পুরস্কার। তিনি করেছিলেন ৮টি গোল। ২০১৮ সালে হ্যারি কেন পেয়েছিলেন ৬ গোল করে। ২০১৪ সালে জেমস রদ্রিগেজ করেছিলেন ৬ গোল। মিরোস্লাভ ক্লোসে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা বিশ্বকাপে। তিনি মোট ১৬টি গোল করেছেন চারটি বিশ্বকাপে। রোনালদো পেয়েছেন ১৫ গোল তিনটি বিশ্বকাপে। গের্ড মুলার করেছিলেন ১৪টি গোল। প্রতিটি গোল্ডেন বুট জয়ী তাদের দেশের হিরো। এই পুরস্কার পাওয়া খুবই কঠিন কাজ।
| বছর | খেলোয়াড় | দেশ | গোল সংখ্যা |
| ২০২২ | কিলিয়ান এমবাপে | ফ্রান্স | ৮ |
| ২০১৮ | হ্যারি কেন | ইংল্যান্ড | ৬ |
| ২০১৪ | জেমস রদ্রিগেজ | কলম্বিয়া | ৬ |
| ২০১০ | থমাস মুলার | জার্মানি | ৫ |
| ২০০৬ | মিরোস্লাভ ক্লোসে | জার্মানি | ৫ |
ফিফা বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়
গোল্ডেন বল পুরস্কার পায় টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়। ২০২২ সালে লিওনেল মেসি পেয়েছিলেন এই পুরস্কার। তিনি আর্জেন্টিনাকে চ্যাম্পিয়ন করতে অসামান্য ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০১৮ সালে লুকা মদরিচ পেয়েছিলেন গোল্ডেন বল। তিনি ক্রোয়েশিয়াকে ফাইনালে নিয়ে গিয়েছিলেন। ২০১৪ সালে মেসি আবারও পেয়েছিলেন এই পুরস্কার। দিয়েগো ম্যারাডোনা ১৯৮৬ সালে সেরা খেলোয়াড় ছিলেন। পেলে তিনটি বিশ্বকাপ জিতেছিলেন ব্রাজিলের হয়ে। জিদান দুইবার সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিলেন। রোনালদো ব্রাজিলকে দুইবার চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন।
সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়দের তালিকা:
- পেলে: ব্রাজিল – ৩ বার চ্যাম্পিয়ন (১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০)
- দিয়েগো ম্যারাডোনা: আর্জেন্টিনা – ১ বার চ্যাম্পিয়ন (১৯৮৬)
- লিওনেল মেসি: আর্জেন্টিনা – ১ বার চ্যাম্পিয়ন (২০২২)
- জিনেদিন জিদান: ফ্রান্স – ১ বার চ্যাম্পিয়ন (১৯৯৮)
- রোনালদো: ব্রাজিল – ২ বার চ্যাম্পিয়ন (১৯৯৪, ২০০২)
ফিফা বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল
ব্রাজিল সবচেয়ে সফল দল বিশ্বকাপের ইতিহাসে। তারা ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। জার্মানি ও ইতালি আছে ৪টি করে শিরোপা নিয়ে। আর্জেন্টিনা সর্বশেষ ২০২২ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তাদের মোট ৩টি শিরোপা আছে। ফ্রান্স জিতেছে ১৯৯৮ ও ২০১৮ সালে। উরুগুয়ে প্রথম দুটি বিশ্বকাপ জিতেছিল। ইংল্যান্ড ১৯৬৬ সালে ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন হয়। স্পেন ২০১০ সালে প্রথমবার শিরোপা জিতেছিল। প্রতিটি চ্যাম্পিয়ন দলের রয়েছে নিজস্ব গল্প। বিশ্বকাপ জেতা প্রতিটি দেশের স্বপ্ন।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ যোগ্যতা অর্জনকারী দল
যোগ্যতা অর্জনের প্রক্রিয়া চলছে সব মহাদেশে। ইউরোপে ১৬টি দল যোগ্যতা অর্জন করবে। তারা খেলছে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ হয়ে। দক্ষিণ আমেরিকায় ৬টি দল পাবে সরাসরি সুযোগ। এশিয়া থেকে ৮টি দল খেলবে মূল পর্বে। আফ্রিকার ৯টি দল যোগ্যতা অর্জন করবে। উত্তর আমেরিকা পাবে ৬টি আসন। ওশেনিয়া থেকে আসবে ১টি দল। প্লে-অফে আরও ২টি দল সুযোগ পাবে। আয়োজক তিন দেশ সরাসরি খেলার সুযোগ পাচ্ছে। প্রতিটি দল কঠিন সংগ্রাম করছে যোগ্যতা অর্জনের জন্য।
| মহাদেশ | আসন সংখ্যা | বিশেষ তথ্য |
| ইউরোপ | ১৬ | সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক |
| আফ্রিকা | ৯ | আগের চেয়ে বেশি আসন |
| এশিয়া | ৮ | অস্ট্রেলিয়া সহ |
| দক্ষিণ আমেরিকা | ৬ | প্রায় সব দল শক্তিশালী |
| উত্তর ও মধ্য আমেরিকা | ৬ | আয়োজক দেশ বাদে |
| ওশেনিয়া | ১ | নিউজিল্যান্ড প্রধান |
ফিফা বিশ্বকাপের নিয়ম ও ফরম্যাট
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফরম্যাট সম্পূর্ণ নতুন। মোট ৪৮টি দল খেলবে এই টুর্নামেন্টে। ১৬টি গ্রুপে ভাগ করা হবে দলগুলোকে। প্রতিটি গ্রুপে থাকবে ৩টি দল। প্রতিটি দল খেলবে ২টি গ্রুপ ম্যাচ। শীর্ষ দুই দল সরাসরি নকআউটে যাবে। তৃতীয় স্থান অধিকারী সেরা ৮টি দলও নকআউটে উঠবে। এভাবে মোট ৩২টি দল খেলবে নকআউট পর্বে। রাউন্ড অব ৩২ থেকে শুরু হবে নকআউট পর্ব। তারপর হবে রাউন্ড অব ১৬। কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে ৮টি দল। সেমিফাইনালে থাকবে ৪টি দল। ফাইনালে মুখোমুখি হবে সেরা দুই দল।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ড্র তারিখ
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ড্র অনুষ্ঠান হয়েছে ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে। ড্র অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির কেনেডি সেন্টারে। এই ড্রতে ৪৮টি দলকে ১২টি গ্রুপে ভাগ করা হয়
প্রতিটি গ্রুপে চারটি করে দল রয়েছে। দলগুলোকে চারটি পটে ভাগ করা হয়েছিল, প্রতি পটে ১২টি করে দল । পট ১-এ তিনটি আয়োজক দেশ (যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা) এবং নভেম্বর ২০২৫ সালের ফিফা র্যাঙ্কিং অনুযায়ী শীর্ষ ৯টি দল ছিল। বাকি দলগুলো র্যাঙ্কিং অনুযায়ী পট ২, ৩ ও ৪-এ বিভক্ত করা হয়েছিল।
মেক্সিকোকে গ্রুপ এ-তে, কানাডাকে গ্রুপ বি-তে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে গ্রুপ ডি-তে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাখা হয়েছে । এটি নিশ্চিত করা হয়েছিল যাতে প্রতিটি আয়োজক দেশ নিজের দেশে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলতে পারে।
ড্র অনুষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছিল। লাখো ফুটবল ভক্ত এই ড্র প্রত্যক্ষ করেছেন। ড্রের পর দলগুলো তাদের প্রতিপক্ষ জেনে বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে।
বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত। এবারই প্রথম ৪৮টি দল নিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজিত হবে এবং তিনটি দেশ যৌথভাবে আয়োজন করবে।
ড্র প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ:
- পট নির্ধারণ: ফিফা র্যাঙ্কিং অনুযায়ী দলগুলোকে ৪টি পটে ভাগ করা
- গ্রুপ বিন্যাস: ১৬টি গ্রুপে প্রতিটি পট থেকে একটি করে দল
- নিয়ম মেনে চলা: একই মহাদেশের বেশি দল এড়ানো
- সম্প্রচার: টিভি ও অনলাইনে লাইভ প্রচার
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ টিকিট মূল্য
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর টিকিট বিক্রয় ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং বিভিন্ন ধাপে সম্পন্ন হচ্ছে । প্রথম পর্যায় ছিল সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ ভিসা প্রিসেল, দ্বিতীয় পর্যায় ছিল অক্টোবর-নভেম্বর ২০২৫-এ। বর্তমানে র্যান্ডম সিলেকশন ড্র পর্যায় চলছে যা ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে শুরু হয়েছে এবং ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত চলেছে।
টিকিটের দাম:
প্রাথমিকভাবে ফিফা উচ্চমূল্যের টিকিট ঘোষণা করলেও সমালোচনার পর ৬০ ডলার মূল্যের একটি বিশেষ “সাপোর্টার এন্ট্রি টায়ার” চালু করেছে । এই ৬০ ডলার মূল্যের টিকিট প্রতিটি ম্যাচের জন্য, এমনকি ফাইনালের জন্যও পাওয়া যাবে। তবে এই সংখ্যা সীমিত এবং শুধুমাত্র দলগুলোর বিশেষ সমর্থকদের জন্য বরাদ্দ করা হবে।
সাধারণ টিকিটের দাম বিভাগ অনুযায়ী:
গ্রুপ পর্বের টিকিট ৬০ ডলার থেকে শুরু হয়ে সর্বোচ্চ ৬,৭৩০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে ফাইনালের জন্য। টিকিট চার ক্যাটাগরিতে বিভক্ত: ক্যাটাগরি ১ সবচেয়ে দামি (নিচের টায়ারের সিট), ক্যাটাগরি ২ মাঝারি দামের, ক্যাটাগরি ৩ এবং ক্যাটাগরি ৪ সবচেয়ে সাশ্রয়ী (উপরের টায়ারের সিট)।
গ্রুপ পর্বের কিছু সিটের দাম ৭০০ ডলার পর্যন্ত এবং ফাইনালের বেশিরভাগ টিকিট হাজার হাজার ডলারে তালিকাভুক্ত । নকআউট রাউন্ড এবং সেমিফাইনালের টিকিট আরও বেশি দামি।
টিকিট কিনবেন কোথায়:
টিকিট কিনতে হবে ফিফার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট FIFA.com/tickets থেকে। টিকিট কেনার জন্য ফিফা আইডি তৈরি করতে হবে। পেমেন্টের জন্য ভিসা ক্রেডিট কার্ড প্রয়োজন।
অভূতপূর্ব চাহিদা:
বর্তমান টিকিট পর্যায়ে ইতিমধ্যে ১৫০ মিলিয়নেরও বেশি টিকিটের আবেদন জমা পড়েছে ২০০টিরও বেশি দেশ থেকে। ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন যে টুর্নামেন্ট ৩০ গুণেরও বেশি ওভারসাবস্ক্রাইবড।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ফিফা “ডায়নামিক প্রাইসিং” ব্যবহার করছে, অর্থাৎ চাহিদা অনুযায়ী দাম বাড়তে পারে
- টিকিট রিফান্ডযোগ্য নয় এবং শুধুমাত্র ফিফার অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে স্থানান্তরযোগ্য
- অননুমোদিত পুনর্বিক্রয় টিকিট বাতিলের কারণ হতে পারে
- ব্যাংক অফ আমেরিকা ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে তাদের ক্রেডিট কার্ডধারীদের জন্য বিশেষ টিকিট বিক্রয় উইন্ডো খুলবে
হসপিটালিটি প্যাকেজ এবং প্রিমিয়াম টিকিটও পাওয়া যাচ্ছে যার মধ্যে থাকবে বিশেষ সিট, খাবার-দাবার এবং অন্যান্য সুবিধা। এগুলোর দাম আরও বেশি হবে।
টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাই আগ্রহীদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আবেদন করা উচিত।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে ১১ জুন, ২০২৬ তারিখে। মেক্সিকো সিটিতে হবে এই অনুষ্ঠান। বিখ্যাত শিল্পীরা পরিবেশন করবেন গান। হবে রঙিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। তিনটি দেশের সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে। আতশবাজি ও আলোর খেলা থাকবে। লাখো মানুষ দেখবেন স্টেডিয়ামে ও টিভিতে। উদ্বোধনী ম্যাচ হবে অনুষ্ঠানের পরপরই। এই ম্যাচে খেলবে আয়োজক দেশগুলোর একটি। পুরো বিশ্ব উৎসবমুখর হয়ে উঠবে। প্রতিটি মুহূর্ত হবে স্মরণীয়।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ফাইনাল ম্যাচ
ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই, ২০২৬ তারিখে। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে হবে এই ম্যাচ। এই স্টেডিয়াম নিউ জার্সিতে অবস্থিত। প্রায় ৮২ হাজার দর্শক দেখবেন লাইভ। কোটি কোটি মানুষ দেখবেন টিভিতে। দুটি সেরা দল মুখোমুখি হবে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াই হবে তুমুল। ৯০ মিনিটের এই ম্যাচ নির্ধারণ করবে চ্যাম্পিয়ন। দরকার হলে হবে অতিরিক্ত সময়। তারপরও সমান হলে পেনাল্টি শুটআউট হবে। পুরস্কার বিতরণী হবে ম্যাচ শেষে। ট্রফি তুলবেন চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক।
ফাইনাল ম্যাচের বিশেষ তথ্য:
- স্থান: মেটলাইফ স্টেডিয়াম, নিউ জার্সি
- তারিখ: ১৯ জুলাই, ২০২৬
- সময়: বাংলাদেশ সময় রাত ২টা (আনুমানিক)
- দর্শক ধারণক্ষমতা: ৮২,৫০০
- টিভি দর্শক: আনুমানিক ১.৫ বিলিয়ন
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচার চ্যানেল
বাংলাদেশে ফিফা বিশ্বকাপ দেখাবে বিভিন্ন চ্যানেল। জিটিভি সম্ভবত সম্প্রচার করবে এই টুর্নামেন্ট। টি স্পোর্টসও থাকতে পারে সম্প্রচারকারী তালিকায়। সনি স্পোর্টস নেটওয়ার্ক দেখাবে ভারতে। বিবিসি ও আইটিভি সম্প্রচার করবে যুক্তরাজ্যে। ফক্স স্পোর্টস দেখাবে যুক্তরাষ্ট্রে। প্রতিটি দেশের নিজস্ব সম্প্রচারক থাকবে। অনলাইনেও লাইভ দেখা যাবে। ফিফার নিজস্ব অ্যাপেও সম্প্রচার হবে। হাইলাইটস দেখা যাবে ইউটিউবে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও আপডেট পাওয়া যাবে।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ লাইভ স্কোর
লাইভ স্কোর জানার জন্য অনেক মাধ্যম আছে। ফিফার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে পাবেন লাইভ আপডেট। মোবাইল অ্যাপে দেখতে পারবেন রিয়েল টাইম স্কোর। ফ্ল্যাশস্কোর অ্যাপ খুবই জনপ্রিয়। সফাস্কোর অ্যাপও ভালো মানের সেবা দেয়। গুগল সার্চেও পাবেন লাইভ স্কোর। সোশ্যাল মিডিয়াতে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়বে খবর। টুইটারে হ্যাশট্যাগ ফলো করলে জানতে পারবেন। টিভি চ্যানেলে স্ক্রলবারে দেখাবে স্কোর। রেডিওতেও শোনা যাবে লাইভ কমেন্টারি। প্রতিটি গোলের খবর পাবেন তৎক্ষণাৎ।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ পয়েন্ট টেবিল
পয়েন্ট টেবিল দেখে বোঝা যায় দলের অবস্থান। জিতলে পাওয়া যায় ৩ পয়েন্ট। ড্র হলে পাবেন ১ পয়েন্ট। হারলে পয়েন্ট পাবেন না। সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়া দল শীর্ষে থাকে। পয়েন্ট সমান হলে দেখা হয় গোল পার্থক্য। গোল পার্থক্যও সমান হলে বিবেচনা করা হয় মোট গোল। হেড টু হেড রেকর্ডও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুই দল নকআউটে যায়। তৃতীয় স্থান অধিকারী সেরা ৮ দলও সুযোগ পায়। পয়েন্ট টেবিল প্রতিদিন আপডেট হয়। ফিফার ওয়েবসাইটে দেখতে পারবেন টেবিল।
| গ্রুপ A (উদাহরণ) | খেলা | জয় | ড্র | হার | পয়েন্ট |
| দল ১ | ২ | ২ | ০ | ০ | ৬ |
| দল ২ | ২ | ১ | ০ | ১ | ৩ |
| দল ৩ | ২ | ০ | ০ | ২ | ০ |
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বাংলাদেশ সময়সূচি
বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী বেশিরভাগ ম্যাচ রাতে হবে। কিছু ম্যাচ সকালেও দেখা যাবে। সময়ের পার্থক্য প্রায় ১০-১২ ঘণ্টা। যুক্তরাষ্ট্রের দুপুরের ম্যাচ বাংলাদেশে রাত। সন্ধ্যার ম্যাচ হবে বাংলাদেশে ভোর। রাতের ম্যাচ দেখতে হবে সকালে। ফাইনাল ম্যাচ সম্ভবত রাত ২টায় হবে। উদ্বোধনী ম্যাচ দেখা যাবে সকাল ৮টায়। অফিস-স্কুল থাকায় দিনের ম্যাচ মিস হতে পারে। তাই রেকর্ড করে দেখতে হবে অনেককে। হাইলাইটস দেখে নিতে পারবেন সবাই।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ কোয়ার্টার ফাইনাল সূচি
কোয়ার্টার ফাইনাল শুরু হবে জুলাইর প্রথম সপ্তাহে। মোট ৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এই ম্যাচে খেলবে সেরা ৮টি দল। প্রতিটি ম্যাচ হবে নকআউট পদ্ধতিতে। হারলে দল বাদ পড়ে যাবে। জিতলে সেমিফাইনালে উঠবে। ৯০ মিনিটে ফল না হলে অতিরিক্ত সময়। তারপরও সমান হলে পেনাল্টি শুটআউট। প্রতিটি ম্যাচ হবে রোমাঞ্চকর। বড় বড় দলের মধ্যে লড়াই হবে। ভক্তরা দেখবেন শ্বাসরুদ্ধকর ফুটবল। প্রতিটি গোল হবে মূল্যবান। খেলোয়াড়রা দেবেন সর্বোচ্চ চেষ্টা।
কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ বিন্যাস:
- ম্যাচ ১: ৪ জুলাই, ২০২৬ – বিজয়ী A বনাম বিজয়ী B
- ম্যাচ ২: ৫ জুলাই, ২০২৬ – বিজয়ী C বনাম বিজয়ী D
- ম্যাচ ৩: ৬ জুলাই, ২০২৬ – বিজয়ী E বনাম বিজয়ী F
- ম্যাচ ৪: ৭ জুলাই, ২০২৬ – বিজয়ী G বনাম বিজয়ী H
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সেমিফাইনাল সূচি
সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে জুলাইর মাঝামাঝি। মোট দুটি ম্যাচ খেলা হবে। সেরা ৪টি দল খেলবে এই পর্বে। প্রথম সেমিফাইনাল হবে ১৪ জুলাই। দ্বিতীয় সেমিফাইনাল হবে ১৫ জুলাই। জয়ী দুটি দল ফাইনালে খেলবে। পরাজিত দুই দল খেলবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। সেমিফাইনাল সবসময় রোমাঞ্চকর হয়। বড় বড় দলের মুখোমুখি হওয়া। প্রতিটি মুহূর্ত থাকে উত্তেজনাপূর্ণ। ভক্তরা থাকেন উদগ্রীব। কোচরা তৈরি করেন বিশেষ কৌশল। খেলোয়াড়রা দেন সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ফাইনাল কোথায়
ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। এই স্টেডিয়াম নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডে। নিউ ইয়র্ক সিটির খুব কাছে এই স্টেডিয়াম। এটি আমেরিকান ফুটবলের জন্যও ব্যবহৃত হয়। স্টেডিয়ামটি ২০১০ সালে তৈরি হয়েছিল। এখানে অনেক বড় ইভেন্ট হয়েছে। সুপার বোল এখানে আয়োজিত হয়েছিল ২০১৪ সালে। স্টেডিয়ামে আধুনিক সব সুবিধা আছে। বড় স্ক্রিন ও ভালো শব্দ ব্যবস্থা রয়েছে। দর্শকরা পাবেন চমৎকার অভিজ্ঞতা। ফাইনাল এখানে হওয়া গর্বের বিষয়।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সেরা দল
সেরা দলের পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন। ব্রাজিল সবসময়ই প্রিয় দল। আর্জেন্টিনা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন। ফ্রান্সের রয়েছে তারকা সমাহার। ইংল্যান্ডের দল অত্যন্ত শক্তিশালী। জার্মানি আবারও ফিরে আসছে জোরদারভাবে। স্পেনের তরুণ দল খুব প্রতিশ্রুতিশীল। পর্তুগাল ও বেলজিয়ামও শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী। ইতালি চাইছে আবার শক্তিশালী হতে। নেদারল্যান্ডসের খেলার ধরন আকর্ষণীয়। প্রতিটি দলেরই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা আছে। শেষ পর্যন্ত সেরা পারফরম্যান্সই নির্ধারণ করবে চ্যাম্পিয়ন।
| দল | বর্তমান র্যাঙ্কিং | শিরোপা জয় | ফেভারিট স্ট্যাটাস |
| আর্জেন্টিনা | ১ | ৩ | প্রবল ফেভারিট |
| ফ্রান্স | ২ | ২ | শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী |
| ব্রাজিল | ৩ | ৫ | ঐতিহ্যবাহী শক্তি |
| ইংল্যান্ড | ৪ | ১ | উদীয়মান শক্তি |
| স্পেন | ৫ | ১ | তরুণ দল |
ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাস ও রেকর্ড
বিশ্বকাপে অনেক অবিশ্বাস্য রেকর্ড আছে। মিরোস্লাভ ক্লোসে সর্বোচ্চ গোলদাতা ১৬ গোল নিয়ে। পেলে সবচেয়ে কম বয়সে গোল করেছিলেন। ম্যারাডোনার হ্যান্ড অব গড গোল বিখ্যাত। জাস্ট ফন্টেইন একক টুর্নামেন্টে ১৩ গোল করেন। ব্রাজিল সবচেয়ে বেশিবার চ্যাম্পিয়ন। জার্মানি সবচেয়ে বেশি ফাইনাল খেলেছে। লোথার ম্যাথিউস সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলেছেন। গর্ডন ব্যাঙ্কসের সেভ অবিস্মরণীয়। মারিও গোটসের ফাইনাল গোল ঐতিহাসিক। প্রতিটি বিশ্বকাপে তৈরি হয় নতুন ইতিহাস।
কিছু অবিশ্বাস্য রেকর্ড:
- সর্বোচ্চ গোল: মিরোস্লাভ ক্লোসে (জার্মানি) – ১৬ গোল
- সর্বোচ্চ ম্যাচ: লোথার ম্যাথিউস (জার্মানি) – ২৫ ম্যাচ
- কনিষ্ঠ গোলদাতা: পেলে (ব্রাজিল) – ১৭ বছর ২৩৯ দিন
- একক টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোল: জাস্ট ফন্টেইন (ফ্রান্স) – ১৩ গোল (১৯৫৮)
- দ্রুততম গোল: হাকান শুকুর (তুরস্ক) – ১০.৮৯ সেকেন্ড (২০০২)
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ খেলোয়াড় তালিকা
প্রতিটি দল ঘোষণা করবে ২৬ জন খেলোয়াড়ের তালিকা। তিনজন গোলরক্ষক থাকবেন প্রতিটি দলে। ডিফেন্ডার থাকবেন ৭-৮ জন। মিডফিল্ডার নেওয়া হবে ৮-৯ জন। ফরোয়ার্ড থাকবেন ৫-৬ জন। খেলোয়াড় নির্বাচন নির্ভর করে কোচের কৌশলে। তারকা খেলোয়াড়রা নিশ্চিতভাবে থাকবেন। অভিজ্ঞ ও নতুন খেলোয়াড়ের মিশ্রণ থাকবে। ইনজুরি ফ্রি খেলোয়াড়দের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। ফর্মে থাকা খেলোয়াড়রা পাবেন সুযোগ। চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা হবে মে মাসে।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সেরা গোল
সেরা গোল নির্বাচন হয় ভোটের মাধ্যমে। ফিফা ওয়েবসাইটে ভোট দিতে পারবেন ভক্তরা। দূর থেকে শট করা গোল খুব জনপ্রিয়। ফ্রি কিক গোলও দর্শকরা পছন্দ করেন। ড্রিবল করে একাধিক খেলোয়াড়কে কাটিয়ে গোল অসাধারণ। ওভারহেড কিক গোল খুবই দুর্লভ। দল বেঁধে টিকি টাকা পাস দিয়ে গোল চমৎকার। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে দ্রুত গোল রোমাঞ্চকর। গোলরক্ষকের দুর্দান্ত সেভ পেরিয়ে গোল প্রশংসনীয়। প্রতিটি গোলেরই নিজস্ব গল্প থাকে।সেরা গোল পায় পুরস্কার।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ফেভারিট দল
বর্তমানে আর্জেন্টিনা সবচেয়ে ফেভারিট দল। তারা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এবং শক্তিশালী। ফ্রান্সও অত্যন্ত প্রিয় ভক্তদের কাছে। ব্রাজিলের ঐতিহ্য ও খেলার ধরন মুগ্ধ করে। ইংল্যান্ডের তরুণ দল দুর্দান্ত খেলছে। স্পেনের নতুন প্রজন্ম খুবই প্রতিশ্রুতিশীল। জার্মানি আবার শক্তিশালী হয়ে উঠছে। পর্তুগালে রয়েছে অসাধারণ খেলোয়াড়রা। বেলজিয়ামের গোল্ডেন জেনারেশন এখনো শক্তিশালী। নেদারল্যান্ডস সবসময়ই আকর্ষণীয় ফুটবল খেলে। ইতালি চেষ্টা করছে আবার শক্তিশালী হতে। ক্রোয়েশিয়া ছোট দল হলেও অনেক দূর যেতে পারে।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ট্রফি ডিজাইন ও পুরস্কার

ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত পুরস্কার। এটি সোনা দিয়ে তৈরি এবং অত্যন্ত মূল্যবান। ট্রফির ওজন প্রায় ৬ কেজি। উচ্চতা প্রায় ৩৬.৫ সেন্টিমিটার। ইতালিয়ান শিল্পী সিলভিও গাজানিগা ডিজাইন করেছিলেন। দুইজন মানুষ পৃথিবীকে ধরে রেখেছে এমন ডিজাইন। ১৯৭৪ সাল থেকে এই ট্রফি ব্যবহার হচ্ছে। আগের ট্রফি ছিল জুলস রিমে ট্রফি। চ্যাম্পিয়ন দল পায় সোনার প্রলেপ দেওয়া রেপ্লিকা। আসল ট্রফি ফিফার কাছে সংরক্ষিত থাকে। ট্রফিতে খোদাই করা হয় চ্যাম্পিয়ন দলের নাম। প্রতিটি খেলোয়াড়ের স্বপ্ন এই ট্রফি ছোঁয়া।
উপসংহার
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ হবে ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট। তিনটি দেশের যৌথ আয়োজনে এই মহাযজ্ঞ হবে অনন্য। ৪৮টি দল অংশ নেবে এই প্রথমবারের মতো। মোট ১০৪টি ম্যাচে দেখা যাবে দুর্দান্ত ফুটবল। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো প্রস্তুত করছে অত্যাধুনিক স্টেডিয়াম। ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই উৎসব। বিশ্বের সেরা দলগুলো লড়াই করবে শিরোপার জন্য। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড ফেভারিট হিসেবে আছে। প্রতিটি ম্যাচ হবে রোমাঞ্চকর ও উত্তেজনাপূর্ণ। ফুটবল ভক্তরা এখন থেকেই গুনছেন দিন। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে হবে দুর্দান্ত ফাইনাল ম্যাচ। নতুন চ্যাম্পিয়ন জন্ম নেবে ২০২৬ সালে। ফিফা বিশ্বকাপ শুধু খেলা নয়, এটি এক বৈশ্বিক উৎসব। সব দেশের মানুষ একসাথে উপভোগ করবেন ফুটবল। প্রতিটি গোল, প্রতিটি জয় হবে স্মরণীয়। এই টুর্নামেন্ট তৈরি করবে নতুন ইতিহাস। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এটি জীবনের সেরা অভিজ্ঞতা হবে। তাই সবাই অপেক্ষায় আছেন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর জন্য।
শেষ কথা: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও রোমাঞ্চকর টুর্নামেন্ট। ৪৮টি দল, ১০৪টি ম্যাচ এবং তিনটি দেশের যৌথ আয়োজন এই বিশ্বকাপকে করবে অনন্য। ফুটবল ভক্তরা প্রস্তুত হন এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতার জন্য। জয় হোক ফুটবলের!# ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: সময়সূচি, দল ও ম্যাচের সম্পূর্ণ তথ্য
ফুটবল প্রেমীদের জন্য সবচেয়ে বড় উৎসব হলো ফিফা বিশ্বকাপ। ২০২৬ সালে এই টুর্নামেন্ট হবে একদম নতুন ধরনের। এবারের আসরে ৪৮টি দল খেলবে। তিনটি দেশ একসাথে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করবে। ফুটবল ভক্তরা এখন থেকেই অপেক্ষা করছেন এই মহাযজ্ঞের জন্য। চলুন জেনে নিই এই টুর্নামেন্ট সম্পর্কে সব তথ্য।
এই পোস্টটি সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে: জানুয়ারি ২০২৬।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ কবে শুরু হবে?
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরু হবে ১১ জুন, ২০২৬ তারিখে। টুর্নামেন্ট চলবে ১৯ জুলাই পর্যন্ত। মোট ৩৯ দিন ধরে চলবে এই ফুটবল উৎসব।
কোন দেশগুলো আয়োজন করবে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬?
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করবে। এটি প্রথমবার তিনটি দেশ একসাথে বিশ্বকাপ আয়োজন করবে। যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ হবে।
কতটি দল খেলবে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ?
মোট ৪৮টি দল খেলবে এবারের বিশ্বকাপে। এটি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আসর। আগে ৩২টি দল খেলতো।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনাল কোথায় হবে?
ফাইনাল হবে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। এই স্টেডিয়াম নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডে অবস্থিত। ধারণক্ষমতা প্রায় ৮২ হাজার দর্শক।
মোট কতটি ম্যাচ খেলা হবে?
মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। গ্রুপ পর্বে হবে ৮০টি ম্যাচ। নকআউট পর্বে খেলা হবে ২৪টি ম্যাচ।
কোন দল বর্তমানে চ্যাম্পিয়ন?
আর্জেন্টিনা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন। তারা ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জিতেছিল। লিওনেল মেসি ছিলেন দলের নায়ক।
টিকিট কিভাবে কিনতে পারব?
ফিফার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে টিকিট কিনতে হবে। টিকিট বিক্রয় শুরু হয়েছে ২০২৫ সালে। দাম শুরু হবে ৫০ ডলার থেকে।
বাংলাদেশে কোন চ্যানেল দেখাবে?
জিটিভি ও টি স্পোর্টস সম্ভবত সম্প্রচার করবে। চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে ২০২৬ সালের শুরুতে। অনলাইনেও দেখা যাবে লাইভ।
কোন দল সবচেয়ে বেশিবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে?
ব্রাজিল সবচেয়ে বেশি ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। জার্মানি ও ইতালি জিতেছে ৪ বার করে। আর্জেন্টিনা জিতেছে ৩ বার।
গ্রুপ পর্বের ফরম্যাট কী?
১৬টি গ্রুপে ৩টি করে দল থাকবে। প্রতিটি দল খেলবে ২টি ম্যাচ। শীর্ষ দুই দল ও সেরা ৮ তৃতীয় স্থান অধিকারী নকআউটে যাবে।
ফিফা বিশ্বকাপ কখন শুরু হয়েছিল?
১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়। উরুগুয়ে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তখন মাত্র ১৩টি দল খেলেছিল।
সবচেয়ে বেশি গোলদাতা কে?
মিরোস্লাভ ক্লোসে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। তিনি করেছেন ১৬টি গোল চারটি বিশ্বকাপে। রোনালদো দ্বিতীয় ১৫ গোল নিয়ে।
কোন স্টেডিয়ামে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ হবে?
যুক্তরাষ্ট্রের স্টেডিয়ামগুলোতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ হবে। মোট ৬০টি ম্যাচ হবে যুক্তরাষ্ট্রে। কানাডা ও মেক্সিকোতে ১০টি করে ম্যাচ হবে।
বাংলাদেশ কি খেলবে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ?
বাংলাদেশ যোগ্যতা অর্জনের চেষ্টা করছে। এশিয়া থেকে ৮টি দল সুযোগ পাবে। বাংলাদেশের যোগ্যতা অর্জন কঠিন কিন্তু অসম্ভব নয়।
গোল্ডেন বুট পুরস্কার কী?
সবচেয়ে বেশি গোলদাতা পায় গোল্ডেন বুট। ২০২২ সালে কিলিয়ান এমবাপে পেয়েছিলেন। তিনি করেছিলেন ৮টি গোল।
ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ড কী?
সবচেয়ে ভালো আচরণকারী দল পায় ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ড। কম হলুদ ও লাল কার্ড পাওয়া দল পায়। এটি খেলার মান বৃদ্ধি করে।
বিশ্বকাপ ট্রফির ওজন কত?
বিশ্বকাপ ট্রফির ওজন প্রায় ৬ কেজি। এটি সোনা দিয়ে তৈরি এবং অত্যন্ত মূল্যবান। উচ্চতা প্রায় ৩৬.৫ সেন্টিমিটার।
নকআউট পর্ব কখন শুরু হবে?
নকআউট পর্ব শুরু হবে জুন মাসের শেষ সপ্তাহে। রাউন্ড অব ৩২ দিয়ে শুরু হবে। তারপর হবে রাউন্ড অব ১৬।
ফিফা বিশ্বকাপ কত বছর পর পর হয়?
প্রতি চার বছর পর পর ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৪২ ও ১৯৪৬ ছাড়া সব সময় নিয়মিত হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে দুইবার হয়নি।
কোন দেশ কখনো বিশ্বকাপ আয়োজন করেনি কিন্তু জিতেছে?
ব্রাজিল বাইরে গিয়ে সবচেয়ে বেশিবার জিতেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্র, সুইডেন ও অন্যান্য দেশে জিতেছে। উরুগুয়েও বাইরে জিতেছে ১৯৫০ সালে।
সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় কে ছিলেন?
ফারিদ মন্দ্রাগন ছিলেন সবচেয়ে বয়স্ক। তিনি ৪৩ বছর বয়সে ২০১৪ বিশ্বকাপে খেলেছিলেন। তিনি কলম্বিয়ার হয়ে খেলেছিলেন।
বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করা কঠিন?
হ্যাঁ, খুবই কঠিন। বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক খুব বিরল ঘটনা। শেষবার ২০২২ সালে এমবাপে করেছিলেন ফাইনালে। এর আগে দীর্ঘ বিরতি ছিল।
মহিলাদের বিশ্বকাপ কি আলাদা?
হ্যাঁ, মহিলাদের আলাদা বিশ্বকাপ আছে। এটিও চার বছর পর পর হয়। পুরুষদের থেকে ভিন্ন সময়ে আয়োজিত হয়।
ফিফা বিশ্বকাপে কি ভিএআর ব্যবহার হয়?
হ্যাঁ, ২০১৮ সাল থেকে ভিএআর ব্যবহার হচ্ছে। এটি রেফারিদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। বিতর্কিত গোল ও পেনাল্টি চেক করা হয়।
এশিয়া থেকে কোন দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে?
এখনো কোনো এশিয়ান দল চ্যাম্পিয়ন হয়নি। দক্ষিণ কোরিয়া ২০০২ সালে সেমিফাইনালে গিয়েছিল। এটি এশিয়ার সেরা পারফরম্যান্স।
লাইভ স্কোর কোথায় পাব?
ফিফার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ও অ্যাপে পাবেন। ফ্ল্যাশস্কোর ও সফাস্কোর অ্যাপ ভালো। গুগল সার্চেও রিয়েল টাইম স্কোর পাবেন।
বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল কে তৈরি করে?
আদিদাস বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল তৈরি করে। ১৯৭০ সাল থেকে তারা সরবরাহ করছে। প্রতিবার নতুন ডিজাইনের বল আসে।
সেমিফাইনালে হেরে যাওয়া দলগুলো কী করে?
তারা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলে। এটি ফাইনালের আগের দিন অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় স্থানও সম্মানজনক অর্জন।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ দেখতে কি ভিসা লাগবে?
হ্যাঁ, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা বা মেক্সিকো যেতে ভিসা লাগবে। বাংলাদেশি দর্শকদের আগে থেকে ভিসার আবেদন করতে হবে। সময়মতো প্রস্তুতি নিতে হবে।
🔥 পোস্টটি শেয়ার করুনঃ 🌍






