হাঁস পালন একটি লাভজনক ব্যবসা। সঠিক খাদ্য ছাড়া হাঁস থেকে ভালো ফলাফল পাওয়া যায় না। হাঁসের খাদ্য নির্বাচন ও ব্যবস্থাপনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই নিবন্ধে হাঁসের খাবার সম্পর্কে সব তথ্য জানতে পারবেন। আমরা আলোচনা করব কোন খাবার কখন দিতে হয়। আপনার হাঁস সুস্থ ও উৎপাদনশীল রাখার সব কৌশল এখানে আছে।
হাঁসের খাদ্য তালিকা
হাঁসের খাদ্য তালিকা বেশ বৈচিত্র্যময় হতে পারে। ভুট্টা হাঁসের প্রিয় খাবারগুলোর একটি। চালের কুঁড়া পুষ্টিকর ও সাশ্রয়ী একটি উপাদান। গমের ভুসিও হাঁসের জন্য উপকারী খাদ্য। সয়াবিন মিল প্রোটিনের চমৎকার উৎস হিসেবে কাজ করে। শামুক ও ঝিনুক ক্যালসিয়ামের জন্য অপরিহার্য। মাছের গুঁড়া হাঁসকে দ্রুত বড় হতে সাহায্য করে। সবুজ শাকসবজি ভিটামিনে ভরপুর থাকে। ছোট পোকামাকড় প্রাকৃতিক প্রোটিনের উৎস। জলজ উদ্ভিদ হাঁস নিজেই খুঁজে খায়। খাদ্যের বৈচিত্র্য হাঁসের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। সঠিক তালিকা মেনে চললে খরচ কমানো যায়।
ডিম পাড়া হাঁসের খাদ্য তালিকা

ডিম পাড়া হাঁসের খাদ্য বিশেষ মনোযোগ দাবি করে। এই সময় হাঁসের ক্যালসিয়াম প্রয়োজন বেশি হয়। ঝিনুকের গুঁড়া ডিমের খোলস শক্ত করতে সাহায্য করে। প্রোটিনের পরিমাণ ১৬-১৮ শতাংশ রাখা জরুরি। ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের ভারসাম্য রক্ষা করতে হয়। সয়াবিন ও মাছের গুঁড়া প্রোটিন সরবরাহ করে। ভুট্টা শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। চালের কুঁড়া সস্তায় পুষ্টি দেয়। সবুজ শাক ভিটামিন এ সরবরাহ করে। পানির সাথে মেশানো খাবার হজম হয় সহজে। দিনে তিনবার খাবার দেওয়া উচিত। প্রতিটি হাঁস দিনে ১৫০-১৬০ গ্রাম খাবার খায়।
দেশি হাঁসের খাদ্য তালিকা
দেশি হাঁসের খাদ্য তালিকা সহজ ও সাশ্রয়ী। এরা স্থানীয় খাবারে অভ্যস্ত থাকে। ঘাসফড়িং, পোকামাকড় খুঁজে খেতে পারে। পুকুরের জলজ উদ্ভিদ এদের প্রিয় খাবার। ঘরে তৈরি খাবার দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। ভাতের মাড় অনেক গ্রামে দেওয়া হয়। শামুক ভেঙে দিলে খুব পছন্দ করে। সবজির উচ্ছিষ্ট অংশও খায় দেশি হাঁস। কলার খোসা কেটে দিলে খায় সহজে। দানাদার খাদ্য কম দিলেও চলে। দেশি হাঁস খাবার খুঁজতে পারদর্শী হয়। প্রাকৃতিক পরিবেশে এরা বেশি সুস্থ থাকে।
- দেশি হাঁস দিনে ১০০-১২০ গ্রাম খাবার খায়
- স্থানীয় উপাদান দিয়ে খাদ্য তৈরি করা সহজ
- এদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি হয়
- কম খরচে পালন করা যায়
- পুকুর বা জলাশয়ের পাশে রাখা ভালো
ছোট হাঁসের খাদ্য তালিকা
ছোট হাঁসের খাদ্য তালিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাচ্চা হাঁসের দ্রুত বৃদ্ধি প্রয়োজন হয়। প্রথম সপ্তাহে স্টার্টার ফিড দিতে হয়। প্রোটিনের পরিমাণ ২০-২২ শতাংশ থাকা চাই। সূক্ষ্ম দানাদার খাবার সহজে খায় বাচ্চারা। সয়াবিন মিল প্রোটিন বাড়ায় দ্রুত। ভুট্টা ভেঙে গুঁড়া করে দিতে হয়। ভিটামিন ও খনিজ মিশ্রণ অবশ্যই দিতে হবে। চালের কুঁড়া ছোট হাঁসের জন্য উপকারী। সবুজ শাক সেদ্ধ করে ছোট করে কাটতে হয়। পানি সবসময় পরিষ্কার রাখা জরুরি। ছোট হাঁস দিনে ৫০-৮০ গ্রাম খাবার খায়।
হাঁসের খাবারের নাম
হাঁসের খাবারের নাম জানা খুবই দরকারি। ভুট্টা প্রধান শক্তির উৎস হিসেবে পরিচিত। চালের কুঁড়া সবচেয়ে সাশ্রয়ী উপাদান। গমের ভুসি ফাইবারে পূর্ণ থাকে। সয়াবিন মিল প্রোটিনে ভরপুর একটি খাদ্য। মাছের গুঁড়া প্রাণিজ প্রোটিন দেয়। ঝিনুকের গুঁড়া ক্যালসিয়ামের উৎস। লবণ সামান্য পরিমাণে দেওয়া হয়। ভিটামিন প্রিমিক্স অত্যাবশ্যক উপাদান। খৈল প্রোটিন ও তেলের উৎস। সবুজ শাকসবজি পুষ্টি যোগায়। পানি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
হাঁসের খাবারের ধরন
হাঁসের খাবারের ধরন বয়স অনুযায়ী ভিন্ন হয়। দানাদার খাদ্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ধরন। ভেজা খাবার হাঁস পছন্দ করে বেশি। সবুজ খাবার পুষ্টিকর ও সতেজ থাকে। প্রাকৃতিক খাবার খরচ কমায় অনেকটা। তৈরি খাবার সুষম পুষ্টি দেয়। জলজ খাবার হাঁসের প্রিয় প্রাকৃতিক উৎস। পেলেট ফিড সহজে খাওয়ানো যায়। ম্যাশ ফিড বাচ্চাদের জন্য ভালো। ক্রাম্বল ফিড মাঝারি হাঁসের উপযোগী। পুকুরের খাবার বিনামূল্যে পাওয়া যায়। মিশ্রিত খাবার সব পুষ্টি সরবরাহ করে।
- দানাদার খাদ্য সংরক্ষণ সহজ হয়
- ভেজা খাবার তাজা দিতে হয়
- সবুজ খাবার প্রতিদিন দেওয়া উচিত
- পানিতে ভিজিয়ে দিলে ভালো খায়
- মিশ্রিত খাবার সবচেয়ে কার্যকর
হাঁসের খাদ্য উপাদান
হাঁসের খাদ্য উপাদান বৈজ্ঞানিকভাবে নির্ধারিত হয়। শর্করা শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। প্রোটিন দেহ গঠন ও বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। চর্বি ঘন শক্তি সরবরাহ করে দ্রুত। ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ বাড়ায়। খনিজ পদার্থ হাড় ও পালক গঠনে সহায়ক। ক্যালসিয়াম ডিমের খোলস তৈরিতে অপরিহার্য। ফসফরাস হাড় শক্ত করতে প্রয়োজন। ফাইবার হজম প্রক্রিয়া সহজ করে। পানি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। সব উপাদানের ভারসাম্য খুব জরুরি। ঘাটতি হলে হাঁস অসুস্থ হয়ে পড়ে।
হাঁসের খাদ্যের পুষ্টিগুণ
হাঁসের খাদ্যের পুষ্টিগুণ ভালো উৎপাদনের চাবিকাঠি। প্রোটিন ১৬-২২ শতাংশ থাকা প্রয়োজন। শক্তি ২৮০০-৩০০০ কিলোক্যালরি/কেজি হওয়া উচিত। ক্যালসিয়াম ২.৫-৩.৫ শতাংশ প্রয়োজন ডিম পাড়া হাঁসে। ফসফরাস ০.৫-০.৭ শতাংশ থাকা আবশ্যক। ভিটামিন এ, ডি, ই প্রতিদিন দিতে হয়। আয়রন রক্তে অক্সিজেন বহনে সাহায্য করে। জিংক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মেথিওনিন ও লাইসিন অ্যামিনো এসিড জরুরি। ফাইবার ৩-৫ শতাংশ হজমের জন্য ভালো। লবণ ০.২৫-০.৫ শতাংশ দিতে হয়। পুষ্টিগুণ সঠিক হলে হাঁস সুস্থ থাকে।
হাঁসের খাদ্য তৈরি নিয়ম
হাঁসের খাদ্য তৈরি নিয়ম মেনে চললে খরচ কমে। প্রথমে সব উপাদান পরিমাণমতো জোগাড় করুন। উপাদান শুকনো ও পরিষ্কার থাকা জরুরি। ভুট্টা ভেঙে ছোট দানায় নিয়ে নিন। চালের কুঁড়া ভালোভাবে ঝেড়ে নিতে হবে। সয়াবিন মিল তৈরি বা কিনতে পারেন। সব উপাদান এক জায়গায় মিশিয়ে নিন। ভিটামিন ও খনিজ মিশ্রণ ভালোভাবে মেশান। ঝিনুক বা হাড়ের গুঁড়া যোগ করুন। লবণ সামান্য পরিমাণে মিশিয়ে দিন। শুকনো জায়গায় সংরক্ষণ করতে হবে। এক মাসের বেশি রাখবেন না।
হাঁসের খাদ্য তৈরির পদ্ধতি
হাঁসের খাদ্য তৈরির পদ্ধতি বেশ সহজ। প্রথমে একটি পরিষ্কার স্থান বেছে নিন। বড় টব বা পাত্রে উপাদান নিন। ভুট্টা ৫০ কেজি নিয়ে শুরু করুন। চালের কুঁড়া ২০ কেজি যোগ করুন। সয়াবিন মিল ১৫ কেজি দিতে হবে। মাছের গুঁড়া ৮ কেজি মিশিয়ে নিন। ঝিনুকের গুঁড়া ৫ কেজি দিন। গমের ভুসি ২ কেজি যোগ করুন। ভিটামিন প্রিমিক্স ২৫০ গ্রাম দরকার। লবণ ২৫০ গ্রাম মিশিয়ে নিন। ভালো করে মিশিয়ে বস্তায় ভরুন।
- প্রতিটি উপাদান আলাদা ওজন করুন
- মেশানোর সময় ভালো করে নাড়ুন
- আর্দ্রতা এড়াতে শুকনো রাখুন
- প্লাস্টিক বা টিনের পাত্রে রাখুন
- মাসে একবার নতুন খাবার তৈরি করুন
ঘরে বসে হাঁসের খাদ্য তৈরি
ঘরে বসে হাঁসের খাদ্য তৈরি অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক। স্থানীয় বাজার থেকে উপাদান কিনুন। ছোট পরিসরে শুরু করা ভালো। ভুট্টা ভাঙার মেশিন ভাড়া নিতে পারেন। চালকল থেকে কুঁড়া পাওয়া যায়। ঘরের মুরগি বা হাঁসের জন্য একই খাবার। সয়াবিন স্থানীয় দোকানে পাবেন। রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট অংশও ব্যবহার করুন। ভাতের মাড় বাচ্চাদের জন্য ভালো। সবজির খোসা সেদ্ধ করে দিন। ঘরে তৈরি খাবার তাজা ও পুষ্টিকর। নিয়মিত তৈরি করে খাওয়ালে ভালো ফল। প্রতি সপ্তাহে একবার বানানো যথেষ্ট।
হাঁসের খাবার কিভাবে তৈরি করবেন
হাঁসের খাবার কিভাবে তৈরি করবেন তা জানা জরুরি। একটি সূত্র মেনে চলুন নিয়মিত। ভুট্টা ৫০%, চালের কুঁড়া ২০% নিন। সয়াবিন মিল ১৫% যোগ করুন। মাছের গুঁড়া ৮% দিতে হবে। ঝিনুকের গুঁড়া ৫% দরকার। বাকি ২% ভিটামিন ও লবণ। সব উপাদান এক সাথে মিশিয়ে নিন। যন্ত্র দিয়ে মিশালে সমান হয়। হাতে মিশালে বেশি সময় লাগে। শুকনো ও পরিষ্কার পাত্রে রাখুন। ছায়াযুক্ত স্থানে সংরক্ষণ করুন। খাওয়ানোর আগে চেক করে নিন।
হাঁসের খাদ্য ব্যবস্থাপনা
হাঁসের খাদ্য ব্যবস্থাপনা সঠিক হলে লাভ বেশি। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে খাবার দিন। সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যা তিনবার দেওয়া ভালো। খাবার পাত্র পরিষ্কার রাখা জরুরি। পুরনো খাবার ফেলে তাজা দিন। পানির পাত্র সবসময় ভরা থাকবে। খাদ্য সংরক্ষণে সতর্ক থাকুন। ইঁদুর থেকে রক্ষা করতে হবে। খাদ্যের হিসাব রাখা প্রয়োজন। প্রতি হাঁসের জন্য আলাদা হিসাব করুন। মাসিক খরচ লিখে রাখুন। ব্যবস্থাপনা ভালো হলে অপচয় কম হয়।
| বয়স | দৈনিক খাদ্য (গ্রাম) | প্রোটিন (%) | খাওয়ানোর সংখ্যা |
| ০-৪ সপ্তাহ | ৫০-৮০ | ২০-২২ | ৪-৫ বার |
| ৫-৮ সপ্তাহ | ৮০-১২০ | ১৮-২০ | ৩-৪ বার |
| ৯-১৬ সপ্তাহ | ১২০-১৫০ | ১৬-১৮ | ৩ বার |
| ১৭ সপ্তাহ+ | ১৫০-১৬০ | ১৬-১৮ | ৩ বার |
হাঁসের খাদ্য খাওয়ানোর নিয়ম
হাঁসের খাদ্য খাওয়ানোর নিয়ম মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ। নির্দিষ্ট সময়ে খাবার দিলে হাঁস অভ্যস্ত হয়। সকাল ৭-৮টায় প্রথম খাবার দিন। দুপুর ১২-১টায় দ্বিতীয় খাবার দিতে হবে। সন্ধ্যা ৫-৬টায় শেষ খাবার দিন। খাবার পানিতে ভিজিয়ে দিলে ভালো খায়। বেশি ভিজিয়ে নষ্ট করবেন না। প্রতিবার তাজা খাবার দেওয়া উচিত। খাবার পাত্র ছায়ায় রাখুন। রোদে খাবার নষ্ট হয় দ্রুত। পরিমাণ বয়স অনুযায়ী ঠিক করুন। বাচ্চাদের কম, বড়দের বেশি দিতে হয়। ডিম পাড়া হাঁসকে বেশি যত্ন দিন।
- প্রতিবার একই সময়ে খাবার দিন
- পাত্র পরিষ্কার করে খাবার দিন
- খাবার শেষ না হলে পরের বার কমান
- পানি সবসময় পরিষ্কার রাখুন
- খাবার বাসি হলে দেবেন না
হাঁসের প্রধান খাদ্য কী
হাঁসের প্রধান খাদ্য কী তা জানা দরকার। ভুট্টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্করার উৎস। চালের কুঁড়া দ্বিতীয় প্রধান খাদ্য উপাদান। সয়াবিন মিল প্রোটিনের মূল উৎস। পানি সবচেয়ে জরুরি জিনিস। সবুজ ঘাস ভিটামিনে ভরপুর থাকে। জলজ উদ্ভিদ হাঁসের প্রাকৃতিক খাবার। শামুক ও ঝিনুক ক্যালসিয়াম দেয়। পোকামাকড় প্রোটিনের প্রাকৃতিক উৎস। মাছের গুঁড়া বাণিজ্যিক খামারে দেওয়া হয়। ঘরের তৈরি খাবারও প্রধান খাদ্য। প্রতিটি উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কোনটা বাদ দিলে পুষ্টিতে ঘাটতি হয়।
হাঁস কী কী খাবার খায়
হাঁস কী কী খাবার খায় তার তালিকা বেশ লম্বা। দানাদার খাবার সবচেয়ে বেশি খায়। ভুট্টা, চাল, গম সব পছন্দ। চালের কুঁড়া খুব ভালো লাগে। সবুজ শাকসবজি খেতে পছন্দ করে। কচুরিপানা জলাশয়ে খুঁজে খায়। শামুক ও ঝিনুক ভেঙে খায়। ছোট মাছ পেলে খায় সাথে সাথে। পোকামাকড় খুঁজে বের করে। কেঁচো মাটি থেকে তুলে খায়। ভাতের মাড় ও রুটি খায়। সবজির খোসা কেটে দিলে খায়। ফলের উচ্ছিষ্ট অংশও খায় হাঁস।
হাঁস দিনে কত গ্রাম খাবার খায়
হাঁস দিনে কত গ্রাম খাবার খায় তা বয়সের উপর নির্ভর করে। বাচ্চা হাঁস প্রথম সপ্তাহে ৫০-৬০ গ্রাম খায়। দ্বিতীয় সপ্তাহে ৭০-৮০ গ্রাম লাগে। তৃতীয় সপ্তাহে ৯০-১০০ গ্রাম খায়। এক মাসের হাঁস ১০০-১২০ গ্রাম খাবার খায়। দুই মাসের হাঁস ১৩০-১৪০ গ্রাম দরকার। তিন মাসের হাঁস ১৪০-১৫০ গ্রাম খায়। পূর্ণবয়স্ক হাঁস ১৫০-১৬০ গ্রাম খায়। ডিম পাড়া হাঁস ১৬০-১৭০ গ্রাম লাগে। খাবারের মান ভালো হলে কম খায়। মান খারাপ হলে বেশি খাবার লাগে। পরিবেশ ঠান্ডা হলে বেশি খায়। গরমে কিছুটা কম খায় হাঁস।
- ছোট হাঁসকে বারবার অল্প অল্প দিন
- বড় হাঁসকে দিনে ৩ বার দিন
- ওজন করে সঠিক পরিমাণ দিন
- খাবার কম-বেশি হলে সমস্যা হয়
- নিয়মিত খাওয়ালে ভালো বাড়ে
হাঁসের জন্য কোন খাবার ভালো
হাঁসের জন্য কোন খাবার ভালো তা জানা জরুরি। ভুট্টা শক্তির জন্য সবচেয়ে ভালো। সয়াবিন মিল প্রোটিনের সেরা উৎস। চালের কুঁড়া সাশ্রয়ী ও পুষ্টিকর। মাছের গুঁড়া দ্রুত বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ঝিনুকের গুঁড়া ডিমের জন্য অপরিহার্য। সবুজ শাক ভিটামিনে ভরপুর থাকে। জলজ উদ্ভিদ প্রাকৃতিক ও তাজা। শামুক ক্যালসিয়ামের চমৎকার উৎস। কেঁচো ও পোকা প্রোটিন দেয়। পরিষ্কার পানি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাজা খাবার সবসময় ভালো ফল দেয়। পচা বা বাসি খাবার কখনো দেবেন না।
হাঁসের খাবার কতবার দিতে হয়
হাঁসের খাবার কতবার দিতে হয় তা বয়সের উপর নির্ভর করে। বাচ্চা হাঁসকে দিনে ৪-৫ বার দিতে হয়। এক মাসের হাঁসকে ৩-৪ বার দিন। দুই মাসের হাঁসকে ৩ বার যথেষ্ট। বড় হাঁসকে দিনে ৩ বার খাবার দিন। সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যা সবচেয়ে ভালো সময়। ডিম পাড়া হাঁসকে ৩ বার নিয়মিত দিন। মাংসের হাঁসকেও ৩ বার খাবার দিন। বেশি বার দিলে অপচয় হয়। কম বার দিলে পুষ্টি কম পায়। নিয়মিত সময়ে দিলে হাঁস অভ্যস্ত হয়। অনিয়মিত খাওয়ালে সমস্যা হতে পারে। প্রতিবার পর্যাপ্ত পরিমাণ দিন।
হাঁসের খাদ্য বেশি দিলে কি হয়
হাঁসের খাদ্য বেশি দিলে কি হয় তা জানা প্রয়োজন। খাবার অপচয় হয় প্রচুর পরিমাণে। অতিরিক্ত খাবার পচে দুর্গন্ধ ছড়ায়। হাঁস মোটা হয়ে যায় দ্রুত। মোটা হাঁস ডিম কম পাড়ে। স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। লিভারে চর্বি জমে রোগ হয়। খামারের খরচ বেড়ে যায় অনেক। পোকামাকড় বেশি আসে খাবারে। ইঁদুর আকৃষ্ট হয় অতিরিক্ত খাবারে। রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা বাড়ে। পরিমাণমতো দিলে এসব সমস্যা হয় না। সঠিক পরিমাণ লাভজনক হয়।
| খাবারের পরিমাণ | প্রভাব | ফলাফল | সমাধান |
| সঠিক পরিমাণ | স্বাভাবিক বৃদ্ধি | ভালো উৎপাদন | চালিয়ে যান |
| কম পরিমাণ | দুর্বলতা | কম ডিম/মাংস | পরিমাণ বাড়ান |
| বেশি পরিমাণ | মোটা হওয়া | খরচ বেশি | পরিমাণ কমান |
| অনিয়মিত | অসুস্থতা | লোকসান | নিয়ম মানুন |
ডিম পাড়া হাঁসের খাদ্য
ডিম পাড়া হাঁসের খাদ্য বিশেষ যত্নে তৈরি করতে হয়। প্রোটিন ১৬-১৮ শতাংশ রাখা জরুরি। ক্যালসিয়াম ৩-৩.৫ শতাংশ থাকা প্রয়োজন। ভুট্টা শক্তি দেয় প্রচুর পরিমাণে। সয়াবিন মিল প্রোটিন সরবরাহ করে। মাছের গুঁড়া ডিমের মান বাড়ায়। ঝিনুকের গুঁড়া খোলস শক্ত করে। চালের কুঁড়া ফাইবার দেয়। সবুজ শাক ভিটামিন এ যোগায়। দিনে ১৬০-১৭০ গ্রাম খাবার লাগে। তিনবার খাবার দিতে হবে নিয়মিত। পানি পর্যাপ্ত পরিমাণে দিন। খাদ্যের মান ভালো হলে বেশি ডিম পাড়ে।
- ডিম পাড়ার আগে ক্যালসিয়াম বাড়ান
- সন্ধ্যার খাবার একটু বেশি দিন
- ভিটামিন ডি সূর্যের আলো থেকে পায়
- পানির অভাব হলে ডিম কম হয়
- নিয়মিত খাওয়ালে ডিম বেশি পাবেন
মাংসের হাঁসের খাদ্য
মাংসের হাঁসের খাদ্য দ্রুত বৃদ্ধির জন্য তৈরি। প্রোটিন ১৮-২০ শতাংশ রাখতে হবে। শক্তি ৩০০০ কিলোক্যালরি/কেজি থাকা উচিত। ভুট্টা বেশি পরিমাণে দিতে হয়। সয়াবিন মিল প্রোটিনের জন্য জরুরি। মাছের গুঁড়া ওজন বাড়ায় দ্রুত। চালের কুঁড়া কম পরিমাণে দিন। গমের ভুসি ফাইবারের জন্য দিন। চর্বি কিছুটা বেশি দেওয়া যায়। ৮-১০ সপ্তাহে বাজারজাত করা যায়। দিনে ১৫০-১৮০ গ্রাম খাবার লাগে। তিনবার নিয়মিত খাবার দিন। দ্রুত বৃদ্ধি পেলে লাভ বেশি।
বাচ্চা হাঁসের খাদ্য
বাচ্চা হাঁসের খাদ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রোটিন ২০-২২ শতাংশ দিতে হবে। সূক্ষ্ম দানার খাবার দিন প্রথমে। ভুট্টা ভালোভাবে ভেঙে গুঁড়া করুন। সয়াবিন মিল ছোট করে দিন। মাছের গুঁড়া সূক্ষ্ম হওয়া উচিত। চালের কুঁড়া মিহি ধরনের নিন। ভিটামিন ও খনিজ অবশ্যই দিন। প্রথম সপ্তাহে ৫০-৬০ গ্রাম খায়। দ্বিতীয় সপ্তাহে ৭০-৮০ গ্রাম লাগে। দিনে ৪-৫ বার খাবার দিন। পানি সবসময় তাজা ও পরিষ্কার রাখুন। বাচ্চাদের বিশেষ যত্ন নিতে হয়।
বড় হাঁসের খাদ্য
বড় হাঁসের খাদ্য সহজ ও সাশ্রয়ী হতে পারে। প্রোটিন ১৪-১৬ শতাংশ যথেষ্ট হয়। ভুট্টা প্রধান খাদ্য হিসেবে দিন। চালের কুঁড়া বেশি পরিমাণে দেওয়া যায়। সয়াবিন মিল কিছুটা কম দিন। সবুজ শাক নিয়মিত দিতে পারেন। পুকুরের খাবার নিজে খুঁজে খায়। শামুক ও ঝিনুক খুঁজে খায়। দিনে ১৫০-১৬০ গ্রাम খাবার দিন। তিনবার খাবার দিলে যথেষ্ট। খরচ কম হয় বড় হাঁসের। স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পুষ্টি দিন। বড় হাঁস রোগ প্রতিরোধী বেশি।
- বড় হাঁস কম যত্ন চায়
- খাবার খুঁজতে পারে নিজে
- পুকুর থাকলে খরচ কম
- শক্ত খাবার সহজে খায়
- রোগ কম হয় বড় হাঁসের
হাঁসের খাদ্যের দাম
হাঁসের খাদ্যের দাম এলাকাভেদে ভিন্ন হয়। ভুট্টার দাম ৩৫-৪০ টাকা কেজি। চালের কুঁড়া ২০-২৫ টাকা কেজি। সয়াবিন মিল ৫০-৬০ টাকা কেজি। মাছের গুঁড়া ৮০-১০০ টাকা কেজি। ঝিনুকের গুঁড়া ১৫-২০ টাকা কেজি। ভিটামিন প্রিমিক্স ৩০০-৪০০ টাকা কেজি। তৈরি খাবার ৪৫-৫৫ টাকা কেজি। নিজে তৈরি করলে খরচ ৩৫-৪০ টাকা। বাজার দাম প্রতি মাসে বদলায়। বাল্ক কিনলে দাম কম পড়ে। মৌসুমে কিছু জিনিস সস্তা হয়। স্থানীয় উপাদান ব্যবহারে খরচ কমে।
হাঁসের খাদ্য কেনার গাইড
হাঁসের খাদ্য কেনার গাইড মেনে চললে লাভজনক। প্রথমে আপনার হাঁসের সংখ্যা হিসাব করুন। প্রতিদিন কত খাবার লাগবে বের করুন। মাসিক প্রয়োজন ক্যালকুলেট করে নিন। স্থানীয় বাজার থেকে দাম জেনে নিন। বিভিন্ন দোকানের দাম তুলনা করুন। একসাথে বেশি কিনলে দাম কম পড়ে। মান যাচাই করে কিনুন সবসময়। মেয়াদ দেখে তারপর কিনুন। পচা বা ভেজা খাবার কিনবেন না। বিশ্বস্ত দোকান থেকে কিনুন নিয়মিত। সংরক্ষণের ব্যবস্থা রেখে কিনুন। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কিনবেন না।
বাজারের হাঁসের খাদ্য
বাজারের হাঁসের খাদ্য বিভিন্ন ধরনের পাওয়া যায়। স্টার্টার ফিড বাচ্চাদের জন্য বিশেষ। গ্রোয়ার ফিড বড় হওয়ার সময় দিতে হয়। লেয়ার ফিড ডিম পাড়া হাঁসের জন্য। ফিনিশার ফিড মাংসের হাঁসের জন্য। বিভিন্ন কোম্পানির খাবার পাওয়া যায়। নাভানা, কাজী ফার্মস, প্যারাগন জনপ্রিয়। দাম ৪৫-৫৫ টাকা কেজি হয়। ৫০ কেজি বস্তায় কিনলে সুবিধা। খাদ্যের মান ভালো থাকে বাজারের। সুষম পুষ্টি থাকে তৈরি খাবারে। নির্দেশনা মেনে খাওয়ানো সহজ। খামারিরা বেশি ব্যবহার করেন।
| খাদ্যের ধরন | বয়স | প্রোটিন (%) | দাম (টাকা/কেজি) |
| স্টার্টার | ০-৪ সপ্তাহ | ২০-২২ | ৫৫-৬০ |
| গ্রোয়ার | ৫-১৬ সপ্তাহ | ১৮-২০ | ৫০-৫৫ |
| লেয়ার | ১৭+ সপ্তাহ | ১৬-১৮ | ৪৫-৫০ |
| ফিনিশার | ৬-১০ সপ্তাহ | ১৮-২০ | ৫০-৫৫ |
হাঁসের খাদ্য বনাম মুরগির খাদ্য
হাঁসের খাদ্য বনাম মুরগির খাদ্য তুলনা করা যায়। হাঁসের খাবারে পানি বেশি লাগে। মুরগির খাবার শুকনো দিতে হয়। হাঁস জলজ খাবার পছন্দ করে। মুরগি স্থলজ খাবার খায় বেশি। হাঁসের প্রোটিন প্রয়োজন কিছুটা কম। মুরগির প্রোটিন ১৮-২০ শতাংশ লাগে। হাঁস সবুজ ঘাস বেশি খায়। মুরগি দানাদার খাবার পছন্দ করে। হাঁসের খাবার সস্তা হয় তুলনামূলক। মুরগির খাবার একটু দামি হয়। দুটোর পুষ্টি উপাদান প্রায় একই। তবে পরিমাণে কিছু তফাত আছে।
- হাঁস কম খরচে পালন করা যায়
- মুরগি দ্রুত বড় হয়
- হাঁস পানি ছাড়া থাকতে পারে না
- মুরগি কম জায়গায় পালা যায়
- দুটোই লাভজনক ব্যবসা
হাঁসের খাদ্যে ভুট্টার ব্যবহার

হাঁসের খাদ্যে ভুট্টার ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। ভুট্টা শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। সাধারণত ৫০-৬০ শতাংশ ভুট্টা দেওয়া হয়। হলুদ ভুট্টা পুষ্টিগুণে ভালো থাকে। ভুট্টা ভেঙে ছোট দানায় দিতে হয়। বাচ্চাদের জন্য গুঁড়া করে দিন। ভুট্টায় শর্করা প্রচুর পরিমাণে থাকে। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স আছে ভুট্টায়। কিছু প্রোটিনও পাওয়া যায় ভুট্টা থেকে। ভুট্টা সংরক্ষণ সহজ ও টেকসই। দাম তুলনামূলক সাশ্রয়ী হয়। হাঁস ভুট্টা খেতে খুব পছন্দ করে।
হাঁসের খাদ্যে চালের কুঁড়া ব্যবহার
হাঁসের খাদ্যে চালের কুঁড়া ব্যবহার খুব জনপ্রিয়। চালের কুঁড়া সবচেয়ে সস্তা উপাদান। সাধারণত ২০-২৫ শতাংশ দেওয়া হয়। ফাইবার ও ভিটামিন বি থাকে প্রচুর। প্রোটিন ১২-১৪ শতাংশ পাওয়া যায়। হজম হয় সহজে ও দ্রুত। স্থানীয় চালকল থেকে পাওয়া যায়। তাজা কুঁড়া বেশি পুষ্টিকর হয়। পুরনো কুঁড়া তেল বের হয়ে যায়। শুকনো জায়গায় রাখতে হবে সবসময়। বেশি দিন রাখলে পচে যায়। মাসে একবার কিনে নিন নতুন। হাঁস চালের কুঁড়া ভালো খায়।
হাঁস মুরগি ও কবুতর পালন সম্পর্কিত আরও পোস্ট দেখতে
👉 হাঁস মুরগি ও কবুতর পালন ক্যাটাগরি দেখুন।
উপসংহার
হাঁসের খাদ্য ব্যবস্থাপনা সফল খামারের মূল চাবিকাঠি। সঠিক খাবার নির্বাচন লাভ বাড়ায় অনেকগুণ। বয়স অনুযায়ী খাবার দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। ঘরে তৈরি খাবার খরচ কমায় উল্লেখযোগ্যভাবে। পুষ্টির ভারসাম্য রক্ষা করা খুব জরুরি। নিয়মিত খাবার দিলে হাঁস সুস্থ থাকে। পরিষ্কার পানি ও তাজা খাবার দিন সবসময়। সঠিক ব্যবস্থাপনায় হাঁস পালন লাভজনক ব্যবসা। এই নিবন্ধের তথ্য অনুসরণ করলে সফলতা আসবে। আপনার হাঁস খামার হবে উৎপাদনশীল ও লাভজনক। শুভকামনা রইল আপনার হাঁস পালনে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)
হাঁস দিনে কতবার খাবার খায়?
বাচ্চা হাঁস দিনে ৪-৫ বার খাবার খায়। বড় হাঁস দিনে ৩ বার খাবার খায়। সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যা খাবার দেওয়া ভালো।
হাঁসের খাদ্য তৈরিতে কী কী লাগে?
ভুট্টা, চালের কুঁড়া, সয়াবিন মিল প্রধান উপাদান। মাছের গুঁড়া, ঝিনুকের গুঁড়া ও ভিটামিন লাগে। এছাড়া লবণ ও খনিজ মিশ্রণ দরকার।
ডিম পাড়া হাঁসের জন্য কোন খাবার ভালো?
ডিম পাড়া হাঁসের জন্য ক্যালসিয়াম বেশি দিতে হয়। ঝিনুকের গুঁড়া ৩-৩.৫ শতাংশ দিন। প্রোটিন ১৬-১৮ শতাংশ রাখুন নিয়মিত।
বাচ্চা হাঁসকে কী খাওয়াবো?
বাচ্চা হাঁসকে স্টার্টার ফিড খাওয়ান। প্রোটিন ২০-২২ শতাংশ রাখুন অবশ্যই। সূক্ষ্ম দানার খাবার দিন প্রথম সপ্তাহে।
হাঁসের খাবার কোথায় কিনবো?
স্থানীয় পশু খাদ্যের দোকানে পাবেন। কৃষি বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির খাবার পাওয়া যায়। অনলাইনেও অর্ডার করতে পারবেন এখন।
হাঁস কি শুধু খাদ্য খেয়ে বাঁচতে পারে?
না, হাঁসের পানি অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন। পানি ছাড়া হাঁস বাঁচতে পারে না। পরিষ্কার পানি সবসময় রাখতে হবে।
হাঁসের খাবার নষ্ট হলে বুঝবো কিভাবে?
খাবার থেকে খারাপ গন্ধ বের হবে। রঙ বদলে যাবে কালচে হয়ে যাবে। ছাতা বা পচন দেখা দিতে পারে।
হাঁস কি মুরগির খাবার খেতে পারে?
হ্যাঁ, খেতে পারে তবে আদর্শ নয়। হাঁসের জন্য বিশেষ খাবার ভালো হয়। পুষ্টির পরিমাণ কিছুটা ভিন্ন হয় দুটোতে।
হাঁসের খাদ্য কত দিন রাখা যায়?
শুকনো জায়গায় ১-২ মাস রাখা যায়। তবে তাজা খাবার বেশি পুষ্টিকর হয়। মাসে একবার নতুন করে তৈরি করুন।
ঘরে তৈরি খাবার কি নিরাপদ?
হ্যাঁ, সম্পূর্ণ নিরাপদ ও পুষ্টিকর হয়। সঠিক পরিমাণ মেনে চললে কোনো সমস্যা নেই। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে।
🔥 পোস্টটি শেয়ার করুনঃ 🌍






