ডেস্কটপ কম্পিউটার: সেরা মডেল, দাম ও ব্যবহারিক গাইড ২০২৫

আপনি কি একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার কিনতে চাইছেন? তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। আজকের এই গাইডে আমরা ডেস্কটপ কম্পিউটার সম্পর্কে সব কিছু জানব। দাম থেকে শুরু করে কেনার টিপস পর্যন্ত সব। চলুন শুরু করা যাক।

👉 এক নজরে প্রবন্ধটির মূল বিষয়বস্তু/সূচিপত্রঃ 📖

ডেস্কটপ কম্পিউটার কি

ডেস্কটপ কম্পিউটার হলো একটি স্থির কম্পিউটার। এটি টেবিলে রেখে ব্যবহার করা হয়। এতে আলাদা মনিটর থাকে। কিবোর্ড এবং মাউসও আলাদা। সিপিইউ বক্সে সব যন্ত্রাংশ থাকে। এটি বাসা এবং অফিসে ব্যবহৃত হয়। ল্যাপটপের চেয়ে এটি বেশি শক্তিশালী। দীর্ঘ সময় কাজ করা যায় এতে। গেমিং এবং ভিডিও এডিটিংয়ে এটি সেরা। আপগ্রেড করা সহজ এই কম্পিউটারে। দামও তুলনামূলকভাবে কম। বাংলাদেশে এটি খুবই জনপ্রিয়। অনেকে কাজের জন্য ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যবহার করেন।

ডেস্কটপ কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হয়। টাওয়ার ডেস্কটপ সবচেয়ে কমন। অল-ইন-ওয়ান ডেস্কটপও জনপ্রিয়। মিনি পিসি ছোট জায়গার জন্য। ওয়ার্কস্টেশন পেশাদার কাজে ব্যবহৃত। প্রতিটি টাইপের আলাদা সুবিধা আছে। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিতে হবে। সঠিক পছন্দ আপনার কাজকে সহজ করবে। তাই ডেস্কটপ কম্পিউটার বোঝা জরুরি।

ডেস্কটপ কম্পিউটারের দাম ২০২৫

ডেস্কটপ কম্পিউটারের দাম ২০২৫ – সর্বশেষ মডেল ও আপডেটেড কম্পিউটার মূল্য

২০২৫ সালে ডেস্কটপ কম্পিউটারের দাম বিভিন্ন হতে পারে। বেসিক মডেল শুরু হয় ২৫ হাজার টাকা থেকে। মিড-রেঞ্জ পিসি পাওয়া যায় ৪০-৬০ হাজারে। হাই-এন্ড কম্পিউটার খরচ হয় লাখ টাকা। দাম নির্ভর করে কনফিগারেশনের উপর। প্রসেসর ভালো হলে দাম বাড়ে। র‍্যাম এবং স্টোরেজও গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাফিক্স কার্ড যুক্ত হলে আরো বেশি খরচ। ব্র্যান্ডেড পিসি একটু দামী হয়। অ্যাসেম্বল পিসি সাশ্রয়ী।

বাজেট অনুযায়ী পছন্দ করুন ডেস্কটপ কম্পিউটার। স্টুডেন্টদের জন্য বেসিক যথেষ্ট। অফিসে মিড-রেঞ্জ ভালো কাজ করে। গেমারদের হাই-এন্ড লাগবে। অনলাইনে দাম তুলনা করুন। অনেক দোকানে অফার পাওয়া যায়। ওয়ারেন্টি দেখে কিনুন। ভালো সার্ভিস সেন্টার আছে কিনা জানুন। বর্তমানে অনেক অপশন আছে বাজারে। তাই সঠিক ডেস্কটপ কম্পিউটারের দাম ২০২৫ জানা জরুরি।

best desktop computer in Bangladesh

বাংলাদেশে অনেক ভালো ডেস্কটপ কম্পিউটার পাওয়া যায়। HP একটি বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড। Dell অফিস কাজে সেরা। Lenovo দামে সাশ্রয়ী। Asus গেমিংয়ে এগিয়ে। Acer মাল্টিমিডিয়া কাজে ভালো। এছাড়া কাস্টম বিল্ট পিসিও জনপ্রিয়। স্থানীয় দোকানে তৈরি করা যায়। যন্ত্রাংশ আলাদা কিনে সাজানো সম্ভব। এতে বাজেট নিয়ন্ত্রণ সহজ।

  • HP Pavilion সিরিজ: অফিস এবং বাসার কাজে চমৎকার
  • Dell Inspiron: নির্ভরযোগ্য এবং দীর্ঘস্থায়ী মডেল
  • Asus ROG: গেমিংয়ের জন্য সেরা পারফরম্যান্স
  • Lenovo ThinkCentre: ব্যবসায়িক ব্যবহারে আদর্শ
  • Custom Built PC: আপনার পছন্দমত কনফিগারেশন

best desktop computer in Bangladesh খুঁজতে রিভিউ দেখুন। ইউটিউবে অনেক ভিডিও আছে। ফেসবুক গ্রুপেও পরামর্শ পাবেন। দোকানে গিয়ে হাতে ধরে দেখুন। সার্ভিস সাপোর্ট ভালো কিনা জানুন। দাম তুলনা করে সিদ্ধান্ত নিন। পছন্দের ব্র্যান্ড বেছে নিন। ভবিষ্যতে আপগ্রেডের সুবিধা রাখুন। নিজের প্রয়োজন মাথায় রাখুন। তাহলে সেরা পিসি পাবেন।

নতুন ডেস্কটপ কম্পিউটার দাম

নতুন ডেস্কটপ কম্পিউটার কিনতে চান? বর্তমানে বাজারে অনেক মডেল এসেছে। এন্ট্রি লেভেল পিসি ২৫-৩৫ হাজার টাকায় পাওয়া যায়। এতে Celeron বা Pentium প্রসেসর থাকে। ৪ জিবি র‍্যাম এবং ৫০০ জিবি স্টোরেজ। বেসিক কাজের জন্য যথেষ্ট। অফিস সফটওয়্যার চালানো যায়। ইন্টারনেট ব্রাউজিং করা যায়। মিড-লেভেল পিসি ৪৫-৭৫ হাজার টাকা। এতে Core i3 বা i5 থাকে। ৮ জিবি র‍্যাম স্ট্যান্ডার্ড। এক টেরাবাইট স্টোরেজ পাওয়া যায়।

প্রিমিয়াম কাটেগরিতে দাম লাখ টাকার বেশি। এতে Core i7 বা i9 প্রসেসর। ১৬-৩২ জিবি র‍্যাম। SSD স্টোরেজ দ্রুত গতির। ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স কার্ড থাকে। ভিডিও এডিটিং চলে দুর্দান্ত। গেমিং পারফরম্যান্স চমৎকার। ৩ডি রেন্ডারিং সহজ হয়। পেশাদার কাজে উপযুক্ত। নতুন ডেস্কটপ কম্পিউটার দাম জানার পর বাজেট ঠিক করুন। প্রয়োজন বুঝে কিনুন।

hp desktop computer price

HP ডেস্কটপ কম্পিউটার খুবই জনপ্রিয়। মান ভালো এবং নির্ভরযোগ্য। বাংলাদেশে অনেক মডেল পাওয়া যায়। HP All-in-One ৪৫ হাজার থেকে শুরু। এতে মনিটরের সাথে সব একসাথে। কম জায়গায় বসে যায়। HP Pavilion Desktop ৫০-৭০ হাজার টাকা। ভালো কনফিগারেশন পাওয়া যায়। মাল্টিমিডিয়া কাজে চমৎকার। HP Elite সিরিজ ৮০ হাজার থেকে বেশি। ব্যবসায়িক ব্যবহারের জন্য তৈরি। সিকিউরিটি ফিচার বেশি থাকে।

  • HP 24-df Series: অল-ইন-ওয়ান, দাম ৪৫-৫৫ হাজার টাকা
  • HP Pavilion Desktop: মিড-রেঞ্জ, দাম ৬০-৭৫ হাজার টাকা
  • HP OMEN Gaming: গেমিং পিসি, দাম ১.২-২ লাখ টাকা
  • HP Elite Desktop: প্রফেশনাল, দাম ৮৫ হাজার-১ লাখ টাকা
  • HP Slim Desktop: কমপ্যাক্ট ডিজাইন, দাম ৫০-৬৫ হাজার টাকা

hp desktop computer price বছরের বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তন হয়। ঈদ এবং বিশেষ অফারে সস্তা পাওয়া যায়। অথরাইজড ডিলার থেকে কিনুন। ওয়ারেন্টি কার্ড অবশ্যই নিন। সার্ভিস সেন্টার কাছে আছে কিনা দেখুন। অনলাইন স্টোরেও HP পাওয়া যায়। দাম তুলনা করে কিনুন। EMI সুবিধাও পাওয়া যায় অনেক জায়গায়।

low budget desktop pc build

কম বাজেটে ডেস্কটপ পিসি বানানো সম্ভব। ২৫-৩৫ হাজার টাকায় ভালো পিসি পাওয়া যায়। প্রথমে প্রসেসর বেছে নিন। Intel Celeron বা Pentium ভালো। AMD Athlon বা Ryzen 3ও বিকল্প। মাদারবোর্ড সাধারণ হলেই হবে। ৪ জিবি র‍্যাম শুরুতে যথেষ্ট। পরে আপগ্রেড করা যাবে। ৫০০ জিবি হার্ড ডিস্ক নিন। SSD পরে যোগ করবেন। পাওয়ার সাপ্লাই ৪০০ ওয়াট ভালো। কেসিং সস্তা নিলেও চলবে।

মনিটর ১৯ ইঞ্চি LED যথেষ্ট। নতুন না হলে সেকেন্ড হ্যান্ড নিন। কিবোর্ড এবং মাউস বেসিক মডেল। পরে ভালো কিনতে পারবেন। গ্রাফিক্স কার্ড এখন লাগবে না। ইন্টিগ্রেটেড গ্রাফিক্স যথেষ্ট। প্রয়োজনে পরে যোগ করুন। স্পিকার সাধারণ নিন। low budget desktop pc build করতে স্থানীয় দোকান ভালো। তারা সব মিলিয়ে দেবে। দাম দরাদরি করতে পারবেন। খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

কম দামে ডেস্কটপ কম্পিউটার

কম দামে ডেস্কটপ কম্পিউটার পাওয়া যায় অনেক জায়গায়। সেকেন্ড হ্যান্ড পিসি একটি অপশন। ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে দেখুন। অনেকে ভালো দামে বিক্রি করে। পুরনো অফিসের পিসি পাওয়া যায়। কন্ডিশন ভালো থাকে সাধারণত। ব্র্যান্ডেড পিসি ১৫-২০ হাজারে মিলবে। চেক করে দেখে কিনুন। ওয়ারেন্টি থাকবে না মনে রাখুন। রিফার্বিশড পিসিও ভালো অপশন। এগুলো মেরামত করে বিক্রি হয়।

পিসি টাইপদাম পরিসীমাঅবস্থাউপযুক্ত কাজ
সেকেন্ড হ্যান্ড১৫-২৫ হাজারব্যবহৃতবেসিক কাজ
রিফার্বিশড২০-৩০ হাজারমেরামতকৃতঅফিস কাজ
নতুন বাজেট২৫-৩৫ হাজারনতুনসব কাজ
কাস্টম বিল্ড২৮-৪০ হাজারনতুনকাস্টমাইজড

কম দামে ডেস্কটপ কম্পিউটার কিনতে অফার খুঁজুন। বছরের শেষে ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়। ঈদ সেলে দাম কমে যায়। পুরনো মডেল সস্তা হয় নতুন মডেল আসলে। অ্যাসেম্বল পিসি কম খরচে বানান। যন্ত্রাংশ আলাদা কিনুন। স্থানীয় টেকনিশিয়ান দিয়ে জুড়ে নিন। সেটাপ চার্জ কম হবে। প্রয়োজনমত কনফিগারেশন বেছে নিন।

অফিসের জন্য ডেস্কটপ কম্পিউটার

অফিসে ডেস্কটপ কম্পিউটার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন অনেক কাজ হয় এতে। ডকুমেন্ট তৈরি করা সহজ। ইমেইল পাঠানো দ্রুত হয়। স্প্রেডশীটে হিসাব রাখা যায়। প্রেজেন্টেশন বানানো সুবিধাজনক। ডেটা স্টোর করা নিরাপদ। অনেক সফটওয়্যার চালানো যায়। একাউন্টিং কাজে অপরিহার্য। ডিজাইন কাজেও ব্যবহৃত হয়। ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে কাজে লাগে। রিপোর্ট তৈরিতে সাহায্য করে।

অফিসের জন্য ডেস্কটপ কম্পিউটার বেছে নেওয়ার কিছু টিপস আছে। প্রথমত নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ড নিন। Dell এবং HP ভালো পছন্দ। দ্বিতীয়ত ভালো ওয়ারেন্টি দেখুন। অন্তত ৩ বছর থাকা ভালো। তৃতীয়ত আপগ্রেড সুবিধা রাখুন। ভবিষ্যতে র‍্যাম বাড়ানো যাবে। চতুর্থত এনার্জি এফিশিয়েন্ট মডেল নিন। বিদ্যুৎ বিল কম আসবে। সিকিউরিটি ফিচার থাকা জরুরি। ডেটা লস এড়ানো যাবে।

desktop computer configuration list

ডেস্কটপ কম্পিউটারের কনফিগারেশন বোঝা জরুরি। বিভিন্ন যন্ত্রাংশ মিলে পিসি তৈরি হয়। প্রসেসর হলো মস্তিষ্ক। এটি সব হিসাব করে। Intel বা AMD দুটোই ভালো। মাদারবোর্ড সব সংযুক্ত রাখে। এতে সব পোর্ট থাকে। র‍্যাম অস্থায়ী মেমোরি। বেশি র‍্যাম মানে দ্রুত গতি। স্টোরেজ ফাইল রাখার জায়গা। HDD এবং SSD দুই ধরনের। গ্রাফিক্স কার্ড ছবি দেখায়। গেমিংয়ে খুব দরকারি।

পাওয়ার সাপ্লাই ইলেকট্রিসিটি দেয়। ভালো PSU লম্বা সময় চলে। কেসিং সব ধরে রাখে। বড় কেসিংয়ে ঠান্ডা থাকে। মনিটর দেখার পর্দা। বড় মনিটরে কাজ আরামদায়ক। কিবোর্ড এবং মাউস ইনপুট দেয়। ভালো কোয়ালিটি স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক। স্পিকার আওয়াজের জন্য। desktop computer configuration list জানলে সঠিক পিসি বানাতে পারবেন। প্রতিটি অংশের কাজ বুঝুন। তাহলে ভুল হবে না।

  • প্রসেসর (CPU): Intel Core i3/i5 বা AMD Ryzen 3/5
  • মাদারবোর্ড: H410/B450 চিপসেট যুক্ত
  • র‍্যাম (RAM): ৮-১৬ জিবি DDR4
  • স্টোরেজ: ২৫৬ জিবি SSD + ১ টেরাবাইট HDD
  • গ্রাফিক্স: ইন্টিগ্রেটেড বা GTX 1650
  • পাওয়ার সাপ্লাই: ৪৫০-৬০০ ওয়াট
  • কেসিং: মিড টাওয়ার ATX
  • মনিটর: ২২ ইঞ্চি Full HD LED

ডেস্কটপ কম্পিউটারের অংশ ও কাজ

ডেস্কটপ কম্পিউটার অনেক অংশের সমন্বয়। প্রতিটি অংশের নিজস্ব কাজ আছে। সিপিইউ বা প্রসেসর সব হিসাব করে। এটি প্রতি সেকেন্ডে লাখ নির্দেশ পালন করে। মাদারবোর্ড সব অংশ সংযুক্ত করে। এতে BIOS সফটওয়্যার থাকে। র‍্যাম চলমান প্রোগ্রাম ধরে রাখে। বন্ধ করলে ডেটা মুছে যায়। হার্ড ডিস্ক স্থায়ী সংরক্ষণ করে। ফাইল এবং সফটওয়্যার রাখে। SSD আরো দ্রুত কাজ করে।

গ্রাফিক্স কার্ড ভিজুয়াল তৈরি করে। মনিটরে ছবি পাঠায়। পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। সব যন্ত্রাংশে সঠিক ভোল্টেজ দেয়। কুলিং ফ্যান গরম কমায়। তাপ বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। সাউন্ড কার্ড অডিও প্রসেস করে। স্পিকারে আওয়াজ পাঠায়। নেটওয়ার্ক কার্ড ইন্টারনেট সংযোগ দেয়। ডেস্কটপ কম্পিউটারের অংশ ও কাজ জানলে সমস্যা সমাধান সহজ হয়। কোনো অংশ খারাপ হলে শুধু সেটা বদলান।

ডেস্কটপ বনাম ল্যাপটপ তুলনা

ডেস্কটপ এবং ল্যাপটপ দুটোই কম্পিউটার। তবে পার্থক্য অনেক আছে। ডেস্কটপ একটি স্থানে থাকে। সহজে বহন করা যায় না। ল্যাপটপ বহনযোগ্য। যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারবেন। ডেস্কটপ বেশি শক্তিশালী। একই দামে বেটার পারফরম্যান্স পাবেন। ল্যাপটপ কম জায়গা নেয়। ব্যাগে ভরে নিতে পারবেন। ডেস্কটপ আপগ্রেড সহজ। যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করা যায়। ল্যাপটপে আপগ্রেড সীমিত।

বৈশিষ্ট্যডেস্কটপ কম্পিউটারল্যাপটপ
বহনযোগ্যতাকম, স্থিরবেশি, সহজে বহন
পারফরম্যান্সবেশি শক্তিশালীতুলনামূলক কম
দামসাশ্রয়ীএকটু বেশি
আপগ্রেডসহজকঠিন
স্ক্রীন সাইজবড় মনিটর১৩-১৭ ইঞ্চ
ব্যাটারিবিদ্যুৎ লাগেব্যাটারি ব্যাকআপ

ডেস্কটপ বনাম ল্যাপটপ তুলনা করলে দেখা যায় উভয়ের সুবিধা আছে। ডেস্কটপ দীর্ঘ সময় কাজের জন্য। অফিস এবং গেমিংয়ে সেরা। ল্যাপটপ ভ্রমণকারীদের জন্য। স্টুডেন্টরা ক্লাসে নিয়ে যেতে পারে। ডেস্কটপের মেরামত সস্তা। ল্যাপটপ মেরামত ব্যয়বহুল। আপনার জীবনধারা অনুযায়ী বেছে নিন। উভয়ের ব্যবহার আলাদা।

gaming desktop price in Bangladesh

gaming desktop price in Bangladesh – best gaming pc price 2025

গেমিং ডেস্কটপ বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয়। তরুণদের মধ্যে চাহিদা বেশি। এন্ট্রি লেভেল গেমিং পিসি ৬০-৮০ হাজার টাকা। এতে GTX 1650 গ্রাফিক্স কার্ড থাকে। Core i5 বা Ryzen 5 প্রসেসর। ৮ জিবি র‍্যাম স্ট্যান্ডার্ড। মাঝারি সেটিংসে গেম চলে। মিড-রেঞ্জ গেমিং পিসি ১-১.৫ লাখ টাকা। RTX 3060 বা RX 6600 গ্রাফিক্স। ১৬ জিবি র‍্যাম পাওয়া যায়। হাই সেটিংসে গেম খেলা যায়। প্রিমিয়াম গেমিং রিগ ২-৩ লাখ টাকা। RTX 4070 বা উপরের কার্ড। ৩২ জিবি র‍্যাম থাকে।

RGB লাইটিং এবং কুলিং সিস্টেম আছে। সব গেম আল্ট্রা সেটিংসে চলে। ৪K রেজোলিউশনে গেম খেলা যায়। gaming desktop price in Bangladesh জানার পর বাজেট ঠিক করুন। কোন গেম খেলবেন তা ভাবুন। Esports গেমে কম দামের পিসি চলে। AAA গেমে ভালো কনফিগারেশন লাগে। ফিউচার প্রুফ পিসি বানান। পরে আপগ্রেড করতে পারবেন। স্থানীয় গেমিং শপে যান। তারা ভালো পরামর্শ দেবে। অনলাইনেও অর্ডার করা যায়।

core i5 desktop computer price

Core i5 প্রসেসর খুবই জনপ্রিয়। বেশিরভাগ কাজের জন্য যথেষ্ট। অফিস থেকে গেমিং সব চলে। বাংলাদেশে Core i5 ডেস্কটপ কম্পিউটার পাওয়া যায় সহজে। ১০ম জেনারেশন Core i5 পিসি ৪৫-৫৫ হাজার টাকা। ১১তম জেনারেশন ৫০-৬৫ হাজার টাকা। ১২তম এবং ১৩তম জেনারেশন ৬৫-৮৫ হাজার টাকা। নতুন জেনারেশন বেশি দ্রুত। বিদ্যুৎ খরচও কম হয়। ব্র্যান্ডেড পিসিতে দাম একটু বেশি। HP এবং Dell Core i5 মডেল ভালো।

কাস্টম বিল্ট Core i5 পিসি সাশ্রয়ী। আপনার পছন্দমত বানাতে পারবেন। ৮ জিবি র‍্যাম সহ ৫০ হাজার টাকায় মিলবে। ১৬ জিবি র‍্যাম হলে ৬০ হাজার টাকা। SSD যোগ করলে আরো ৮-১০ হাজার। গ্রাফিক্স কার্ড দিলে দাম বাড়বে। core i5 desktop computer price মাঝারি বাজেটে পারফেক্ট। স্টুডেন্ট এবং প্রফেশনালদের জন্য আদর্শ। ভিডিও এডিটিং চলে ভালো। প্রোগ্রামিং কাজেও উপযুক্ত। দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা যায়। ভবিষ্যতেও কাজে লাগবে।

  • Core i5 10th Gen: বেসিক কাজের জন্য, দাম ৪৫-৫৫ হাজার
  • Core i5 11th Gen: মাল্টিটাস্কিং, দাম ৫০-৬৫ হাজার
  • Core i5 12th Gen: হাইব্রিড আর্কিটেকচার, দাম ৬৫-৮০ হাজার
  • Core i5 13th Gen: সর্বশেষ প্রযুক্তি, দাম ৭৫-৮৫ হাজার
  • Core i5 with Graphics: গেমিং সহ, দাম ৮৫ হাজার-১ লাখ

ডেস্কটপ কম্পিউটার কেনার গাইড

ডেস্কটপ কম্পিউটার কেনা একটি বড় সিদ্ধান্ত। সঠিক পিসি বেছে নেওয়া জরুরি। প্রথমে আপনার প্রয়োজন চিহ্নিত করুন। কোন কাজে ব্যবহার করবেন তা ঠিক করুন। অফিস কাজ নাকি গেমিং। ডিজাইন নাকি প্রোগ্রামিং। প্রয়োজন বুঝলে সিদ্ধান্ত সহজ। দ্বিতীয়ত বাজেট নির্ধারণ করুন। কত খরচ করতে পারবেন জানুন। বাজেটের মধ্যে সেরা খুঁজুন। তৃতীয়ত ব্র্যান্ড নির্বাচন করুন। বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড বেছে নিন।

চতুর্থত কনফিগারেশন দেখুন। প্রসেসর কত শক্তিশালী। র‍্যাম কতটা আছে। স্টোরেজ যথেষ্ট কিনা। গ্রাফিক্স কার্ড দরকার কিনা। পঞ্চমত ওয়ারেন্টি চেক করুন। কমপক্ষে ১ বছর থাকা চাই। ৩ বছর হলে আরো ভালো। ষষ্ঠত সার্ভিস সেন্টার খুঁজুন। কাছাকাছি আছে কিনা দেখুন। সপ্তমত রিভিউ পড়ুন। অন্যরা কী বলছে জানুন। ডেস্কটপ কম্পিউটার কেনার গাইড মেনে চললে ভুল হবে না। সময় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিন।

branded desktop pc price 2025

ব্র্যান্ডেড ডেস্কটপ পিসি বিশ্বস্ত এবং নির্ভরযোগ্য। ২০২৫ সালে বাজারে অনেক অপশন আছে। HP ব্র্যান্ডের দাম শুরু ৪৫ হাজার থেকে। বেসিক মডেল অফিস কাজে ভালো। প্রিমিয়াম মডেল ১.৫ লাখ পর্যন্ত। Dell ডেস্কটপ ৫০ হাজার থেকে শুরু। Inspiron সিরিজ জনপ্রিয়। Alienware গেমিং মডেল ২ লাখের উপরে। Lenovo পিসি ৪০ হাজার থেকে পাওয়া যায়। ThinkCentre ব্যবসায়িক ব্যবহারে ভালো। Asus ডেস্কটপ ৪৮ হাজার থেকে শুরু।

Acer ব্র্যান্ড সাশ্রয়ী দামে পাওয়া যায়। ৩৮ হাজার টাকায় বেসিক মডেল। Apple iMac প্রিমিয়াম কাটেগরি। ২ লাখ টাকার উপরে দাম। ডিজাইনারদের পছন্দ। branded desktop pc price 2025 তুলনা করে দেখুন। প্রতিটি ব্র্যান্ডের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য আছে। HP সার্ভিস ভালো দেয়। Dell টেকসই এবং দীর্ঘস্থায়ী। Lenovo ব্যবসায়িক ফিচার বেশি। Asus গেমিংয়ে এগিয়ে। Acer বাজেটে সেরা।

ব্র্যান্ডমডেল উদাহরণদাম পরিসীমাবিশেষত্ব
HPPavilion/Elite৪৫-১.৫ লাখসর্বাত্মক ব্যবহার
DellInspiron/XPS৫০-২ লাখবিজনেস ও হাই-এন্ড
LenovoIdeaCentre৪০-১.২ লাখনির্ভরযোগ্য
AsusVivoPC/ROG৪৮-২.৫ লাখগেমিং ফোকাস
AcerAspire৩৮-৯০ হাজারবাজেট ফ্রেন্ডলি

ডেস্কটপ কম্পিউটারের ইতিহাস ও ব্যবহার

ডেস্কটপ কম্পিউটারের ইতিহাস অনেক পুরনো। ১৯৭০ এর দশকে শুরু হয়। প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার Altair 8800। ১৯৭৭ সালে Apple II আসে। তখন থেকে জনপ্রিয় হতে শুরু। ১৯৮১ সালে IBM PC চালু হয়। ব্যবসায়িক ব্যবহার বেড়ে যায়। ১৯৮০ এর দশকে উইন্ডোজ আসে। কম্পিউটার সহজ হয়ে যায়। ১৯৯০ এর দশকে ইন্টারনেট যুক্ত হয়। তখন থেকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে ২০০০ সালের দিকে জনপ্রিয় হয়।

আজকাল ডেস্কটপ কম্পিউটার সব জায়গায়। অফিসে প্রতিটি ডেস্কে আছে। স্কুল এবং কলেজে ব্যবহৃত হয়। ব্যাংক এবং হাসপাতালে অপরিহার্য। ডিজাইন স্টুডিওতে মূল হাতিয়ার। গেমিং ক্যাফেতে দেখা যায়। বাসায় পড়াশোনায় কাজে লাগে। ব্যবসায় হিসাব রাখতে সাহায্য করে। ডেস্কটপ কম্পিউটারের ইতিহাস ও ব্যবহার জানলে এর গুরুত্ব বোঝা যায়। প্রযুক্তি এগিয়ে নিয়ে গেছে এই যন্ত্র। আজও এর চাহিদা কমেনি।

best budget desktop computer for students

স্টুডেন্টদের জন্য বাজেট পিসি খুবই দরকারি। পড়াশোনায় অনেক সাহায্য করে। অনলাইন ক্লাস করা যায়। অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি সহজ হয়। রিসার্চ কাজে কাজে লাগে। প্রেজেন্টেশন বানানো যায়। ২৫-৪০ হাজার টাকায় ভালো পিসি পাওয়া যায়। Celeron বা Pentium প্রসেসর যথেষ্ট। ৪-৮ জিবি র‍্যাম চলবে। ৫০০ জিবি স্টোরেজ দরকার। বেসিক মনিটর দিয়ে কাজ হবে। Lenovo এবং HP ভালো অপশন।

  • Lenovo IdeaCentre 3: স্টুডেন্ট ফ্রেন্ডলি, দাম ৩৫-৪৫ হাজার
  • HP Slim Desktop: কমপ্যাক্ট ডিজাইন, দাম ৩৮-৪৮ হাজার
  • Custom Budget Build: নিজের পছন্দমত, দাম ২৮-৪০ হাজার
  • Acer Aspire TC: সাশ্রয়ী দাম, দাম ৩২-৪২ হাজার
  • Dell Inspiron Small: ছোট সাইজ, দাম ৪০-৫০ হাজার

best budget desktop computer for students খুঁজতে অফার দেখুন। শিক্ষার্থী ছাড়ের কথা জিজ্ঞাসা করুন। অনেক দোকানে ডিসকাউন্ট দেয়। সেকেন্ড হ্যান্ডও বিবেচনা করুন। ভালো কন্ডিশনে পেলে কিনতে পারেন। EMI সুবিধা নিতে পারেন। মাসে মাসে পরিশোধ সহজ। প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ফ্রি ইনস্টল করুন। Microsoft Office Student Version পাওয়া যায়। এভাবে খরচ কমান।

ডেস্কটপ কম্পিউটার সেটআপ করার নিয়ম

ডেস্কটপ কম্পিউটার সেটআপ করা সহজ। প্রথমে সব যন্ত্রাংশ বের করুন। মনিটর টেবিলে রাখুন। সিপিইউ বক্স নিচে বা পাশে রাখুন। পাওয়ার কেবল সিপিইউতে লাগান। মনিটরের কেবলও যুক্ত করুন। HDMI বা VGA যেটা আছে। কিবোর্ড এবং মাউস পোর্টে লাগান। USB পোর্ট ব্যবহার করুন। স্পিকার বা হেডফোন অডিও পোর্টে। সব কেবল চেক করুন ভালো করে। ঢিলা থাকলে ঠিক করুন।

এরপর পাওয়ার অন করুন। সিপিইউ এবং মনিটর দুটোই। প্রথম চালু হতে সময় লাগবে। BIOS স্ক্রীন দেখা যাবে। তারপর অপারেটিং সিস্টেম লোড হবে। উইন্ডোজ ইনস্টল করুন প্রয়োজনে। ড্রাইভার ইনস্টল করুন সব। ইন্টারনেট কানেকশন দিন। ওয়াইফাই বা LAN কেবল দিয়ে। আপডেট চেক করুন। প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল করুন। ডেস্কটপ কম্পিউটার সেটআপ করার নিয়ম মেনে চললে সমস্যা হবে না। ম্যানুয়াল দেখে নিতে পারেন। ইউটিউবে ভিডিও আছে।

desktop accessories price in Bangladesh

ডেস্কটপ কম্পিউটারের সাথে অনেক এক্সেসরিজ লাগে। কিবোর্ড সবচেয়ে জরুরি। বেসিক কিবোর্ড ৩০০-৮০০ টাকা। মেকানিক্যাল কিবোর্ড ২-৮ হাজার টাকা। মাউস দরকার হয় সব সময়। সাধারণ মাউস ২০০-৬০০ টাকা। গেমিং মাউস ২-৫ হাজার টাকা। মাউস পেড ১৫০-১০০০ টাকা। মনিটর স্ট্যান্ড ৫০০-৩০০০ টাকা। এতে ঘাড় ব্যথা কমে। ওয়েবক্যাম ১৫০০-৮০০০ টাকা। অনলাইন মিটিংয়ে দরকার। হেডফোন ৫০০-১৫ হাজার টাকা।

স্পিকার সিস্টেম ১০০০-২০ হাজার টাকা। পাওয়ার ব্যাকআপ UPS ৩-১৫ হাজার টাকা। বিদ্যুৎ চলে গেলে কাজে লাগে। প্রিন্টার ৮-৫০ হাজার টাকা। ডকুমেন্ট প্রিন্ট করতে দরকার। এক্সটার্নাল হার্ড ড্রাইভ ৩-১০ হাজার টাকা। ব্যাকআপ রাখার জন্য। USB হাব ৩০০-২০০০ টাকা। বেশি পোর্ট পেতে। desktop accessories price in Bangladesh জেনে বাজেট করুন। প্রয়োজনীয় জিনিস প্রথমে কিনুন। বাকি পরে কিনতে পারবেন। সব একসাথে কিনলে খরচ বেশি।

এক্সেসরিদাম পরিসীমাব্যবহারজরুরি মাত্রা
কিবোর্ড৩০০-৮০০০ টাকাটাইপিংঅত্যন্ত জরুরি
মাউস২০০-৫০০০ টাকানেভিগেশনঅত্যন্ত জরুরি
ওয়েবক্যাম১৫০০-৮০০০ টাকাভিডিও কলমাঝারি
হেডফোন৫০০-১৫০০০ টাকাঅডিওমাঝারি
UPS৩০০০-১৫০০০ টাকাব্যাকআপজরুরি
প্রিন্টার৮০০০-৫০০০০ টাকাপ্রিন্টকম জরুরি

ডেস্কটপ কম্পিউটার কোথায় পাওয়া যায়

বাংলাদেশে ডেস্কটপ কম্পিউটার অনেক জায়গায় পাওয়া যায়। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় দোকান আছে। নিউ মার্কেট কম্পিউটারের জন্য বিখ্যাত। অনেক দোকান এক জায়গায়। দাম তুলনা করা সহজ। যন্ত্রপাটি বাজার পুরনো দোকান। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা আছে। বঙ্গবাজার এলাকায়ও দোকান আছে। আইডিবি ভবন কম্পিউটার মার্কেট জনপ্রিয়। গুলশান এবং বনানীতে শোরুম আছে। চট্টগ্রামের কদমতলীতে পাওয়া যায়। সিলেট এবং রাজশাহীতেও দোকান আছে।

অনলাইনে অর্ডার করা যায় সহজে। Daraz Bangladesh বড় মার্কেটপ্লেস। এখানে সব ব্র্যান্ড পাওয়া যায়। Ryans Computers অনলাইন স্টোর। কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ দোকান। Star Tech অনেক মডেল রাখে। শোরুমও আছে অনেক জায়গায়। Tech Land Bangladesh নতুন শপ। ভালো সার্ভিস দেয়। ফেসবুক মার্কেটপ্লেসেও পাওয়া যায়। ডেস্কটপ কম্পিউটার কোথায় পাওয়া যায় জানার পর যান। দাম তুলনা করুন। ওয়ারেন্টি এবং সার্ভিস জিজ্ঞাসা করুন।

আধুনিক যুগে ডেস্কটপ কম্পিউটার আমাদের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি শিক্ষা, কাজ এবং বিনোদনের জন্য অপরিহার্য। তাই ডেস্কটপ কম্পিউটার সম্পর্কে বিস্তারিত জানা প্রয়োজন। আজকের নিবন্ধে ডেস্কটপ কম্পিউটারের সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।

একটি আদর্শ ডেস্কটপ কম্পিউটার বিভিন্ন উপাদান নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে রয়েছে প্রসেসর, র‍্যাম, হার্ড ডিস্ক, গ্রাফিক্স কার্ড। প্রতিটি অংশের নিজস্ব কাজ রয়েছে। সবগুলো মিলে একটি পূর্ণাঙ্গ সিস্টেম তৈরি করে।

ডেস্কটপ কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ

নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণে ডেস্কটপ কম্পিউটার দীর্ঘদিন ভাল থাকে। প্রতি সপ্তাহে কেসিং পরিষ্কার করুন। ধুলো জমলে কম্পিউটার গরম হয়। ফ্যান ঠিকমতো কাজ করে কিনা দেখুন।

হার্ড ডিস্ক নিয়মিত ক্লিন করুন। অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে ফেলুন। ডিফ্র্যাগ চালান। সিস্টেম আপডেট করতে ভুলবেন না। নতুন সফটওয়্যার ইনস্টল করার সময় সাবধান থাকুন।

ভাইরাস স্ক্যান নিয়মিত করুন। পাওয়ার সাপ্লাইয়ের সংযোগ পরীক্ষা করুন। কম্পিউটার বন্ধ করার আগে সব প্রোগ্রাম বন্ধ করুন। এতে সিস্টেম দীর্ঘস্থায়ী হয়।

ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কম্পিউটার

ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে ভাল ডেস্কটপ কম্পিউটার চাই। ওয়েব ডিজাইন, প্রোগ্রামিং, কনটেন্ট রাইটিং সব কাজেই দরকার। দীর্ঘসময় কাজ করতে হয়। তাই আরামদায়ক সেটআপ প্রয়োজন।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য শক্তিশালী গ্রাফিক্স কার্ড লাগে। ভিডিও এডিটিংয়ে বেশি র‍্যাম প্রয়োজন। ডেটা এন্ট্রি কাজে দ্রুত টাইপিং সুবিধা থাকতে হবে।

অনলাইনে কাজ করার জন্য স্থিতিশীল ইন্টারনেট দরকার। ব্যাকআপ সিস্টেম রাখুন। কাজের ফাইল নিরাপদ রাখা জরুরি। ক্লায়েন্টের সাথে ভিডিও কল করার জন্য ভাল ক্যামেরা লাগে।

ডেস্কটপ কম্পিউটার আপগ্রেড

সময়ের সাথে ডেস্কটপ কম্পিউটার আপগ্রেড করা যায়। এটি ল্যাপটপের চেয়ে বড় সুবিধা। র‍্যাম বাড়ানো সহজ। হার্ড ডিস্ক পরিবর্তন সম্ভব। গ্রাফিক্স কার্ড পরিবর্তন করা যায়।

প্রসেসর আপগ্রেড জটিল কাজ। মাদারবোর্ডের সাপোর্ট দেখতে হবে। নতুন প্রসেসর লাগালে কুলিং সিস্টেম পরীক্ষা করুন। পাওয়ার সাপ্লাই যথেষ্ট কিনা নিশ্চিত করুন।

আপগ্রেডের আগে বাজেট ঠিক করুন। কোন অংশ বেশি প্রয়োজন বুঝুন। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ভুল সিদ্ধান্ত অর্থ নষ্টের কারণ হয়। ধীরে ধীরে আপগ্রেড করাই ভাল।

ব্র্যান্ডেড বনাম অ্যাসেম্বেল্ড ডেস্কটপ

ব্র্যান্ডেড ডেস্কটপ কিনলে ওয়ারেন্টি পাবেন। কোম্পানির সাপোর্ট সেবা পাওয়া যায়। তবে দাম বেশি পড়ে। কাস্টমাইজেশনের সুযোগ কম।

অ্যাসেম্বেল্ড ডেস্কটপ সাশ্রয়ী। নিজের পছন্দমত কনফিগারেশন বানানো যায়। প্রতিটি যন্ত্রাংশ আলাদা কিনতে হয়। নিজেকে জোড়া লাগাতে হয়।

নতুন ব্যবহারকারীদের ব্র্যান্ডেড ভাল। অভিজ্ঞরা অ্যাসেম্বেল্ড বেছে নেন। বাজেট অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিন। দোকানদারের পরামর্শ শুনুন।

প্রযুক্তিগত জ্ঞান থাকলে অ্যাসেম্বেল্ড ভাল। সমস্যা সমাধানে দক্ষ হতে হবে। রক্ষণাবেক্ষণে বেশি সময় লাগে। তবে দীর্ঘমেয়াদে সাশ্রয়ী।

ডেস্কটপ কম্পিউটারে সফটওয়্যার ইনস্টল

সফটওয়্যার ইনস্টলের আগে সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট দেখুন। আপনার ডেস্কটপ কম্পিউটার সাপোর্ট করে কিনা নিশ্চিত করুন। অরিজিনাল সাইট থেকে ডাউনলোড করুন। ভাইরাসের ঝুঁকি এড়ান।

ইনস্টলের সময় অপশন গুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। অদরকারী প্রোগ্রাম আনচেক করুন। সিস্টেম রিস্টার্ট প্রয়োজন হতে পারে। ইনস্টলেশন সম্পন্ন হওয়ার পর টেস্ট করুন।

নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট করুন। নিরাপত্তার জন্য এটি জরুরি। পুরনো ভার্সন হ্যাকারদের টার্গেট হয়। অটো আপডেট চালু রাখুন।

লাইসেন্স সফটওয়্যার ব্যবহার করুন। পাইরেসি এড়িয়ে চলুন। ফ্রি অল্টারনেটিভ খুঁজুন। ওপেন সোর্স সফটওয়্যার ভাল বিকল্প।

ডেস্কটপ কম্পিউটার ট্রাবলশুটিং

কম্পিউটার চালু না হলে প্রথমে পাওয়ার সংযোগ দেখুন। সব ক্যাবল ঠিকমত লাগানো কিনা পরীক্ষা করুন। মনিটর আলাদাভাবে অন করুন। কিবোর্ড মাউস সংযোগ পরীক্ষা করুন।

ধীরগতির সমস্যা হলে র‍্যাম পরীক্ষা করুন। হার্ড ডিস্কে জায়গা আছে কিনা দেখুন। অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম আনইনস্টল করুন। ভাইরাস স্ক্যান চালান।

নীল পর্দার সমস্যা গুরুতর। হার্ডওয়্যার ত্রুটি থাকতে পারে। মেমরি টেস্ট করুন। হার্ড ডিস্ক চেক করুন। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ সহায়তা নিন।

নেটওয়ার্ক সমস্যা হলে রাউটার রিস্টার্ট করুন। ক্যাবল সংযোগ পরীক্ষা করুন। নেটওয়ার্ক ড্রাইভার আপডেট করুন। ISP এর সাথে যোগাযোগ করুন।

হাই কনফিগারেশন ডেস্কটপ কম্পিউটার

গেমিং এর জন্য হাই কনফিগারেশন ডেস্কটপ কম্পিউটার প্রয়োজন। শক্তিশালী প্রসেসর লাগবে। ভাল গ্রাফিক্স কার্ড অপরিহার্য। পর্যাপ্ত র‍্যাম রাখতে হবে।

ত্রিডি রেন্ডারিংয়ে প্রফেশনাল গ্রাফিক্স কার্ড লাগে। সার্ভার গ্রেড প্রসেসর ব্যবহার করা যেতে পারে। ECC র‍্যাম স্থিতিশীলতা বাড়ায়। ডুয়াল পাওয়ার সাপ্লাই নিরাপত্তা দেয়।

বাজেট অনেক বেশি হবে। ভবিষ্যতের প্রয়োজন চিন্তা করুন। ধাপে ধাপে আপগ্রেড পরিকল্পনা করুন। অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিন।

সাশ্রয়ী দামের ডেস্কটপ কম্পিউটার

কম বাজেটে ভাল ডেস্কটপ কম্পিউটার পাওয়া সম্ভব। প্রাথমিক কাজের জন্য বেসিক কনফিগারেশন যথেষ্ট। অফিস কাজ, ইন্টারনেট ব্রাউজিং সহজ। বাড়তি ফিচার এড়ান।

পুরনো মডেলের প্রসেসর সাশ্রয়ী। কম র‍্যাম দিয়ে শুরু করুন। পরে আপগ্রেড করবেন। অনবোর্ড গ্রাফিক্স দিয়ে কাজ চালান।

সেকেন্ড হ্যান্ড যন্ত্রাংশ বিবেচনা করুন। তবে ওয়ারেন্টি পরীক্ষা করুন। রিফার্বিশড কম্পিউটার দেখতে পারেন। সতর্কতার সাথে কিনুন।

লোকাল অ্যাসেম্বলার থেকে কিনুন। দাম দরাদরি করুন। প্যাকেজ ডিল খোঁজ করুন। মনিটর, কিবোর্ড, মাউস একসাথে কিনলে ছাড় পাবেন।

ডেস্কটপ কম্পিউটার কেনার সময় কি দেখবেন

প্রথমে আপনার প্রয়োজন বুঝুন। কি কাজে ব্যবহার করবেন সেটা ঠিক করুন। বাজেট নির্ধারণ করুন। অতিরিক্ত খরচ এড়ান।

প্রসেসরের গতি দেখুন। কোর সংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ। র‍্যামের পরিমাণ চেক করুন। হার্ড ডিস্কের ধরন নির্বাচন করুন। SSD দ্রুততর কিন্তু ব্যয়বহুল।

ওয়ারেন্টি শর্তাবলী পড়ুন। সার্ভিস সেন্টারের অবস্থান জানুন। আফটার সেল সাপোর্ট নিশ্চিত করুন। ব্র্যান্ডের খ্যাতি যাচাই করুন।

ডেস্কটপ কম্পিউটার নিরাপত্তা টিপস

ডেস্কটপ কম্পিউটারের নিরাপত্তা অগ্রাধিকার। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। নিয়মিত পরিবর্তন করুন। ব্যক্তিগত তথ্য সাশ্রয় রাখুন।

অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইনস্টল করুন। রিয়েল টাইম প্রটেকশন চালু রাখুন। নিয়মিত স্ক্যান করুন। সন্দেহজনক ফাইল ডাউনলোড এড়ান।

ফায়ারওয়াল সেটিংস চেক করুন। অপরিচিত নেটওয়ার্ক এড়ান। পাবলিক WiFi ব্যবহারে সতর্ক থাকুন। VPN ব্যবহার করুন।

গুরুত্বপূর্ণ ডেটার বাহ্যিক ব্যাকআপ রাখুন। ক্লাউড স্টোরেজ ব্যবহার করুন। এনক্রিপশন ব্যবহার করুন। ফিশিং ইমেইল এড়ান। সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক করবেন না।

ঘরোয়া ব্যবহার উপযোগী কম্পিউটার

বাড়িতে ব্যবহারের জন্য সাধারণ কনফিগারেশনের ডেস্কটপ কম্পিউটার যথেষ্ট। ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ভিডিও দেখা, মিউজিক শোনা প্রাথমিক কাজ। সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার সহজ।

পারিবারিক ছবি, ভিডিও সংরক্ষণ করা যায়। ডকুমেন্ট তৈরি করা সম্ভব। বাচ্চাদের পড়াশোনায় সাহায্য করে। অনলাইন শপিং, ব্যাংকিং সুবিধাজনক।

মাল্টিমিডিয়া ফিচার গুরুত্বপূর্ণ। ভাল স্পিকার সিস্টেম লাগে। DVD প্লেয়ার থাকা ভাল। কার্ড রিডার প্রয়োজনীয়। বিভিন্ন পোর্ট সুবিধা দেয়।

বাজেট কম রাখা যায়। হাই এন্ড কনফিগারেশন অপ্রয়োজনীয়। নিয়মিত আপডেট করুন। পরিবারের সবাই ব্যবহার করতে পারবে। সহজ ইন্টারফেস রাখুন।

উপসংহার

ডেস্কটপ কম্পিউটার আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কাজ থেকে শুরু করে বিনোদন পর্যন্ত সব। সঠিক পিসি বেছে নেওয়া জরুরি। আপনার প্রয়োজন এবং বাজেট বুঝে কিনুন। ব্র্যান্ডেড অথবা কাস্টম বিল্ট দুটোই ভালো। প্রতিটির নিজস্ব সুবিধা আছে। অফিসের কাজে মিড-রেঞ্জ পিসি যথেষ্ট। গেমিংয়ে হাই-এন্ড কনফিগারেশন দরকার। স্টুডেন্টরা বাজেট পিসি নিতে পারে। এক্সেসরিজ ধীরে ধীরে কিনুন। সেটআপ করা খুব কঠিন নয়।

বাজারে অনেক অপশন আছে এখন। অনলাইন এবং অফলাইন দুই জায়গায় পাওয়া যায়। দাম তুলনা করে সিদ্ধান্ত নিন। ওয়ারেন্টি এবং সার্ভিস গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৫ সালে প্রযুক্তি আরো এগিয়েছে। নতুন প্রসেসর বেশি শক্তিশালী। দাম ধীরে ধীরে সাশ্রয়ী হচ্ছে। এখনই সঠিক সময় নতুন ডেস্কটপ কম্পিউটার কেনার। আশা করি এই গাইড সাহায্য করবে। সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। ডেস্কটপ কম্পিউটার নিয়ে আর কোনো চিন্তা নেই।

এই পোস্টটি সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে: অক্টোবর,২০২৫

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী(FAQs)

ডেস্কটপ কম্পিউটার কেনার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কী?

প্রথমে আপনার প্রয়োজন বুঝুন। কি কাজে ব্যবহার করবেন তার ভিত্তিতে কনফিগারেশন ঠিক করুন। বাজেট নির্ধারণ করুন। প্রসেসর, র‍্যাম, স্টোরেজ সঠিকভাবে বেছে নিন। ওয়ারেন্টি ও সার্ভিস সুবিধা নিশ্চিত করুন।

ব্র্যান্ডেড না অ্যাসেম্বেল্ড ডেস্কটপ কোনটা ভাল?

নতুনদের জন্য ব্র্যান্ডেড ভাল। ওয়ারেন্টি, সাপোর্ট পাবেন। অভিজ্ঞরা অ্যাসেম্বেল্ড বেছে নেন। দাম কম, কাস্টমাইজেশন সুবিধা বেশি। আপনার দক্ষতা ও বাজেট অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিন।

ডেস্কটপ কম্পিউটার কতদিন ভাল থাকে?

ভালো মানের ডেস্কটপ ৫-৭ বছর চলে। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করলে আরো বেশি। পরিষ্কার রাখা জরুরি। ধুলা জমলে সমস্যা হয়। ভালো পাওয়ার সাপ্লাই দীর্ঘস্থায়ী করে। ভোল্টেজ ওঠানামা এড়ান। সফটওয়্যার আপডেট রাখুন নিয়মিত। ভাইরাস সুরক্ষা ব্যবহার করুন। আপগ্রেড করলে আরো বছর চলবে। নতুন র‍্যাম বা SSD যোগ করুন। এভাবে ১০ বছরও টিকে থাকতে পারে।

কম বাজেটে কেমন ডেস্কটপ কম্পিউটার পাওয়া যাবে?

২০-৩০ হাজার টাকায় বেসিক ডেস্কটপ পাবেন। অফিস কাজ, ইন্টারনেট ব্রাউজিং সম্ভব। ডুয়াল কোর প্রসেসর, ৪GB র‍্যাম যথেষ্ট। পরে আপগ্রেড করতে পারবেন। সেকেন্ড হ্যান্ড বিকল্প আছে।

গেমিংয়ের জন্য কেমন কনফিগারেশন দরকার?

শক্তিশালী প্রসেসর সবচেয়ে জরুরি। Core i5 বা Ryzen 5 মিনিমাম। ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স কার্ড অবশ্যই দরকার। GTX 1650 বা উপরের মডেল। ১৬ জিবি র‍্যাম স্ট্যান্ডার্ড। SSD স্টোরেজ গেম লোডিং দ্রুত করে। ভালো কুলিং সিস্টেম রাখুন। গেমিং মনিটর ১৪৪Hz হলে ভালো। মেকানিক্যাল কিবোর্ড এবং গেমিং মাউস নিন। পাওয়ার সাপ্লাই ৬০০ ওয়াটের উপরে।

ডেস্কটপ কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ কতবার করব?

সাপ্তাহিক বাহ্যিক পরিষ্কার করুন। মাসিক ভাইরাস স্ক্যান চালান। তিন মাসে ইন্টারনাল ক্লিনিং করুন। বছরে একবার থার্মাল পেস্ট পরিবর্তন করুন। নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট করুন।

অনলাইন কেনাকাটা নিরাপদ কিনা?

বিশ্বস্ত সাইট থেকে কিনুন। রিভিউ পড়ুন। রিটার্ন পলিসি দেখুন। নিরাপদ পেমেন্ট মেথড ব্যবহার করুন। ওয়ারেন্টি কার্ড পরীক্ষা করুন। ডেলিভারির সময় যাচাই করুন। সমস্যা হলে তৎক্ষণাত অভিযোগ জানান।

ডেস্কটপ কম্পিউটার কোথায় রাখব?

শুকনো, ধুলামুক্ত স্থান বেছে নিন। বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন। সরাসরি সূর্যালোক এড়ান। মেঝে থেকে উঁচুতে রাখুন। পানির কাছে রাখবেন না। স্থিতিশীল টেবিল ব্যবহার করুন। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

পাওয়ার সাপ্লাই কত ওয়াটের দরকার?

বেসিক কম্পিউটারে ৪০০-৫০০ ওয়াট যথেষ্ট। গেমিং পিসিতে ৬৫০-৭৫০ ওয়াট লাগে। হাই এন্ড সিস্টেমে ৮৫০ ওয়াট বা বেশি। গ্রাফিক্স কার্ডের পাওয়ার দেখুন। ভবিষ্যত আপগ্রেডের কথা ভাবুন।

কেনার পর প্রথমে কি করব?

সব যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করুন। অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করুন। প্রয়োজনীয় ড্রাইভার ইনস্টল করুন। অ্যান্টিভাইরাস দিন। সিস্টেম আপডেট করুন। প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল করুন। ব্যাকআপ সিস্টেম সেটআপ করুন।

আপগ্রেড কখন করব?

সিস্টেম ধীর হলে। নতুন সফটওয়্যার চলছে না। গেম ল্যাগ করলে। মাল্টিটাস্কিং সমস্যা হলে। স্টোরেজ ভরে গেলে। প্রযুক্তি পুরনো হলে। কাজের চাহিদা বাড়লে। বাজেট থাকলে আপগ্রেড করুন।

ইন্টারনেট স্পিড কেমন লাগবে?

বেসিক ব্রাউজিংয়ে ১-৫ এমবিপিএস। ভিডিও দেখতে ১০-২৫ এমবিপিএস। অনলাইন গেমিংয়ে ২৫-৫০ এমবিপিএস। ভিডিও কনফারেন্সিং ৫-১৫ এমবিপিএস। স্ট্রিমিং, ডাউনলোডিং আরো বেশি। আপনার কাজ অনুযায়ী প্ল্যান নিন।

ডেস্কটপ এবং ল্যাপটপের মধ্যে কোনটা ভালো?

দুটোরই আলাদা সুবিধা আছে। ডেস্কটপ বেশি শক্তিশালী এবং সাশ্রয়ী। একই দামে ভালো পারফরম্যান্স পাবেন। আপগ্রেড করা সহজ এবং মেরামত সস্তা। দীর্ঘ সময় কাজ করা যায়। ল্যাপটপ বহনযোগ্য এবং সুবিধাজনক। যেকোনো জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়। কম জায়গা দখল করে। আপনি যদি বাসায় বা অফিসে কাজ করেন তাহলে ডেস্কটপ সেরা। আর যদি ভ্রমণ করেন বা বাইরে কাজ করেন তাহলে ল্যাপটপ ভালো।

কত টাকায় ভালো ডেস্কটপ কম্পিউটার পাওয়া যায়?

বেসিক ডেস্কটপ কম্পিউটার ২৫-৩৫ হাজার টাকায় পাওয়া যায়। এটি সাধারণ কাজের জন্য যথেষ্ট। অফিস সফটওয়্যার এবং ইন্টারনেট চলবে। মিড-রেঞ্জ পিসি ৪৫-৭৫ হাজার টাকা। এটি বেশিরভাগ কাজে ভালো। ভিডিও এডিটিং এবং হালকা গেমিং চলে। হাই-এন্ড পিসি ১-৩ লাখ টাকা। এটি প্রফেশনাল এবং গেমিং কাজে। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বাজেট ঠিক করুন।

ডেস্কটপ কম্পিউটার কোন ব্র্যান্ড ভালো?

HP, Dell, Lenovo এবং Asus বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড। HP সব ধরনের ব্যবহারকারীর জন্য ভালো। Dell বিজনেস ইউজে নির্ভরযোগ্য। Lenovo দাম এবং মানের ব্যালেন্স ভালো। Asus গেমিং এবং মাল্টিমিডিয়ায় এগিয়ে। Acer বাজেটে সেরা অপশন। আপনার কাজ অনুযায়ী বেছে নিন। ওয়ারেন্টি এবং সার্ভিস দেখে কিনুন। স্থানীয় সাপোর্ট আছে কিনা জানুন।

ডেস্কটপ কম্পিউটারে কত র‍্যাম লাগবে?

বেসিক কাজের জন্য ৪ জিবি র‍্যাম যথেষ্ট। তবে ৮ জিবি র‍্যাম বেশি ভালো। মাল্টিটাস্কিং সহজ হয়। অফিস কাজে ৮ জিবি স্ট্যান্ডার্ড। ভিডিও এডিটিং এবং ডিজাইনে ১৬ জিবি দরকার। গেমিংয়ে ১৬-৩২ জিবি লাগে। প্রফেশনাল ৩ডি কাজে ৩২ জিবি বা বেশি। র‍্যাম বাড়ালে কম্পিউটার দ্রুত চলে। ভবিষ্যতে আপগ্রেড করা যায়। তাই শুরুতে ৮ জিবি নিন।

SSD নাকি HDD কোনটা ভালো?

SSD অনেক দ্রুত এবং নিরাপদ। কম্পিউটার ১০-১৫ সেকেন্ডে চালু হয়। সফটওয়্যার দ্রুত খোলে। কোনো শব্দ হয় না। তবে দাম একটু বেশি। HDD সস্তা এবং বেশি স্টোরেজ দেয়। তবে ধীর গতির। সেরা সমাধান দুটো একসাথে ব্যবহার। SSD-তে অপারেটিং সিস্টেম রাখুন। HDD-তে ফাইল এবং ডেটা রাখুন। এভাবে দাম এবং গতি দুটোই পাবেন।

ডেস্কটপ কম্পিউটার আপগ্রেড করা যায়?

হ্যাঁ, ডেস্কটপ সহজে আপগ্রেড করা যায়। র‍্যাম বাড়ানো সবচেয়ে সহজ। স্লটে নতুন র‍্যাম লাগিয়ে দিন। গ্রাফিক্স কার্ড যুক্ত করা যায়। পারফরম্যান্স অনেক বাড়বে। স্টোরেজ বাড়ানো সম্ভব। নতুন SSD বা HDD যোগ করুন। প্রসেসর পরিবর্তন করা যায়। তবে মাদারবোর্ড সাপোর্ট করতে হবে। পাওয়ার সাপ্লাই আপগ্রেড করুন প্রয়োজনে। এভাবে পুরনো পিসি নতুনের মতো করা যায়।

ডেস্কটপ কম্পিউটারের বিদ্যুৎ খরচ কেমন?

ডেস্কটপ কম্পিউটার মাঝারি বিদ্যুৎ খরচ করে। বেসিক পিসি ৬০-১৫০ ওয়াট ব্যবহার করে। মাসে ৮-১০ ঘণ্টা চললে ১৫-২৫ ইউনিট। মিড-রেঞ্জ পিসি ১৫০-৩০০ ওয়াট। মাসে ৩০-৫০ ইউনিট হতে পারে। গেমিং পিসি ৩০০-৬০০ ওয়াট। মাসে ৬০-১০০ ইউনিট খরচ। মনিটর আলাদা ২০-৫০ ওয়াট নেয়। এনার্জি সেভিং মোড ব্যবহার করুন। ব্যবহার না করলে বন্ধ রাখুন। এভাবে খরচ কমানো যায়।

ডেস্কটপ কম্পিউটারে কোন অপারেটিং সিস্টেম ভালো?

Windows সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। সব সফটওয়্যার সাপোর্ট করে। ব্যবহার করা সহজ। Windows 11 সর্বশেষ ভার্সন। Windows 10ও ভালো চলে। Linux ফ্রি এবং নিরাপদ। প্রোগ্রামারদের পছন্দ। Ubuntu সবচেয়ে জনপ্রিয় Linux। macOS শুধু Apple কম্পিউটারে। ডিজাইনারদের পছন্দ। নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য Windows সেরা। টেকনিক্যাল ইউজাররা Linux নিতে পারেন।

ডেস্কটপ কম্পিউটারে ভাইরাস থেকে সুরক্ষা কীভাবে?

ভালো অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করুন অবশ্যই। Windows Defender বিল্ট-ইন এবং ভালো। Avast বা Kaspersky ফ্রি ভার্সন ব্যবহার করুন। নিয়মিত আপডেট করুন অপারেটিং সিস্টেম। সিকিউরিটি প্যাচ ইনস্টল করুন। অজানা ইমেইল অ্যাটাচমেন্ট খুলবেন না। সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক করবেন না। শুধু বিশ্বস্ত সাইট থেকে ডাউনলোড করুন। ফায়ারওয়াল চালু রাখুন সব সময়। নিয়মিত স্কান করুন কম্পিউটার। ব্যাকআপ রাখুন গুরুত্বপূর্ণ ফাইল।

ডেস্কটপ কম্পিউটারে মনিটর কত ইঞ্চির নেওয়া ভালো?

কাজের ধরন অনুযায়ী মনিটর বেছে নিন। বেসিক কাজে ১৯-২১ ইঞ্চি যথেষ্ট। অফিস কাজে ২২-২৪ ইঞ্চি স্ট্যান্ডার্ড। ডিজাইন এবং ভিডিও এডিটিংয়ে ২৭ ইঞ্চি ভালো। বেশি স্ক্রীন স্পেস পাবেন। গেমিংয়ে ২৪-২৭ ইঞ্চি আদর্শ। রিফ্রেশ রেট ১৪৪Hz বা বেশি নিন। রেজোলিউশন Full HD মিনিমাম। 4K মনিটর ডিজাইনারদের জন্য। IPS প্যানেল রঙ ভালো দেখায়। VA প্যানেল কনট্রাস্ট বেশি। টেবিলের সাইজ দেখে মনিটর বেছে নিন।

এই FAQ গাইড আশা করি আপনার সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে। আরো কিছু জানার থাকলে বিশেষজ্ঞদের সাথে যোগাযোগ করুন। ডেস্কটপ কম্পিউটার কেনার আগে ভালো করে রিসার্চ করুন। সঠিক সিদ্ধান্ত নিন এবং দীর্ঘদিন ব্যবহার করুন।

🔥 পোস্টটি শেয়ার করুনঃ 🌍

Scroll to Top