বাংলাদেশে ল্যাপটপ কিনতে চাইলে Asus Laptop একটি জনপ্রিয় নাম। এই ব্র্যান্ডটি মানসম্মত পণ্য দিয়ে বাজারে নিজের জায়গা করে নিয়েছে। আজকের এই লেখায় আমরা Asus Laptop সম্পর্কে বিস্তারিত জানব। দাম, ফিচার, মডেল এবং কেনাকাটার টিপস সব কিছু থাকবে এখানে। আপনি যদি নতুন ল্যাপটপ খুঁজছেন, তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য। চলুন শুরু করা যাক।
Asus Laptop এর দাম
Asus Laptop এর দাম নির্ভর করে মডেল ও স্পেসিফিকেশনের উপর। বাজারে বিভিন্ন দামের রেঞ্জে পাওয়া যায় এই ল্যাপটপ। সাধারণত বেসিক মডেল ৩০,০০০ টাকা থেকে শুরু হয়। আর হাই-এন্ড গেমিং মডেল ১,৫০,০০০ টাকার বেশি হতে পারে। মধ্যম মানের একটি Asus Laptop পেতে খরচ হবে ৫০,০০০ থেকে ৭০,০০০ টাকা। প্রসেসর, র্যাম, স্টোরেজ এবং গ্রাফিক্স কার্ড দাম বাড়ায়। স্টুডেন্ট বা অফিস কাজের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যের মডেল পাওয়া যায়। গেমিং বা ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য দাম একটু বেশি। কিন্তু মান ও পারফরম্যান্স ভালো থাকে সব সময়। বাজার রিসার্চ করে কিনলে ভালো ডিল পাওয়া সম্ভব।
বাংলাদেশে Asus Laptop এর দাম

বাংলাদেশে Asus Laptop এর দাম বেশ প্রতিযোগিতামূলক। অনলাইন ও অফলাইন দোকানে সহজে পাওয়া যায়। ঢাকার মাল্টিপ্ল্যান, যমুনা ফিউচার পার্ক, বসুন্ধরা সিটিতে Asus শোরুম আছে। চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহীতেও পাওয়া যায় এই ব্র্যান্ড। দাম সাধারণত ৩৫,০০০ টাকা থেকে শুরু হয়। স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী দাম ওঠানামা করে। বর্তমানে ডলারের দাম বাড়ায় দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে অফার ও ডিসকাউন্ট পাওয়া যায় বিভিন্ন সময়। আপনি যদি বাজেট ঠিক রাখেন, তাহলে ভালো ল্যাপটপ কিনতে পারবেন। অথরাইজড ডিলার থেকে কিনলে ওয়ারেন্টি পাবেন। এতে পরবর্তী সেবা পেতে সুবিধা হয়।
Asus Laptop দাম বাংলাদেশ
Asus Laptop দাম বাংলাদেশ সম্পর্কে জানতে অনলাইন চেক করতে পারেন। বিভিন্ন ই-কমার্স সাইটে আপডেট দাম পাওয়া যায়। Daraz, Pickaboo, Startech এসব সাইটে Asus ল্যাপটপ পাবেন। দাম তুলনা করে কিনলে সাশ্রয় হয়। কখনো কখনো ক্যাশব্যাক অফার থাকে। ফিজিক্যাল স্টোরে গিয়ে হাতে দেখে কিনতে পারেন। দাম নিয়ে দরদাম করার সুযোগও থাকে। নতুন মডেল আসলে পুরনো মডেলের দাম কমে। সেই সুযোগে কিনলে সাশ্রয় হয়। বিশেষ দিনগুলোতে যেমন ঈদ, পহেলা বৈশাখে মেগা সেল হয়। তখন দাম কম থাকে। তাই সঠিক সময়ে কেনাকাটা করা জরুরি।
Asus Laptop প্রাইস ইন বিডি
Asus Laptop প্রাইস ইন বিডি খুঁজে পেতে সহজ উপায় আছে। অনলাইন প্রাইস কম্পারিসন সাইট ব্যবহার করুন। BDShop, ClickBD, BikriBD এসব সাইটে দাম তুলনা করতে পারবেন। বিভিন্ন মডেলের দাম এক জায়গায় দেখা যায়। এতে সময় বাঁচে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়। কাস্টমার রিভিউ পড়ে ধারণা পাবেন। কোন মডেল কেমন পারফরম্যান্স দেয় তা জানা যায়। প্রাইস রেঞ্জ ফিল্টার করে সার্চ করতে পারবেন। নিজের বাজেট অনুযায়ী মডেল খুঁজে পাবেন সহজে। SMS বা ইমেইলে প্রাইস আলার্ট সেট করতে পারেন। দাম কমলে নোটিফিকেশন পাবেন। এভাবে বেস্ট ডিল মিস হবে না। Asus Laptop প্রাইস ইন বিডি জানার পর কিনুন।
Asus Laptop দাম ৩০,০০০ টাকার নিচে সম্পর্কে জানার আগে কিছু পয়েন্ট:
- বাজেট ল্যাপটপে বেসিক ফিচার থাকে যা দৈনন্দিন কাজের জন্য যথেষ্ট
- প্রসেসর সাধারণত Celeron বা AMD A4/A6 হয়
- স্টোরেজ HDD হয় এবং SSD থাকে না সাধারণত
- র্যাম ৪GB থাকে যা সাধারণ ব্রাউজিং ও অফিস কাজের জন্য ঠিক
- স্ক্রিন সাইজ ১৪-১৫.৬ ইঞ্চি হয়
Asus Laptop দাম ৩০,০০০ টাকার নিচে
Asus Laptop দাম ৩০,০০০ টাকার নিচে পাওয়া কঠিন কিন্তু অসম্ভব নয়। পুরনো স্টক বা রিফার্বিশড মডেল এই রেঞ্জে পাওয়া যায়। Celeron প্রসেসর, ৪GB র্যাম এবং ৫০০GB HDD স্পেসিফিকেশন থাকে। এই ল্যাপটপ বেসিক কাজের জন্য ভালো। ব্রাউজিং, ডকুমেন্ট এডিটিং, ইউটিউব দেখা চলবে। তবে হেভি সফটওয়্যার বা গেমিং করা যাবে না। স্টুডেন্টরা অনলাইন ক্লাসের জন্য ব্যবহার করতে পারেন। বাজারে Asus E203, X441 এর মতো মডেল পাওয়া যায়। সেকেন্ড হ্যান্ড বাজার চেক করতে পারেন। Facebook Marketplace বা OLX তে খুঁজলে পাবেন। তবে কেনার আগে ভালো করে চেক করুন। ওয়ারেন্টি থাকলে ভালো হয়।
Asus Laptop দাম ৪০,০০০ টাকার নিচে
Asus Laptop দাম ৪০,০০০ টাকার নিচে ভালো অপশন পাওয়া যায়। এই বাজেটে Intel Pentium বা AMD Ryzen 3 প্রসেসর পাবেন। র্যাম ৪-৮GB এবং স্টোরেজ ১TB HDD থাকে। স্ক্রিন কোয়ালিটি মোটামুটি ভালো হয়। ওজন হালকা হওয়ায় বহন করা সুবিধাজনক। ব্যাটারি ব্যাকআপ ৫-৬ ঘণ্টা পাওয়া যায়। এই রেঞ্জে Asus X441, X509, Vivobook E14 পাওয়া যায়। অফিসের সাধারণ কাজ, প্রেজেন্টেশন তৈরি করা সহজ হয়। মাল্টিটাস্কিং কিছুটা করা যায়। তবে ভিডিও এডিটিং বা গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য উপযুক্ত নয়। এই দামে ভালো ভ্যালু ফর মানি পাবেন। লম্বা সময় ব্যবহারের জন্য টেকসই।
Asus Laptop দাম ৫০,০০০ টাকার নিচে
Asus Laptop দাম ৫০,০০০ টাকার নিচে সবচেয়ে জনপ্রিয় রেঞ্জ। এই বাজেটে Intel Core i3 বা Ryzen 5 পাবেন। ৮GB র্যাম এবং ২৫৬GB SSD কম্বিনেশন পাওয়া যায়। SSD থাকায় স্পিড অনেক বেশি হয়। এই ল্যাপটপটি খুব দ্রুত চালু হয়, সাধারণত ১০–১৫ সেকেন্ডের মধ্যেই ব্যবহারযোগ্য হয়ে যায়। এতে রয়েছে ১৫.৬ ইঞ্চির Full HD ডিসপ্লে, যেখানে রঙের মান বেশ ভালো এবং বিভিন্ন দিক থেকে দেখলেও স্ক্রিন স্পষ্ট থাকে। একবার চার্জ দিলে ব্যাটারি সাধারণভাবে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ দেয়। এই স্পেসিফিকেশনগুলো Asus Vivobook 15 সিরিজের X515 ও M515 মডেলগুলোর মধ্যে পাওয়া যায়। স্টুডেন্ট, ফ্রিল্যান্সার, অফিস কর্মীদের জন্য আদর্শ। হালকা ফটো এডিটিং, কোডিং, ডাটা এন্ট্রি সব চলবে। মাল্টিটাস্কিং স্মুথ হয়। গেমিং না করলে এই রেঞ্জ পারফেক্ট।
Asus Laptop দাম ৬০,০০০ টাকার নিচে সম্পর্কে জানার আগে কিছু পয়েন্ট:
- এই রেঞ্জে Core i5 10th বা 11th gen প্রসেসর পাওয়া যায়
- ৮-১৬GB র্যাম কনফিগারেশন থাকে যা প্রফেশনাল কাজের জন্য ভালো
- ৫১২GB SSD বা dual storage (SSD+HDD) অপশন পাবেন
- Full HD IPS ডিসপ্লে দিয়ে ভিজ্যুয়াল কোয়ালিটি উন্নত হয়
- ব্যাকলিট কীবোর্ড ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর যুক্ত মডেল পাওয়া যায়
Asus Laptop দাম ৬০,০০০ টাকার নিচে
Asus Laptop দাম ৬০,০০০ টাকার নিচে প্রিমিয়াম ফিচার পাবেন। Intel Core i5 বা Ryzen 7 প্রসেসর থাকে। র্যাম ১৬GB পর্যন্ত কনফিগার করা যায়। ৫১২GB SSD বা ২৫৬GB SSD + ১TB HDD মিলবে। গ্রাফিক্স MX series হতে পারে। হালকা গেমিং, ভিডিও এডিটিং সম্ভব এতে। মেটাল বডি দিয়ে প্রিমিয়াম ফিল পাবেন। ব্যাকলিট কীবোর্ড ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর যুক্ত। Asus Vivobook Pro, ZenBook 14 এই রেঞ্জে জনপ্রিয়। ডিসপ্লে কোয়ালিটি চমৎকার এবং রঙ উজ্জ্বল। অডিও আউটপুট ভালো মানের হয়। প্রফেশনালরা এই রেঞ্জ পছন্দ করেন। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের জন্য টেকসই এবং নির্ভরযোগ্য।
আসুস কোর i5 ল্যাপটপ দাম
আসুস কোর i5 ল্যাপটপ দাম ৫০,০০০ থেকে ৮০,০০০ টাকার মধ্যে। Core i5 প্রসেসর মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য উৎকৃষ্ট। ১০ম, ১১তম, ১২তম জেনারেশন পাওয়া যায়। নতুন জেনারেশন বেশি দামের হয়। ৮GB র্যাম স্ট্যান্ডার্ড এবং ১৬GB আপগ্রেড করা যায়। SSD স্টোরেজ থাকায় পারফরম্যান্স ফাস্ট। অফিস, বিজনেস, ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য পারফেক্ট। ব্যাটারি লাইফ ৭-৯ ঘণ্টা পর্যন্ত। ডিসপ্লে Full HD IPS প্যানেল হয়। ভিজুয়াল কোয়ালিটি চোখের জন্য আরামদায়ক। Asus Vivobook, X515, TUF সিরিজে Core i5 পাবেন। ফটো এডিটিং, প্রোগ্রামিং, ডাটা অ্যানালাইসিস চলবে। মূল্য অনুযায়ী পারফরম্যান্স দুর্দান্ত।
আসুস কোর i7 ল্যাপটপ দাম
আসুস কোর i7 ল্যাপটপ দাম ৮০,০০০ টাকা থেকে শুরু। হাই-এন্ড মডেল ১,৫০,০০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। Core i7 প্রসেসর পাওয়ারফুল পারফরম্যান্স দেয়। হেভি সফটওয়্যার চালাতে কোনো সমস্যা নেই। ১৬GB থেকে ৩২GB র্যাম পাওয়া যায়। স্টোরেজ ১TB SSD পর্যন্ত হতে পারে। ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স কার্ড NVIDIA GTX বা RTX। ভিডিও এডিটিং, 3D রেন্ডারিং, গেমিংয়ের জন্য আদর্শ। Asus ZenBook, Vivobook Pro, TUF Gaming সিরিজে পাবেন। কুলিং সিস্টেম উন্নত হওয়ায় হিটিং কম। ডিসপ্লে রেজোলিউশন 4K পর্যন্ত হয়। প্রফেশনাল ক্রিয়েটর, ডেভেলপার, গেমারদের জন্য। দামি কিন্তু বিনিয়োগ মূল্যবান।
আসুস কোর i5 ল্যাপটপ প্রাইস ইন বিডি
আসুস কোর i5 ল্যাপটপ প্রাইস ইন বিডি জানতে অনলাইন চেক করুন। বিভিন্ন মডেলের দাম ভিন্ন হয়। Asus Vivobook 15 (i5) দাম ৫৮,০০০ টাকা প্রায়। Asus X515EA (i5 11th Gen) খরচ ৬২,০০০ টাকা। TUF Gaming F15 (i5) দাম ৮৫,০০০ টাকার কাছাকাছি। র্যাম ও স্টোরেজ অনুযায়ী দাম বাড়ে-কমে। অনলাইনে কিনলে কিছু ডিসকাউন্ট পাবেন। ডেলিভারি চার্জ ঢাকার বাইরে বেশি হয়। ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধা আছে। অথরাইজড শপে ১ বছর ওয়ারেন্টি দেয়। এক্সটেন্ডেড ওয়ারেন্টি কিনতে পারবেন আলাদা টাকায়। প্রাইস তুলনা করে কিনলে সাশ্রয় হবে।
আসুস কোর i7 ল্যাপটপ প্রাইস ইন বিডি সম্পর্কে জানার আগে কিছু পয়েন্ট:
- Core i7 মডেল প্রিমিয়াম ক্যাটাগরিতে পড়ে
- 11th এবং 12th Gen i7 বাংলাদেশে বেশি জনপ্রিয়
- গেমিং মডেলে RTX গ্রাফিক্স এবং উচ্চ রিফ্রেশ রেট ডিসপ্লে থাকে
- ZenBook সিরিজে পাতলা ও হালকা ডিজাইন পাওয়া যায়
- দাম বেশি হলেও দীর্ঘমেয়াদী পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে
আসুস কোর i7 ল্যাপটপ প্রাইস ইন বিডি
আসুস কোর i7 ল্যাপটপ প্রাইস ইন বিডি বেশ উচ্চ। প্রিমিয়াম ফিচারের কারণে দাম বেশি হয়। Asus Vivobook Pro 15 (i7) খরচ ৯৮,০০০ টাকা। ZenBook 14 (i7 11th Gen) দাম ১,১৫,০০০ টাকা। TUF Gaming A15 (i7) প্রায় ১,৩৫,০০০ টাকা। ROG Strix G15 (i7) দাম ১,৬০,০০০ টাকার বেশি। বিল্ড কোয়ালিটি প্রিমিয়াম এবং ডিজাইন আকর্ষণীয়। কুলিং সিস্টেম অ্যাডভান্সড থাকায় লম্বা সময় চালানো যায়। RGB কীবোর্ড ব্যাকলাইট গেমিং মডেলে থাকে। অডিও সিস্টেম Harman Kardon বা Sonic Master। ডিসপ্লে 144Hz বা 165Hz রিফ্রেশ রেট। প্রফেশনাল ক্রিয়েটিভ ওয়ার্ক ও গেমিংয়ের জন্য সেরা। বিনিয়োগ বেশি কিন্তু রিটার্ন অসাধারণ।
Asus Laptop ব্যাটারির দাম
Asus Laptop ব্যাটারির দাম ৩,০০০ থেকে ৮,০০০ টাকা। মডেল অনুযায়ী দাম আলাদা হয়। অরিজিনাল ব্যাটারি দামি কিন্তু টেকসই। কম্প্যাটিবল ব্যাটারি সস্তায় পাওয়া যায়। তবে কোয়ালিটি কিছুটা কম হতে পারে। ব্যাটারি লাইফ সাধারণত ২-৩ বছর। ব্যবহার অনুযায়ী কমবেশি হয়। পুরনো ব্যাটারি দ্রুত ডিসচার্জ হয়। তখন পরিবর্তন করা জরুরি। Asus সার্ভিস সেন্টারে অরিজিনাল ব্যাটারি পাবেন। কম্পিউটার মার্কেটেও পাওয়া যায়। অনলাইনে অর্ডার করলে ডেলিভারি পাবেন। ব্যাটারি কেনার আগে মডেল নম্বর চেক করুন। ভুল ব্যাটারি লাগালে ড্যামেজ হতে পারে। ওয়ারেন্টি দেখে কিনবেন।
Asus Laptop চার্জারের দাম
Asus Laptop চার্জারের দাম ১,৫০০ থেকে ৩,৫০০ টাকা। অরিজিনাল চার্জার কিছুটা দামি। তবে লম্বা সময় চলে এবং নিরাপদ। লোকাল চার্জার সস্তা কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ। ল্যাপটপের মাদারবোর্ড ড়্যামেজ হতে পারে। ওয়াট অনুযায়ী দাম ভিন্ন হয়। ৪৫W, ৬৫W, ৯০W চার্জার পাওয়া যায়। গেমিং মডেলে ১২০W বা ১৫০W চার্জার লাগে। চার্জার হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে নতুন কিনতে হয়। Asus সার্ভিস সেন্টার থেকে কিনলে ভালো। অনলাইনে সতর্ক থাকতে হবে। ফেক পণ্য এড়িয়ে চলুন। মডেল নম্বর মিলিয়ে কিনবেন। ভোল্টেজ ও অ্যাম্পিয়ার সঠিক হতে হবে। ভুল চার্জার ব্যবহারে ল্যাপটপ নষ্ট হয়।
Asus Laptop কীবোর্ডের দাম
Asus Laptop কীবোর্ডের দাম ২,৫০০ থেকে ৬,০০০ টাকা। ব্যাকলিট কীবোর্ড একটু দামি হয়। নন-ব্যাকলিট কীবোর্ড সস্তা। অরিজিনাল পার্ট পেতে সার্ভিস সেন্টারে যান। কম্প্যাটিবল কীবোর্ড বাজারে পাওয়া যায়। তবে কোয়ালিটি ভেরিফাই করতে হবে। কীবোর্ড নষ্ট হলে টাইপিং সমস্যা হয়। কোনো কী কাজ না করলে রিপ্লেস করুন। পানি পড়লে দ্রুত শুকিয়ে নিন। তারপরও সমস্যা থাকলে পরিবর্তন দরকার। মেকানিক্যাল কীবোর্ড গেমিং মডেলে থাকে। দাম একটু বেশি হয়। রিপেয়ার কস্ট ২,০০০ টাকা থেকে শুরু। মডেল দুর্লভ হলে দাম বাড়ে। অনলাইনে কিনলে সতর্ক হবেন। ভালো সেলার থেকে কিনুন।
| যন্ত্রাংশ | অরিজিনাল দাম | কম্প্যাটিবল দাম | আয়ুষ্কাল |
| 🔋 ব্যাটারি | ৫,০০০-৮,০০০ টাকা | ৩,০০০-৪,৫০০ টাকা | ২-৩ বছর |
| 🔌 চার্জার | ২,৫০০-৩,৫০০ টাকা | ১,৫০০-২,০০০ টাকা | ৩-৫ বছর |
| ⌨️ কীবোর্ড | ৪,০০০-৬,০০০ টাকা | ২,৫০০-৩,৫০০ টাকা | ৩-৪ বছর |
| 🖥️ ডিসপ্লে | ৮,০০০-১৫,০০০ টাকা | ৬,০০০-১০,০০০ টাকা | ৫-৭ বছর |
Asus Laptop ডিসপ্লের দাম
Asus Laptop ডিসপ্লের দাম সবচেয়ে বেশি। স্ক্রিন সাইজ ও রেজোলিউশনে দাম নির্ভর করে। ১৪ ইঞ্চি HD ডিসপ্লে ৮,০০০ টাকা থেকে শুরু। ১৫.৬ ইঞ্চি Full HD ডিসপ্লে ১০,০০০-১২,০০০ টাকা। 4K ডিসপ্লে ২০,০০০ টাকার বেশি। টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে আরও দামি হয়। ডিসপ্লে ভেঙে গেলে পুরো পরিবর্তন করতে হয়। মেরামত সম্ভব নয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। অরিজিনাল পার্ট ব্যবহার করা ভালো। কম্প্যাটিবল ডিসপ্লে কালার অ্যাকুরেসি কম হতে পারে। সার্ভিস সেন্টারে রিপ্লেসমেন্ট করালে ওয়ারেন্টি পাবেন। বাজার থেকে কিনে লাগালে সেবা নাও পেতে পারেন। ডিসপ্লে খুবই স্পর্শকাতর যন্ত্রাংশ। সাবধানে ব্যবহার করুন। স্ক্রিন প্রোটেক্টর ব্যবহার করলে ভালো।
Asus Laptop ব্যাগের দাম সম্পর্কে জানার আগে কিছু পয়েন্ট:
- ল্যাপটপ ব্যাগ সুরক্ষা ও বহনের জন্য অপরিহার্য
- সাইজ অনুযায়ী ১৪, ১৫.৬, ১৭ ইঞ্চি ব্যাগ পাওয়া যায়
- ম্যাটেরিয়াল ন্যাইলন, পলিয়েস্টার বা চামড়া হতে পারে
- কুশন প্যাডিং থাকলে ল্যাপটপ নিরাপদ থাকে
- ব্র্যান্ডেড ব্যাগের দাম বেশি কিন্তু টেকসই হয়
Asus Laptop ব্যাগের দাম
Asus Laptop ব্যাগের দাম ১,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকা। বেসিক ব্যাগ ১,০০০-১,৫০০ টাকায় পাবেন। মিডরেঞ্জ ব্যাগ ২,০০০-৩,০০০ টাকা। প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডেড ব্যাগ ৪,০০০-৫,০০০ টাকা। ম্যাটেরিয়াল ও ডিজাইনে দাম আলাদা হয়। ওয়াটারপ্রুফ ব্যাগ একটু দামি। তবে বৃষ্টিতে ল্যাপটপ নিরাপদ থাকে। কুশন প্যাডিং থাকলে সুরক্ষা বাড়ে। আলাদা পকেট থাকে চার্জার, মাউস রাখার জন্য। ব্যাকপ্যাক স্টাইল ব্যাগ আরামদায়ক। Asus অফিশিয়াল ব্যাগ মানসম্মত। Targus, HP, Dell এর ব্যাগও ভালো। অনলাইনে কিনলে ডেলিভারি পাবেন। সাইজ মেপে কিনবেন। ছোট ব্যাগে বড় ল্যাপটপ ফিট হবে না। ভালো ব্যাগ ল্যাপটপের আয়ু বাড়ায়।
স্টুডেন্টদের জন্য Asus Laptop
স্টুডেন্টদের জন্য Asus Laptop বেছে নেওয়া সহজ। বাজেট ফ্রেন্ডলি মডেল প্রচুর আছে। ৪০,০০০-৬০,০০০ টাকার মধ্যে ভালো পাবেন। Core i3 বা Ryzen 3 প্রসেসর যথেষ্ট। ৮GB র্যাম এবং ২৫৬GB SSD স্ট্যান্ডার্ড। অনলাইন ক্লাস, অ্যাসাইনমেন্ট, রিসার্চ সব চলবে। হালকা ওজনের মডেল বহন করা সুবিধা। ব্যাটারি লাইফ ৬-৮ ঘণ্টা হলে ভালো। ক্যাম্পাসে চার্জার ছাড়া চলবে। Asus Vivobook 15, X515 স্টুডেন্টদের পছন্দের। ডিজাইন তরুণদের জন্য আকর্ষণীয়। ক্যালকুলেটর, নোট নেওয়া, প্রেজেন্টেশন তৈরি সহজ। ল্যাপটপের দাম কম হলেও পারফরম্যান্স ভালো। স্টুডেন্ট ডিসকাউন্ট কিছু দোকানে পাওয়া যায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি দেখিয়ে ছাড় পাবেন।
অফিস কাজের জন্য Asus Laptop
অফিস কাজের জন্য Asus Laptop নির্ভরযোগ্য। দীর্ঘ সময় ব্যবহারের জন্য টেকসই। Core i5 প্রসেসর অফিস কাজের জন্য আদর্শ। ৮-১৬GB র্যাম মাল্টিটাস্কিংয়ে সাহায্য করে। ৫১২GB SSD দ্রুত ফাইল অ্যাক্সেস দেয়। Microsoft Office, ERP, CRM সফটওয়্যার চলে। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের জন্য ওয়েবকেম ভালো। মাইক্রোফোন কোয়ালিটি ক্লিয়ার হয়। প্রফেশনাল ডিজাইন অফিসে মানানসই। মেটাল বডি দিলে প্রিমিয়াম লুক আসে। ব্যাটারি পুরো দিন চলে এমন মডেল পছন্দনীয়। Asus ExpertBook, Vivobook Pro অফিসের জন্য উপযুক্ত। সিকিউরিটি ফিচার যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর থাকে। ডাটা সুরক্ষিত রাখা সহজ হয়। দাম ৬০,০০০-৮০,০০০ টাকার মধ্যে।
গেমিং আসুস ল্যাপটপের দাম
গেমিং আসুস ল্যাপটপের দাম বেশি কিন্তু পারফরম্যান্স অসাধারণ। TUF Gaming সিরিজ ৮০,০০০ টাকা থেকে শুরু। ROG (Republic of Gamers) সিরিজ প্রিমিয়াম ক্যাটাগরি। দাম ১,২০,০০০ টাকা থেকে ২,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত। Core i7 বা Ryzen 7 প্রসেসর স্ট্যান্ডার্ড। ১৬-৩২GB র্যাম গেমিংয়ের জন্য দরকার। NVIDIA RTX গ্রাফিক্স কার্ড হাই-এন্ড গেমস চালায়। ১৪৪Hz বা ১৬৫Hz রিফ্রেশ রেট ডিসপ্লে। স্মুথ গেমপ্লে এবং দ্রুত রেসপন্স পাবেন। RGB কীবোর্ড ব্যাকলাইট গেমিং অভিজ্ঞতা বাড়ায়। কুলিং সিস্টেম অ্যাডভান্সড থাকায় হিট কম হয়। ভারী গেম ঘণ্টার পর ঘণ্টা চালানো যায়। Cyberpunk, Call of Duty, Valorant সব চলবে। গেমার ও স্ট্রিমারদের প্রথম পছন্দ।
| গেমিং সিরিজ | প্রসেসর | গ্রাফিক্স | দাম রেঞ্জ |
| TUF Gaming F15 | i5/i7 | GTX 1650/RTX 3050 | ৮০,০০০-১,১০,০০০ টাকা |
| ROG Strix G15 | i7/Ryzen 7 | RTX 3060/3070 | ১,৩০,০০০-১,৮০,০০০ টাকা |
| ROG Zephyrus | i9/Ryzen 9 | RTX 3080/4070 | ২,০০,০০০-২,৫০,০০০ টাকা |
| TUF Dash F15 | i5/i7 | RTX 3050 Ti | ৯৫,০০০-১,২৫,০০০ টাকা |
Asus Laptop কেনার গাইড
Asus Laptop কেনার গাইড মেনে চললে সঠিক পছন্দ হবে। প্রথমে বাজেট ঠিক করুন। কত টাকা খরচ করবেন তা নির্ধারণ করুন। তারপর প্রয়োজন চিহ্নিত করুন। স্টুডেন্ট, অফিস নাকি গেমিং কোনটার জন্য কিনছেন। প্রসেসর গুরুত্বপূর্ণ স্পেসিফিকেশন। Core i3 বেসিক কাজের জন্য, i5 মিডরেঞ্জ, i7 হাই-এন্ড। র্যাম কমপক্ষে ৮GB হলে ভালো। ১৬GB হলে ভবিষ্যৎ-প্রুফ হবে। স্টোরেজ SSD অগ্রাধিকার দিন। HDD থেকে দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য। ডিসপ্লে Full HD হলে চোখের জন্য ভালো। ব্যাটারি লাইফ ৬ ঘণ্টার উপরে হলে সুবিধা। বিল্ড কোয়ালিটি মেটাল হলে টেকসই। ওয়ারেন্টি ১-২ বছর চেক করুন। পার্টস সহজলভ্যতা জেনে নিন। সার্ভিস সেন্টার কাছাকাছি আছে কিনা দেখুন।
Asus Laptop বুট মেনু কী
Asus Laptop বুট মেনু কী সাধারণত F2 বা ESC। বুট মেনু অ্যাক্সেস করতে ল্যাপটপ চালু করুন। Asus লোগো দেখামাত্র F2 চাপুন। কিছু মডেলে ESC বা Delete কী চাপতে হয়। বুট মেনু থেকে বুট ডিভাইস সিলেক্ট করা যায়। উইন্ডোজ ইনস্টল করতে USB বা DVD থেকে বুট করতে হয়। BIOS সেটিংস পরিবর্তন করা যায় বুট মেনু থেকে। বুট অর্ডার চেঞ্জ করে প্রায়োরিটি সেট করুন। সিকিউর বুট অপশন চালু বা বন্ধ করা যায়। Fast Boot এনাবল করলে স্টার্টআপ দ্রুত হয়। UEFI বা Legacy মোড সিলেক্ট করা যায়। OS ইনস্টলেশনের সময় প্রয়োজন হয়। বুট মেনু ঠিকমতো ব্যবহার করতে হবে। ভুল সেটিংস সিস্টেম সমস্যা করতে পারে।
Asus Laptop উইন্ডোজ সেটআপ
Asus Laptop উইন্ডোজ সেটআপ প্রসেস সহজ। প্রথমে উইন্ডোজ বুটেবল USB তৈরি করুন। Media Creation Tool ডাউনলোড করে USB বানান। ল্যাপটপ চালু করে বুট মেনুতে যান। USB ড্রাইভ সিলেক্ট করুন বুট ডিভাইস হিসেবে। উইন্ডোজ সেটআপ স্ক্রিন আসবে। ভাষা, টাইম জোন, কীবোর্ড লেআউট সিলেক্ট করুন। Install Now বাটনে ক্লিক করুন। প্রোডাক্ট কী ইনপুট করুন বা স্কিপ করুন। পার্টিশন সিলেক্ট করুন ইনস্টলেশনের জন্য। C ড্রাইভে সাধারণত ইনস্টল করা হয়। ফরম্যাট করে নিলে ক্লিন ইনস্টল হবে। ইনস্টলেশন ২০-৩০ মিনিট সময় নেয়। রিস্টার্ট হলে সেটআপ কন্টিনিউ হবে। ইউজার অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। ড্রাইভার ইনস্টল করুন Asus সাপোর্ট সাইট থেকে।
Asus Laptop নতুন মডেল
Asus Laptop নতুন মডেল নিয়মিত লঞ্চ হয়। ২০২৪-২০২৫ সালে অনেক মডেল এসেছে। Vivobook 16X নতুন ডিজাইনে এসেছে। ZenBook 14 OLED ডিসপ্লে সহ লঞ্চ হয়েছে। TUF Gaming A15 Ryzen 7000 সিরিজ নিয়ে এসেছে। ROG Strix SCAR 17 RTX 4090 পেয়েছে। ProArt Studiobook ক্রিয়েটরদের জন্য নতুন। 13th Gen Intel এবং Ryzen 7000 প্রসেসর আছে। DDR5 র্যাম এবং PCIe 4.0 SSD স্ট্যান্ডার্ড। ব্যাটারি লাইফ আগের চেয়ে বেশি। দ্রুত চার্জিং ফিচার যুক্ত হয়েছে। AI ফিচার যেমন নয়েজ ক্যান্সেলেশন এসেছে। OLED ডিসপ্লে মডেল বাড়ছে। দাম কিছুটা বেশি কিন্তু ফিচার আপডেট। বাংলাদেশে নতুন মডেল পেতে কিছুটা দেরি হয়।
| মডেল | প্রসেসর | র্যাম | স্টোরেজ | দাম (আনুমানিক) |
| Vivobook 15 | i3 11th Gen | 8GB | 256GB SSD | ৫২,০০০ টাকা |
| Vivobook Pro 15 | i5 12th Gen | 16GB | 512GB SSD | ৭৮,০০০ টাকা |
| ZenBook 14 OLED | i7 12th Gen | 16GB | 512GB SSD | ১,১৫,০০০ টাকা |
| TUF Gaming F15 | i7 11th Gen | 16GB | 512GB SSD + RTX 3050 | ১,০৫,০০০ টাকা |
Asus Laptop স্পেসিফিকেশন
Asus Laptop স্পেসিফিকেশন মডেল ভেদে আলাদা। প্রসেসর Intel Core বা AMD Ryzen হয়। জেনারেশন 10th থেকে 13th পর্যন্ত পাওয়া যায়। র্যাম DDR4 বা DDR5 টাইপের হয়। ক্যাপাসিটি ৪GB থেকে ৬৪GB পর্যন্ত। স্টোরেজ HDD, SSD বা হাইব্রিড হতে পারে। SSD স্পিড ৫০০ MB/s থেকে ৩৫০০ MB/s পর্যন্ত। ডিসপ্লে সাইজ ১৩ থেকে ১৭ ইঞ্চি। রেজোলিউশন HD, Full HD, 2K, 4K হয়। গ্রাফিক্স ইন্টিগ্রেটেড বা ডেডিকেটেড। NVIDIA GTX, RTX সিরিজ জনপ্রিয়। ওজন ১.৫ থেকে ৩ কেজি পর্যন্ত। ব্যাটারি ৩৭Wh থেকে ৯০Wh পর্যন্ত। পোর্ট USB-A, USB-C, HDMI, Audio Jack থাকে। Wi-Fi 6 এবং Bluetooth 5.0 স্ট্যান্ডার্ড। ওয়েবকেম HD বা Full HD হয়।
Asus Laptop অনলাইন দাম
Asus Laptop অনলাইন দাম অফলাইনের চেয়ে কম হতে পারে। Daraz, Pickaboo, Startech এসব সাইটে দেখুন। অফার চলাকালীন ভালো ছাড় পাওয়া যায়। ১১.১১, ১২.১২ মেগা সেলে দাম কমে। কুপন কোড ব্যবহার করে আরও সাশ্রয় করুন। ক্যাশব্যাক অফার চেক করুন। ব্যাংক কার্ডে বিশেষ ছাড় থাকে কখনো। ডেলিভারি চার্জ ঢাকায় ৫০-১০০ টাকা। বাইরে ১৫০-৩০০ টাকা হতে পারে। ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধা আছে বেশিরভাগ সাইটে। অনলাইনে কিনলে রিটার্ন পলিসি দেখুন। ৭-১৪ দিনের রিটার্ন সুবিধা থাকে। ওয়ারেন্টি কার্ড অবশ্যই নিন। ফেক পণ্য এড়াতে অথরাইজড সেলার থেকে কিনুন। প্রাইস কম্পারিসন করে সবচেয়ে ভালো ডিল খুঁজুন।
আসুস ল্যাপটপ কোথায় কিনবেন
আসুস ল্যাপটপ কোথায় কিনবেন এই প্রশ্ন অনেকে করেন। ঢাকায় মাল্টিপ্ল্যান সেন্টার কম্পিউটার মার্কেট বিখ্যাত। বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্কেও পাবেন। Asus শোরুম গুলশান, ধানমন্ডিতে আছে। চট্টগ্রামে খাতুনগঞ্জ কম্পিউটার মার্কেট ভালো। সিলেট, রাজশাহী, খুলনায় স্থানীয় দোকান আছে। অনলাইনে Daraz, Pickaboo, Startech নির্ভরযোগ্য। Ryans Computers, Star Tech এর ফিজিক্যাল শপও আছে। অথরাইজড ডিলার লিস্ট Asus বাংলাদেশ ওয়েবসাইটে পাবেন। সেখান থেকে কিনলে ওয়ারেন্টি নিশ্চিত। সেকেন্ড হ্যান্ড কিনলে সতর্ক থাকুন। ফেসবুক মার্কেটপ্লেস, OLX তে পাওয়া যায়। তবে ভালো করে চেক করে কিনবেন। ওয়ারেন্টি রিমেইনিং আছে কিনা দেখুন।
Asus Laptop অফার বাংলাদেশ সম্পর্কে জানার আগে কিছু পয়েন্ট:
- বছরে বিভিন্ন সময় মেগা অফার হয় যেমন ঈদ, পহেলা বৈশাখ
- অনলাইন শপিং ফেস্টিভালে ১০-২০% ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়
- নতুন মডেল লঞ্চে পুরনো মডেলের দাম কমে
- ব্যাংক কার্ড অফারে EMI সুবিধা ও ক্যাশব্যাক থাকে
- সার্ভিস সেন্টারে সরাসরি গেলে অনেক সময় বিশেষ ডিল বা অফার পাওয়া যায়।
Asus Laptop অফার বাংলাদেশ
Asus Laptop অফার বাংলাদেশ পেতে সময় মতো কিনতে হয়। ঈদ, পহেলা বৈশাখ, বিজয় দিবসে অফার হয়। ১১.১১, ১২.১২ সেলে বড় ছাড় থাকে। ব্ল্যাক ফ্রাইডে, সাইবার মান্ডেতেও ডিসকাউন্ট পাবেন। অনলাইন শপিং ফেস্টিভালে ১০-২৫% ছাড় হয়। বান্ডেল অফার পাওয়া যায় কখনো কখনো। ল্যাপটপের সাথে ব্যাগ, মাউস ফ্রি দেয়। এক্সচেঞ্জ অফার থাকে পুরনো ল্যাপটপ দিয়ে। EMI ফ্যাসিলিটি ক্রেডিট কার্ডে পাবেন। কোনো ইন্টারেস্ট ছাড়া কিস্তিতে কিনতে পারবেন। Asus অফিশিয়াল পেজে আপডেট দেখুন। নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করলে অফার নোটিফিকেশন পাবেন। ফেসবুক গ্রুপে মেম্বাররা অফার শেয়ার করেন। সময়মতো জানলে বেস্ট ডিল পাবেন। স্টক লিমিটেড থাকে তাই দেরি করবেন না।
Asus Laptop তুলনা (ডেল, লেনোভো)
Asus Laptop তুলনা অন্য ব্র্যান্ডের সাথে করলে পার্থক্য বোঝা যায়। Dell এবং Lenovo জনপ্রিয় প্রতিদ্বন্দ্বী। দাম অনুযায়ী Asus বেশি ভ্যালু দেয়। একই স্পেসিফিকেশনে Asus কিছুটা সস্তা। Dell এর বিল্ড কোয়ালিটি প্রিমিয়াম। তবে দাম বেশি হয়। Lenovo ThinkPad সিরিজ ডিউরেবল। কিন্তু ভারী এবং ডিজাইন পুরনো। Asus Vivobook ডিজাইন মডার্ন ও স্টাইলিশ। তরুণদের কাছে জনপ্রিয়। Dell XPS সিরিজ পাওয়ারফুল কিন্তু দামি। Asus ZenBook সমান পারফরম্যান্সে কম দামে পাওয়া যায়। গেমিংয়ে Asus ROG সেরা। Dell Alienware দামে অনেক বেশি। Lenovo Legion ভালো কিন্তু Asus TUF সাশ্রয়ী। কাস্টমার সার্ভিস তিনটিই ভালো দেয়। পার্টস সহজলভ্যতায় Asus এগিয়ে।
| ফিচার | Asus | Dell | Lenovo |
| দাম | মধ্যম থেকে উচ্চ | উচ্চ | মধ্যম |
| ডিজাইন | মডার্ন ও স্টাইলিশ | প্রিমিয়াম | পেশাদার |
| বিল্ড কোয়ালিটি | ভালো | চমৎকার | খুব ভালো |
| ব্যাটারি লাইফ | ৬-৮ ঘণ্টা | ৮-১০ ঘণ্টা | ৭-৯ ঘণ্টা |
| গেমিং | ROG সেরা | Alienware দামি | Legion ভালো |
| ভ্যালু ফর মানি | উচ্চ | মধ্যম | উচ্চ |
| সার্ভিস নেটওয়ার্ক | ব্যাপক | ভালো | মোটামুটি |
Asus Laptop রিভিউ বাংলা

Asus Laptop রিভিউ বাংলা ইউটিউবে প্রচুর পাবেন। বাংলা টেক চ্যানেলগুলো বিস্তারিত রিভিউ দেয়। TechLandBD, Tech Village, MR Lab এসব চ্যানেল দেখুন। ইউজার এক্সপেরিয়েন্স জানতে ফেসবুক গ্রুপ চেক করুন। বাংলাদেশের ব্যবহারকারীরা মতামত শেয়ার করেন। ভালো-মন্দ দিক জানা যায়। পারফরম্যান্স, ব্যাটারি লাইফ, বিল্ড কোয়ালিটি রিভিউতে থাকে। প্রাইস-টু-পারফরম্যান্স রেশিও গুরুত্বপূর্ণ। কোন মডেল ভ্যালু ফর মানি তা জানা যায়। সার্ভিস কোয়ালিটি নিয়েও আলোচনা হয়। ওয়ারেন্টি ক্লেইম সহজ কিনা তা জানতে পারবেন। অনলাইন রিভিউ পড়ে কিনলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কম। কাস্টমার রেটিং দেখে ধারণা নিন। ৪-৫ স্টার রেটিং ভালো মান নির্দেশ করে।
Asus Laptop কেনার গাইড সম্পর্কে জানার আগে কিছু পয়েন্ট:
- প্রথমে আপনার বাজেট ঠিক করুন এবং প্রয়োজন চিহ্নিত করুন
- প্রসেসর, র্যাম, স্টোরেজ স্পেসিফিকেশন ভালো করে দেখুন
- ব্যাটারি লাইফ ও ওজন বহনযোগ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ
- ডিসপ্লে কোয়ালিটি চেক করুন, IPS প্যানেল ভালো
- ওয়ারেন্টি ও আফটার সেলস সার্ভিস সম্পর্কে নিশ্চিত হন
ল্যাপটপ সম্পর্কিত আরও পোস্ট দেখতে
👉 ল্যাপটপ ক্যাটাগরি দেখুন।
উপসংহার
Asus Laptop বাংলাদেশে একটি নির্ভরযোগ্য পছন্দ। সব বাজেট ও প্রয়োজন মেটানো মডেল পাওয়া যায়। স্টুডেন্ট, প্রফেশনাল, গেমার সবার জন্য উপযুক্ত। দাম প্রতিযোগিতামূলক এবং পারফরম্যান্স ভালো। স্পেসিফিকেশন জেনে কিনলে ভুল হবে না। বাজার রিসার্চ করে সঠিক মডেল বেছে নিন। অথরাইজড ডিলার থেকে কিনলে ওয়ারেন্টি নিশ্চিত। অফার সময়ে কিনলে সাশ্রয় হয়। অনলাইন বা অফলাইন যেখানেই কিনুন, ভালো করে চেক করুন। Asus Laptop লম্বা সময় টেকসই সেবা দেয়। সঠিক যত্ন নিলে ৫-৭ বছর চলবে। এই লেখা থেকে আপনি বিস্তারিত ধারণা পেয়েছেন আশা করি। এখন আপনার পছন্দের মডেল বেছে নিতে পারবেন সহজে।
লেখকের নোট: ধন্যবাদ এই সম্পূর্ণ গাইড পড়ার জন্য। আশা করি Asus Laptop সম্পর্কে আপনার সব প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন। সঠিক মডেল বেছে নিয়ে ভালো বিনিয়োগ করুন। আপনার নতুন Asus Laptop দীর্ঘদিন ভালো সেবা দিক।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)
বাংলাদেশে Asus Laptop এর দাম কত থেকে শুরু?
বাংলাদেশে Asus Laptop এর দাম ৩০,০০০ টাকা থেকে শুরু হয়। বেসিক মডেল এই দামে পাওয়া যায়। স্পেসিফিকেশন বাড়ালে দাম বাড়ে। হাই-এন্ড মডেল ১,৫০,০০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়।
Asus Laptop এ কোন প্রসেসর ভালো?
Asus Laptop এ Intel Core i5 বা AMD Ryzen 5 ভালো। মিডরেঞ্জ কাজের জন্য পারফেক্ট। বাজেট কম থাকলে Core i3 নিতে পারেন। হেভি কাজে Core i7 দরকার।
গেমিংয়ের জন্য কোন Asus Laptop সেরা?
গেমিংয়ের জন্য Asus TUF Gaming বা ROG সিরিজ সেরা। RTX গ্রাফিক্স কার্ড থাকতে হবে। Core i7 প্রসেসর ও ১৬GB র্যাম দরকার। ১৪৪Hz ডিসপ্লে গেমপ্লে স্মুথ করে।
Asus Laptop এর ব্যাটারি কতক্ষণ চলে?
Asus Laptop এর ব্যাটারি ৫-৮ ঘণ্টা চলে। মডেল ও ব্যবহার অনুযায়ী ভিন্ন হয়। বেসিক কাজে বেশি সময় চলে। গেমিং বা ভারী সফটওয়্যারে কম সময় চলে।
Asus Laptop কোথা থেকে কিনলে ভালো?
Asus Laptop অথরাইজড ডিলার থেকে কিনলে ভালো। মাল্টিপ্ল্যান, বসুন্ধরা সিটি, Asus শোরুমে পাবেন। অনলাইনে Daraz, Startech নির্ভরযোগ্য। ওয়ারেন্টি চেক করে কিনুন।
Asus Laptop এর ওয়ারেন্টি কত বছরের?
Asus Laptop এর ওয়ারেন্টি সাধারণত ১-২ বছরের হয়। মডেল ভেদে ভিন্ন হতে পারে। এক্সটেন্ডেড ওয়ারেন্টি কিনতে পারবেন। সার্ভিস সেন্টারে ক্লেইম করা সহজ।
স্টুডেন্টদের জন্য কোন Asus Laptop ভালো?
স্টুডেন্টদের জন্য Asus Vivobook 15 ভালো। Core i3, ৮GB র্যাম, ২৫৬GB SSD যথেষ্ট। দাম ৪৫,০০০-৫৫,০০০ টাকার মধ্যে। হালকা ও বহনযোগ্য মডেল পছন্দ করুন।
Asus Laptop এ উইন্ডোজ কিভাবে ইনস্টল করব?
Asus Laptop এ উইন্ডোজ ইনস্টল করতে বুটেবল USB লাগবে। বুট মেনুতে গিয়ে USB সিলেক্ট করুন। সেটআপ ফলো করে ইনস্টল করুন। ড্রাইভার Asus সাপোর্ট সাইট থেকে ডাউনলোড করুন।
Asus Laptop এর পার্টস কোথায় পাওয়া যায়?
Asus Laptop এর পার্টস সার্ভিস সেন্টারে পাওয়া যায়। মাল্টিপ্ল্যান কম্পিউটার মার্কেটেও পাবেন। অনলাইনে অর্ডার করতে পারবেন। অরিজিনাল পার্ট কিনবেন সব সময়।
Asus Laptop এর দাম কি কমবে?
Asus Laptop এর দাম অফার সময় কমে। নতুন মডেল আসলে পুরনো মডেল সস্তা হয়। ডলার রেট কমলে দাম কমতে পারে। মেগা সেলে ভালো ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়।
🔥 পোস্টটি শেয়ার করুনঃ 🌍






