আজকের দিনে অনেকেই অতিরিক্ত আয়ের কথা ভাবেন। পার্ট টাইম জব এখন খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ছাত্র থেকে শুরু করে গৃহিণী সবাই এই কাজ করতে পারেন। এই লেখায় আপনি জানবেন পার্ট টাইম জব সম্পর্কে সব কিছু। কীভাবে খুঁজবেন এবং কীভাবে শুরু করবেন তাও জানতে পারবেন।
পার্ট টাইম জব কি
পার্ট টাইম জব হলো এমন কাজ যা সারাদিন করতে হয় না। আপনি নিজের সুবিধামতো সময়ে কাজ করতে পারেন। সাধারণত দিনে ২ থেকে ৬ ঘণ্টা কাজ করতে হয়। এই কাজ করে আপনি অতিরিক্ত টাকা আয় করতে পারবেন। অনেকে পড়াশোনার পাশাপাশি এই কাজ করেন। আবার অনেকে মূল চাকরির পাশাপাশি পার্ট টাইম কাজ করেন। এটি আপনার আর্থিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। সময় এবং দক্ষতা অনুযায়ী কাজ বেছে নিতে পারেন।
পার্ট টাইম জব বাংলাদেশ

বাংলাদেশে পার্ট টাইম জব এর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। অনেক কোম্পানি এখন খণ্ডকালীন কর্মী নিয়োগ দেয়। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট সব জায়গায় এই সুযোগ আছে। বিশেষ করে শপিং মল, রেস্তোরাঁ এবং কল সেন্টারে কাজ পাওয়া যায়। অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও প্রচুর কাজ রয়েছে। তরুণরা এই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন প্রতিদিন। দেশের অর্থনীতিতেও এর ভালো প্রভাব পড়ছে।
পার্ট টাইম জব ঢাকা
ঢাকা শহরে পার্ট টাইম জব খোঁজা সহজ। এখানে অনেক ধরনের কাজের সুযোগ রয়েছে। গুলশান, বনানী, ধানমন্ডিতে অনেক অফিস আছে। এসব জায়গায় ডাটা এন্ট্রি, কাস্টমার সার্ভিসের কাজ পাবেন। অনেক ক্যাফে এবং ফাস্ট ফুড শপেও কাজ আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর এলাকায় টিউশনি পাওয়া যায়। যাত্রাবাড়ী, মিরপুরেও বিভিন্ন দোকানে কাজের সুযোগ রয়েছে।
পার্ট টাইম জব চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম বন্দর শহর হওয়ায় এখানে কাজের অভাব নেই। অনেক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এখানে অবস্থিত। আগ্রাবাদ এলাকায় অনেক অফিস রয়েছে যেখানে কাজ পাবেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় টিউশনির চাহিদা বেশি। পাহাড়তলী, নাসিরাবাদ এলাকায় শপিং সেন্টারে কাজ আছে। অনেক কলসেন্টার এবং আইটি কোম্পানি পার্ট টাইম নিয়োগ দেয়। সমুদ্র বন্দরের কারণে লজিস্টিক সেক্টরেও সুযোগ আছে।
বর্তমানে জনপ্রিয় পার্ট টাইম জব
এখন যেসব পার্ট টাইম জব খুব জনপ্রিয়:
- ফ্রিল্যান্সিং: ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, কন্টেন্ট রাইটিং খুব চাহিদা সম্পন্ন কাজ
- ডেলিভারি সার্ভিস: ফুড পান্ডা, পাঠাও, শোভায় ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কাজ করা যায়
- অনলাইন টিউটর: ঘরে বসে শিক্ষার্থীদের পড়ানো যায় অনলাইনে
- ইউটিউব কন্টেন্ট ক্রিয়েটর: ভিডিও তৈরি করে আয় করার সুযোগ
- সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার: কোম্পানির ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম পেজ পরিচালনা
ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজও এখন খুব জনপ্রিয়। অনেকে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবেও কাজ করছেন। ই-কমার্স সাইটে প্রোডাক্ট লিস্টিং এর কাজ পাওয়া যায়। ডাটা এন্ট্রির কাজও খুব বেশি পরিমাণে আছে। কাস্টমার সাপোর্ট এক্সিকিউটিভ হিসেবে অনেকে কাজ করছেন। অ্যাপ টেস্টিং এবং সার্ভে করেও আয় করা যায়।
অনলাইন পার্ট টাইম জব
অনলাইন পার্ট টাইম জব এর সবচেয়ে বড় সুবিধা ঘরে বসে কাজ করা। ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই যথেষ্ট কাজ করার জন্য। আপওয়ার্ক, ফাইভার এসব সাইটে প্রচুর কাজ পাবেন। বাংলা কন্টেন্ট রাইটিং এর চাহিদা এখন অনেক বেশি। ট্রান্সক্রিপশন, অনুবাদের কাজও করতে পারেন আপনি। ভয়েস ওভার, ভিডিও এডিটিং শিখে আয় করা যায়। সবচেয়ে ভালো দিক হলো নিজের সময় মতো কাজ করা।
ঘরে বসে পার্ট টাইম জব
ঘরে বসে পার্ট টাইম জব করা এখন খুবই সহজ। আপনার প্রয়োজন শুধু একটি স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ। অনলাইন সার্ভে করে মাসে ভালো টাকা আয় করা যায়। হস্তশিল্প তৈরি করে ফেসবুকে বিক্রি করতে পারেন। রান্নার দক্ষতা থাকলে হোম ডেলিভারি শুরু করুন। অনলাইন মার্কেটপ্লেসে নিজের পণ্য বিক্রি করা যায়। ব্লগিং করে অ্যাডসেন্স থেকেও আয় হয় ভালো। ভার্চুয়াল টিচিং দিয়ে ছাত্রদের পড়াতে পারেন সহজেই।
ঘরে বসে কাজের সুবিধা:
- সময়ের স্বাধীনতা: নিজের ইচ্ছামতো সময়ে কাজ করতে পারবেন
- যাতায়াত খরচ সাশ্রয়: বাইরে যেতে হয় না বলে টাকা বাঁচে
- পরিবারের সাথে থাকা: বাসায় থেকেই পরিবারের যত্ন নেওয়া যায়
- নিজের পেস: কাজের চাপ নিজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়
- মানসিক শান্তি: নিজের পরিবেশে কাজ করে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ হয়
ছাত্রদের জন্য পার্ট টাইম জব
ছাত্রদের জন্য পার্ট টাইম জব অত্যন্ত উপকারী একটি সুযোগ। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের খরচ নিজে চালাতে পারেন। ক্লাসের পর বিকেল বা সন্ধ্যায় কাজ করা যায়। অনেক ক্যাফে এবং রেস্তোরাঁ ছাত্রদের নিয়োগ দেয়। প্রাইভেট টিউটর হিসেবে ছোট ক্লাসের বাচ্চাদের পড়াতে পারেন। কম্পিউটার টাইপিং জানলে ডাটা এন্ট্রির কাজ করুন। ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও অনেকে কাজ করছেন এখন।
মেয়েদের জন্য পার্ট টাইম জব
মেয়েদের জন্য এখন অনেক নিরাপদ পার্ট টাইম জব আছে। ঘরে বসে কাজের সুযোগ তাদের জন্য বেশি সুবিধাজনক। অনলাইন বুটিক ব্যবসা শুরু করতে পারেন খুব সহজেই। মেহেদি ডিজাইন, পার্লারের কাজ শিখে আয় করা যায়। অনলাইন শিক্ষকতা মেয়েদের জন্য খুব ভালো একটি কাজ। কন্টেন্ট রাইটিং, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করুন। সেলাই, বুনন কাজ শিখে অনলাইনে বিক্রি করুন পণ্য।
ফ্রিল্যান্স পার্ট টাইম জব
ফ্রিল্যান্স পার্ট টাইম জব অনেক স্বাধীনতা দেয় কাজে। আপনি নিজেই ক্লায়েন্ট খুঁজে নিতে পারবেন এখানে। ফাইভার, আপওয়ার্কে একাউন্ট খুলে কাজ শুরু করুন। গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে লোগো, ব্যানার ডিজাইন করতে পারেন। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট জানলে ওয়েবসাইট তৈরির কাজ পাবেন। এসইও, ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজও অনেক আছে এখানে। প্রথম দিকে কম দামে কাজ করে রিভিউ সংগ্রহ করুন।
ফ্রিল্যান্সিং এর জনপ্রিয় কাজ:
- ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট: ওয়ার্ডপ্রেস, শপিফাই সাইট তৈরি করা
- গ্রাফিক্স ডিজাইন: পোস্টার, লোগো, ব্যানার ডিজাইন করা
- ডিজিটাল মার্কেটিং: ফেসবুক, গুগল অ্যাড চালানো শেখানো
- কন্টেন্ট রাইটিং: ব্লগ পোস্ট, আর্টিকেল, প্রোডাক্ট ডিস্ক্রিপশন লেখা
- ভিডিও এডিটিং: ইউটিউব ভিডিও, বিজ্ঞাপন এডিট করা
পার্ট টাইম চাকরি
পার্ট টাইম চাকরি মানে অল্প সময়ের জন্য নিয়মিত কাজ। অনেক কোম্পানি সন্ধ্যার শিফটে কর্মী নিয়োগ দেয়। ব্যাংক, শপিং মল, সুপার শপে পার্ট টাইম চাকরি পাবেন। কল সেন্টারে সন্ধ্যার শিফট খুব জনপ্রিয় এখন। অনেক স্কুল, কোচিং সেন্টারে শিক্ষক নেয় পার্ট টাইম। হোটেল, রেস্তোরাঁয় ওয়েটার, ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজ করা যায়। ফার্মেসিতেও সন্ধ্যার শিফটে কাজের সুযোগ রয়েছে ভালো।
পার্ট টাইম কাজ কি
পার্ট টাইম কাজ হলো সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য কাজ। সারা দিন কাজ করতে হয় না এই ধরনের কাজে। আপনার সুবিধা মতো শিফট বেছে নিতে পারবেন এখানে। অনেকে সকালের কাজ, অনেকে সন্ধ্যার কাজ করেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও এই কাজ করা যায়। মূল কাজের পাশাপাশি অতিরিক্ত আয়ের উপায় এটি। আপনার দক্ষতা কাজে লাগিয়ে টাকা আয় করুন সহজে।
প্রতিদিন পার্ট টাইম জব
প্রতিদিন পার্ট টাইম জব করে নিয়মিত আয় করা সম্ভব। অনেকে সকালে ২-৩ ঘণ্টা কাজ করেন ডেলিভারি সার্ভিসে। খবরের কাগজ বিতরণ, দুধ বিতরণ এর কাজ আছে। অনলাইনে প্রতিদিন ছোট ছোট টাস্ক সম্পন্ন করে আয় করুন। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট প্রতিদিন করা যায় ঘরে বসে। মাইক্রো জব সাইটে প্রতিদিনই নতুন কাজ পাওয়া যায়। ব্লগ লিখে, ভিডিও বানিয়ে নিয়মিত আয় হতে পারে।
| কাজের ধরন | দৈনিক সময় | আয় | দক্ষতা প্রয়োজন |
| ডেলিভারি সার্ভিস | ৩-৪ ঘণ্টা | ৩০০-৫০০ টাকা | মোটরসাইকেল চালানো |
| অনলাইন সার্ভে | ১-২ ঘণ্টা | ১০০-২০০ টাকা | ইন্টারনেট ব্যবহার |
| ডাটা এন্ট্রি | ২-৩ ঘণ্টা | ২০০-৪০০ টাকা | টাইপিং দক্ষতা |
| প্রাইভেট টিউশন | ২ ঘণ্টা | ৫০০-১০০০ টাকা | বিষয় জ্ঞান |
রাতের পার্ট টাইম জব
রাতের পার্ট টাইম জব দিনে যারা ব্যস্ত তাদের জন্য। অনেক কল সেন্টার রাতের শিফটে কাজ দেয়। আন্তর্জাতিক কোম্পানির সাথে যোগাযোগের কাজ রাতে হয়। ফ্রিল্যান্সিং রাতে করলে বিদেশি ক্লায়েন্ট পাওয়া সহজ। ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে এমন দোকানে কাজ পাবেন। নিরাপত্তা প্রহরী, হোটেল রিসেপশনিস্ট হিসেবে কাজ করা যায়। অনলাইন টিউটরিং রাতে করলে বিদেশি ছাত্র পাওয়া যায়।
সপ্তাহে ২ দিন পার্ট টাইম জব
সপ্তাহে ২ দিন পার্ট টাইম জব যারা খুব কম সময় দিতে পারেন। শুক্রবার, শনিবার ছুটির দিনে এই কাজ করা যায়। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিতে সাপ্তাহিক কাজ পাবেন। শপিং মল সপ্তাহান্তে বেশি ব্যস্ত থাকে বলে লোক নেয়। অনেকে শুধু সপ্তাহান্তে ফটোগ্রাফি করে আয় করেন। ইভেন্টে হোস্ট, ডেকোরেটর হিসেবে কাজের সুযোগ আছে। ফ্রি মার্কেট, মেলায় স্টল দিয়ে ব্যবসা করা যায়।
২ ঘণ্টা পার্ট টাইম জব
২ ঘণ্টা পার্ট টাইম জব খুবই সংক্ষিপ্ত সময়ের কাজ। সকালে বা সন্ধ্যায় মাত্র ২ ঘণ্টা সময় দিতে হয়। ছোট বাচ্চাদের টিউশন পড়ানো এই সময়েই হয়। অনলাইনে মাইক্রো টাস্ক করে আয় করতে পারবেন। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করার কাজ ২ ঘণ্টায় শেষ হয়। ডেলিভারি সার্ভিসে পিক আওয়ারে কাজ করুন মাত্র ২ ঘণ্টা। অনলাইন সার্ভে, অ্যাপ টেস্টিং এই সময়ে করা যায়।
২ ঘণ্টার কাজের উদাহরণ:
- প্রাইভেট টিউশন: ছোট ক্লাসের বাচ্চাদের এক বা দুই বিষয় পড়ানো
- সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট: ফেসবুক পেজে পোস্ট, কমেন্ট রিপ্লাই করা
- ডেলিভারি পিক আওয়ার: সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত ডেলিভারি করা
- অনলাইন ডাটা এন্ট্রি: নির্দিষ্ট সংখ্যক তথ্য টাইপ করা
- ভয়েস ওভার রেকর্ডিং: ছোট স্ক্রিপ্ট রেকর্ড করে পাঠানো
৪ ঘণ্টা পার্ট টাইম জব
৪ ঘণ্টা পার্ট টাইম জব সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সুবিধাজনক। সকাল ৯টা থেকে ১টা বা বিকেল ৩টা থেকে ৭টা কাজ করতে পারবেন। অফিসের অনেক কাজ ৪ ঘণ্টার শিফটে হয়। রেস্তোরাঁয় লাঞ্চ বা ডিনার শিফট ৪ ঘণ্টার হয়। কল সেন্টারে এই সময়ের শিফট খুব চাহিদা সম্পন্ন। রিটেইল শপে সন্ধ্যার শিফট ৪ ঘণ্টার জন্য কাজ করা যায়। কোচিং সেন্টারে বিকেলের ব্যাচে পড়ানো যায় এই সময়।
| কাজের ক্ষেত্র | শিফট টাইম | মাসিক আয় | উপযুক্ত |
| কল সেন্টার | সন্ধ্যা ৬-১০টা | ৮০০০-১২০০০ টাকা | ছাত্র/চাকরিজীবী |
| রেস্তোরাঁ | দুপুর ১২-৪টা | ৬০০০-১০০০০ টাকা | যে কেউ |
| টিউশন | বিকেল ৪-৮টা | ১০০০০-১৫০০০ টাকা | শিক্ষার্থী/শিক্ষক |
| রিটেইল শপ | সন্ধ্যা ৫-৯টা | ৭০০০-১১০০০ টাকা | তরুণ/তরুণী |
অনলাইন চাকরি পার্ট টাইম
অনলাইন চাকরি পার্ট টাইম বর্তমানে খুব জনপ্রিয় হয়েছে। বিভিন্ন কোম্পানি রিমোট ওয়ার্কার নিয়োগ দিচ্ছে নিয়মিত। ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে অনেক কাজ পাওয়া যায়। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার, কন্টেন্ট রাইটার চাহিদা বেশি। গ্রাফিক্স ডিজাইনার, ওয়েব ডেভেলপার প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে। কাস্টমার সাপোর্ট এক্সিকিউটিভ হিসেবে ঘরে বসে কাজ করুন। ইমেইল মার্কেটিং, এসইও এর কাজও অনলাইনে পাওয়া যায়।
পার্ট টাইম জব বেতন কত
পার্ট টাইম জব বেতন নির্ভর করে কাজের ধরনের উপর। সাধারণত মাসে ৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা আয় সম্ভব। ডেলিভারি রাইডার মাসে ১০-১৫ হাজার টাকা আয় করেন। টিউটর হিসেবে মাসে ১৫-২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পাওয়া যায়। অনলাইন কাজে দক্ষতা অনুযায়ী বেতন ২০-৫০ হাজার টাকাও হতে পারে। রেস্তোরাঁয় ওয়েটার হিসেবে মাসে ৮-১২ হাজার টাকা পাবেন। কল সেন্টারে ৪ ঘণ্টা কাজে ১০-১৫ হাজার টাকা বেতন মিলে।
পার্ট টাইম জব কোথায় পাওয়া যায়
পার্ট টাইম জব পাওয়ার অনেক মাধ্যম রয়েছে এখন বাংলাদেশে। অনলাইন জব পোর্টাল যেমন বিডিজবস, ভুবনডটকম দেখুন নিয়মিত। ফেসবুক গ্রুপে অনেক পার্ট টাইম কাজের বিজ্ঞাপন পাবেন। পত্রিকার শেষ পাতায় প্রতিদিন চাকরির বিজ্ঞাপন থাকে। সরাসরি দোকান, রেস্তোরাঁয় গিয়ে জিজ্ঞাসা করতে পারেন কাজের জন্য। বন্ধু, আত্মীয়দের মাধ্যমে রেফারেন্স চাইতে পারেন সহজেই। লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করে কাজ খুঁজে নিন পেশাদারভাবে।
BD পার্ট টাইম জব
বাংলাদেশে পার্ট টাইম জব এর বাজার দিন দিন বড় হচ্ছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট সব শহরেই সুযোগ বাড়ছে নিয়মিত। গার্মেন্টস সেক্টরে কোয়ালিটি চেকার হিসেবে পার্ট টাইম কাজ আছে। এনজিও সেক্টরে ফিল্ড ওয়ার্কার হিসেবে কাজ পাওয়া যায়। অনেক কোম্পানি মার্কেট রিসার্চের জন্য পার্ট টাইম নিয়োগ দেয়। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিগুলো মাঝে মাঝে লোক নেয়। টেলিকম কোম্পানিগুলো প্রমোটার হিসেবে পার্ট টাইম কাজ দেয়।
| শহর | জনপ্রিয় পার্ট টাইম কাজ | গড় মাসিক আয় |
| ঢাকা | ডাটা এন্ট্রি, ডেলিভারি, টিউশন | ১০,০০০-২০,০০০ টাকা |
| চট্টগ্রাম | কল সেন্টার, শপিং মল, টিউশন | ৮,০০০-১৮,০০০ টাকা |
| সিলেট | রেস্তোরাঁ, টিউশন, ডেলিভারি | ৭,০০০-১৫,০০০ টাকা |
| রাজশাহী | টিউশন, ডাটা এন্ট্রি, দোকান | ৬,০০০-১৪,০০০ টাকা |
পার্ট টাইম জব অ্যাপ
পার্ট টাইম জব খুঁজতে মোবাইল অ্যাপ খুব সহায়ক এখন। পাঠাও, শোভা অ্যাপে ড্রাইভার হিসেবে কাজ করা যায়। ফুড পান্ডা, হাংরিনাকি এপ্সে ডেলিভারি ম্যান হওয়া সম্ভব। বিকাশ, নগদ এজেন্ট হয়ে আয় করতে পারবেন। অনলাইন কেনাকাটা অ্যাপে মার্কেটিং করে কমিশন পাওয়া যায়। ফ্রিল্যান্সিং অ্যাপ ফাইভার, আপওয়ার্ক দিয়ে কাজ করুন সহজে। ভাষা শেখানো অ্যাপে টিউটর হিসেবে যুক্ত হতে পারেন।
মোবাইলে পার্ট টাইম জব
মোবাইলে পার্ট টাইম জব এখন খুবই জনপ্রিয় হয়েছে। শুধু একটি স্মার্টফোন দিয়েই আয় শুরু করা যায়। অনলাইন সার্ভে করে প্রতিদিন ১০০-২০০ টাকা আয় করুন। মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্ট হয়ে মাসে ভালো টাকা আয় করা যায়। ছবি তুলে স্টক ফটো সাইটে বিক্রি করতে পারবেন। অ্যাপ টেস্টিং করে প্রতি টেস্টে ১০০-৫০০ টাকা পাবেন। ভিডিও দেখে, গেম খেলে আয় করার অ্যাপ আছে অনেক।
ঘরে বসে আয় করার উপায়
ঘরে বসে আয় করার অনেক উপায় রয়েছে এখন। ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে লাখ টাকাও আয় সম্ভব। ইউটিউব চ্যানেল খুলে ভিডিও বানিয়ে আয় করুন। ব্লগিং করে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ইনকাম করা যায়। অনলাইন শপ খুলে পণ্য বিক্রি করতে পারেন সহজেই। হস্তশিল্প তৈরি করে ফেসবুক পেজে বিক্রি করুন। অনলাইন কোর্স তৈরি করে বিক্রি করার সুযোগ আছে। এফিলিয়েট মার্কেটিং করে প্রোডাক্ট প্রমোট করে আয় করুন।
ঘরে বসে আয়ের জনপ্রিয় মাধ্যম:
- ফ্রিল্যান্সিং: আপওয়ার্ক, ফাইভার এ কাজ করে আয়
- ইউটিউব: ভিডিও বানিয়ে অ্যাডসেন্স থেকে আয়
- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং: অন্যের পণ্য বিক্রি করে কমিশন
- অনলাইন শপ: ফেসবুক পেজে পণ্য বিক্রি করা
- অনলাইন কোর্স: নিজের দক্ষতা শেখিয়ে আয় করা
Part time job in Bangladesh
বাংলাদেশে পার্ট টাইম জবের সুযোগ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতিদিন। অনেক আন্তর্জাতিক কোম্পানি এখন এখান থেকে দূরবর্তী কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে। ইংরেজি ভাষায় কাস্টমার সাপোর্ট জব এখন খুব জনপ্রিয়। ডাটা এন্ট্রি, ট্রান্সক্রিপশন কাজ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য উপলব্ধ রয়েছে। অনেক স্টার্টআপ কর্মচারীদের জন্য নমনীয় কাজের সময় দিচ্ছে। টেক কোম্পানিগুলো প্রায়ই পার্ট টাইম ডেভেলপার, ডিজাইনার খোঁজে। বাংলাদেশে গিগ ইকোনমি দিন দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে ভালোভাবে।
| কাজের ধরন | প্রয়োজনীয় দক্ষতা | মাসিক আয় | সুবিধা |
| কন্টেন্ট রাইটিং | ইংরেজি, রিসার্চ | ৮,০০০-২৫,০০০ টাকা | অনেক বেশি |
| গ্রাফিক্স ডিজাইন | ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর | ১০,০০০-৩০,০০০ টাকা | অনেক বেশি |
| ওয়েব ডেভেলপমেন্ট | HTML, CSS, JS | ১৫,০০০-৫০,০০০ টাকা | মাঝারি |
| ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট | যোগাযোগ, সংগঠন | ৮,০০০-২০,০০০ টাকা | অনেক বেশি |
Online part time job bd
অনলাইন পার্ট টাইম জব বিডি সেক্টর এখন দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেক বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার প্রতিদিন ঘরে বসে ডলার আয় করছেন। আপওয়ার্ক, ফাইভার, ফ্রিল্যান্সার প্ল্যাটফর্মে হাজার হাজার বাংলাদেশি কর্মী আছেন। ইংরেজিতে কন্টেন্ট রাইটিং এর চাহিদা অত্যন্ত বেশি এখন। বিদেশি ক্লায়েন্টদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট ভালো বেতন দেয়। বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদের কাজ নিয়মিত পাওয়া যায়। ইউটিউব চ্যানেলের জন্য ভিডিও এডিটিং, থাম্বনেইল তৈরি জনপ্রিয় কাজ। বাংলাদেশ থেকে এসইও বিশেষজ্ঞরা আন্তর্জাতিক কোম্পানির সাথে সফলভাবে কাজ করছেন।
Work from home part time job
ওয়ার্ক ফ্রম হোম পার্ট টাইম জব আপনাকে চূড়ান্ত স্বাধীনতা দেয়। আপনি নিজের সুবিধা অনুযায়ী সময় পরিচালনা করতে পারবেন। প্রতিদিন যাতায়াতে টাকা খরচ করার প্রয়োজন নেই একদম। ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট জব ঘরে বসে কাজের জন্য পারফেক্ট। ঘর থেকে অনলাইন টিউটরিং এখন খুবই সুবিধাজনক হয়েছে। ট্রান্সক্রিপশন কাজ ঘর থেকে সহজেই করা যায়। ইমেইল মার্কেটিং, ডাটা রিসার্চ জবে অফিসে যাওয়ার দরকার নেই। ব্লগিং, কন্টেন্ট ক্রিয়েশন মধ্যরাতেও করা যায় সহজেই।
Part time job salary in Bangladesh
বাংলাদেশে পার্ট টাইম জব বেতন কাজের ধরনের উপর নির্ভর করে। রিটেইল শপে আপনি মাসে ৬,০০০-১০,০০০ টাকা আয় করতে পারবেন। কল সেন্টার জবে ৪ ঘণ্টা কাজে প্রায় ১০,০০০-১৫,০০০ টাকা দেয়। অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং দক্ষতা অনুযায়ী ২০,০০০-১,০০,০০০ টাকা আনতে পারে। টিউটরিং জব সাধারণত ঘণ্টায় ৫০০-১,৫০০ টাকা দেয় নিয়মিত। ডেলিভারি রাইডাররা গড়ে প্রতিদিন ৩০০-৫০০ টাকা আয় করেন। ডাটা এন্ট্রি জবে সাধারণত মাসে ৮,০০০-১২,০০০ টাকা বেতন মেলে।
Part time job without investment
বিনিয়োগ ছাড়া পার্ট টাইম জব বেশিরভাগ মানুষ খোঁজেন এখন। ফ্রিল্যান্সিং কাজ শুরু করতে কোনো টাকার প্রয়োজন নেই। কন্টেন্ট রাইটিং এর জন্য শুধু একটি কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট চাই। ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট কাজ শুরু করতে শূন্য বিনিয়োগ লাগে। অনলাইন টিউটরিং আজ শুধু একটি স্মার্টফোন দিয়ে শুরু করা যায়। সার্ভে সাইটগুলো কোনো রেজিস্ট্রেশন ফি চায় না একদম। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট শুরু করতে কোনো অগ্রিম খরচ লাগে না। ইউটিউব কন্টেন্ট ক্রিয়েশন আপনার যাত্রা শুরু করতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
Part time job for students

ছাত্রছাত্রীদের জন্য পার্ট টাইম জব খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সুযোগ। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের খরচ নিজে চালানো যায়। লাইব্রেরিতে পার্ট টাইম সহায়ক হিসেবে কাজ করা যায়। ক্যাম্পাস ক্যান্টিনে সন্ধ্যার শিফটে কাজ পাওয়া যায়। জুনিয়র ছাত্রদের টিউশন পড়ানো খুব ভালো একটি কাজ। নোট টাইপিং, এসাইনমেন্ট তৈরি করে আয় করা যায়। অনলাইনে কন্টেন্ট রাইটিং করে মাসে ভালো টাকা আয় করুন। ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হয়ে কোম্পানির প্রোডাক্ট প্রমোট করতে পারেন।
চাকরির খবর সম্পর্কিত আরও পোস্ট দেখতে
👉 চাকরির খবর ক্যাটাগরি দেখুন।
উপসংহার
পার্ট টাইম জব আপনার জীবনে নতুন সম্ভাবনা খুলে দিতে পারে। এটি শুধু আর্থিক সাহায্যই নয়, নতুন দক্ষতা শেখার সুযোগও। আপনার সময় এবং দক্ষতা অনুযায়ী কাজ বেছে নিন। ছোট থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে বড় হতে পারেন। ধৈর্য এবং নিয়মিত কাজ করা খুব জরুরি এখানে। অনলাইন হোক বা অফলাইন, সুযোগ আছে সব জায়গায়। নিজের লক্ষ্য ঠিক করুন এবং কাজ শুরু করুন আজ থেকেই।
মনে রাখবেন, প্রতিটি বড় সাফল্য ছোট পদক্ষেপ দিয়ে শুরু হয়। পার্ট টাইম জব আপনার ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা যোগ করবে। নতুন মানুষের সাথে পরিচয়, নতুন জিনিস শেখার সুযোগ পাবেন। আর্থিক স্বাধীনতা আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াবে অনেকটাই। তাই আর দেরি না করে আজই শুরু করুন খোঁজা।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী(FAQs)
পার্ট টাইম জব শুরু করতে কী কী লাগে?
পার্ট টাইম জব শুরু করতে বেশি কিছু লাগে না। একটি জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন প্রয়োজন হয়। কিছু কাজের জন্য মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক একাউন্ট লাগে। অনলাইন কাজের জন্য ইন্টারনেট সংযোগ এবং একটি ডিভাইস চাই। দক্ষতা অনুযায়ী কাজ বেছে নিলে সহজ হয় শুরু করা।
ছাত্রদের জন্য কোন পার্ট টাইম জব সবচেয়ে ভালো?
ছাত্রদের জন্য টিউশন সবচেয়ে ভালো পার্ট টাইম জব। পড়াশোনার সাথে মিল থাকায় সহজ হয় কাজটি। অনলাইন কন্টেন্ট রাইটিং, ডাটা এন্ট্রিও ভালো অপশন। ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করলে নেটওয়ার্কিং হয়। ফ্রিল্যান্সিং শিখলে ভবিষ্যতে অনেক কাজে লাগে।
পার্ট টাইম জব করে মাসে কত টাকা আয় করা যায়?
পার্ট টাইম জব করে মাসে ৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় সম্ভব। কাজের ধরন এবং আপনার দক্ষতার উপর নির্ভর করে আয়। সাধারণ ডেলিভারি কাজে ১০-১৫ হাজার টাকা পাওয়া যায়। ফ্রিল্যান্সিং এ দক্ষ হলে ৩০-৫০ হাজার টাকাও আয় করা যায়। টিউশন করলে ১৫-২৫ হাজার টাকা মাসে আয় হতে পারে।
কোন পার্ট টাইম জবে কোনো বিনিয়োগ লাগে না?
অনেক পার্ট টাইম জব আছে যেখানে কোনো বিনিয়োগ লাগে না। অনলাইন সার্ভে করতে শুধু মোবাইল এবং ইন্টারনেট লাগে। কন্টেন্ট রাইটিং শুরু করতে কোনো টাকা লাগে না মোটেও। ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হতে শুধু দক্ষতা থাকলেই যথেষ্ট। টিউশন করতে কোনো বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই একদম। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট কাজ ফ্রিতেই শুরু করা যায়।
পার্ট টাইম জব কোথায় খুঁজব?
পার্ট টাইম জব খুঁজতে অনেক মাধ্যম রয়েছে এখন। বিডিজবস, ভুবনডটকম এই ওয়েবসাইটগুলো নিয়মিত দেখুন। ফেসবুক জব গ্রুপে প্রতিদিন নতুন বিজ্ঞাপন আসে। দৈনিক পত্রিকার চাকরি বিভাগ চেক করুন সপ্তাহে। সরাসরি শপিং মল, রেস্তোরাঁয় গিয়ে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। লিংকডইনে প্রোফাইল বানিয়ে কানেক্ট করুন রিক্রুটারদের সাথে।
ঘরে বসে পার্ট টাইম জব করা কি নিরাপদ?
ঘরে বসে পার্ট টাইম জব করা সাধারণত নিরাপদ এবং সুবিধাজনক। তবে কাজ নেওয়ার আগে কোম্পানি সম্পর্কে ভালো করে জেনে নিন। কখনো কোনো কাজের জন্য আগে টাকা দেবেন না। বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম যেমন আপওয়ার্ক, ফাইভার ব্যবহার করুন। ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার আগে সতর্ক থাকুন সবসময়। কন্ট্র্যাক্ট পড়ে বুঝে তারপর সাইন করুন সাবধানে।
মেয়েদের জন্য কোন পার্ট টাইম জব ভালো?
মেয়েদের জন্য ঘরে বসে করার কাজ সবচেয়ে ভালো। অনলাইন টিউটরিং, কন্টেন্ট রাইটিং খুব উপযুক্ত কাজ। গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন শিখে কাজ করা যায়। ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করা নিরাপদ এবং ভালো। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট মেয়েদের জন্য উপযুক্ত কাজ। হস্তশিল্প তৈরি করে অনলাইনে বিক্রি করাও ভালো।
পার্ট টাইম জব করলে কি ট্যাক্স দিতে হয়?
পার্ট টাইম জব থেকে আয় নির্দিষ্ট সীমার বেশি হলে ট্যাক্স দিতে হয়। বছরে ৩ লাখ টাকার বেশি আয় হলে ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিতে হয়। তবে ছোট আয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত ট্যাক্স লাগে না। ফ্রিল্যান্সিং আয়ের জন্য আলাদা নিয়ম আছে বাংলাদেশে। সঠিক তথ্যের জন্য ট্যাক্স উপদেষ্টার সাথে কথা বলুন। আয় যদি কম হয় তবে চিন্তার কিছু নেই।
পার্ট টাইম জব কি পূর্ণকালীন চাকরিতে রূপান্তরিত হতে পারে?
হ্যাঁ, অনেক সময় পার্ট টাইম জব পূর্ণকালীন হতে পারে। ভালো পারফরম্যান্স দেখালে কোম্পানি ফুল টাইম অফার করে। অনেক কোম্পানি প্রথমে পার্ট টাইম নিয়ে পরে স্থায়ী করে। আপনার দক্ষতা এবং কাজের মান গুরুত্বপূর্ণ এখানে। নিয়মিত এবং সময়মতো কাজ করলে সুযোগ বাড়ে। ভালো সম্পর্ক তৈরি করুন সহকর্মী এবং বসের সাথে।
পার্ট টাইম জব শুরু করার সবচেয়ে ভালো সময় কখন?
পার্ট টাইম জব শুরু করার সবচেয়ে ভালো সময় এখনই। যত তাড়াতাড়ি শুরু করবেন তত দ্রুত শিখবেন এবং আয় করবেন। ছাত্র হলে প্রথম বর্ষ থেকেই শুরু করা ভালো। চাকরিজীবী হলে যখনই সময় পাবেন শুরু করুন সাথে সাথে। বছরের যেকোনো সময় শুরু করা যায় এই কাজ। দেরি না করে আজ থেকেই খোঁজা শুরু করুন।
🔥 পোস্টটি শেয়ার করুনঃ 🌍






