আপনি কি মোটরসাইকেল চালান? তাহলে মাইলেজ নিয়ে চিন্তা করেন নিশ্চয়ই। প্রতিদিন পেট্রোলের দাম বাড়ছে। তাই ভালো মাইলেজ পাওয়া খুবই জরুরি। আজ আমরা জানব মোটরসাইকেল মাইলেজ বাড়ানোর সব টিপস। এই লেখায় আছে সহজ ও কার্যকর সমাধান।
মোটরসাইকেলের মাইলেজ কত হওয়া উচিত

মোটরসাইকেলের মাইলেজ নির্ভর করে অনেক কিছুর ওপর। সাধারণত ১০০ সিসি বাইকের মাইলেজ ৫০-৬৫ কিমি হয়। ১২৫ সিসি বাইকে পাওয়া যায় ৪৫-৫৫ কিমি। ১৫০ সিসি বাইকের মাইলেজ থাকে ৩৫-৪৫ কিমি। এগুলো স্ট্যান্ডার্ড মান। আপনার বাইক যদি এর চেয়ে কম দেয় তাহলে সমস্যা আছে। চালনা পদ্ধতি ও রক্ষণাবেক্ষণে মাইলেজ বদলায়। ভালো অভ্যাস মানলে মাইলেজ বেশি পাবেন। নিয়মিত সার্ভিসিং করলে মাইলেজ ঠিক থাকে। ইঞ্জিনের অবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। পুরনো বাইকের মাইলেজ কম হতে পারে। তবে সঠিক যত্নে তা বাড়ানো যায়।
১ লিটার পেট্রোলে কত কিলোমিটার যায় মোটরসাইকেল
বাংলাদেশে বেশিরভাগ মোটরসাইকেল ১ লিটারে ৪০-৬০ কিমি যায়। ছোট সিসির বাইক বেশি মাইলেজ দেয়। ১০০ সিসি বাইক ১ লিটারে ৫৫-৬০ কিমি যায়। ১২৫ সিসি বাইক দেয় ৪৫-৫৫ কিমি। ১৫০ সিসি বা তার বেশি হলে ৩৫-৪৫ কিমি পাওয়া যায়। স্পোর্টস বাইকের মাইলেজ সবচেয়ে কম। কমিউটার বাইক দেয় সবচেয়ে বেশি মাইলেজ। চালানোর ধরনেও পার্থক্য হয়। দ্রুত গতিতে চালালে মাইলেজ কমে। স্থির গতিতে চালালে মাইলেজ বাড়ে। শহরে যানজট থাকলে মাইলেজ কম হয়। হাইওয়েতে মাইলেজ বেশি পাওয়া যায়। সঠিক টায়ার প্রেসারও মাইলেজ বাড়ায়।
১২৫ সিসি বাইকের মাইলেজ কত
১২৫ সিসি মোটরসাইকেল বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয়। এই ক্যাটাগরির বাইক ১ লিটারে ৪৫-৫৫ কিমি যায়। ব্র্যান্ড ভেদে মাইলেজ আলাদা হয়। হন্ডা সিবি শাইন দেয় প্রায় ৫০-৫৫ কিমি। ইয়ামাহা ফেজার পাওয়া যায় ৪৫-৫০ কিমি। হিরো গ্ল্যামার দেয় ৫০-৫৩ কিমি। বাজাজ পালসার ১২৫ এর মাইলেজ ৪৫-৫০ কিমি। নতুন বাইক বেশি মাইলেজ দেয়। পুরনো হলে ৩-৫ কিমি কমতে পারে।
- ভালো কোয়ালিটির পেট্রোল ব্যবহার করুন
- নিয়মিত এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার রাখুন
- ইঞ্জিন অয়েল সময়মতো বদলান
- সঠিক গিয়ার সিলেকশন করুন
১৫০ সিসি মোটরসাইকেলের মাইলেজ
১৫০ সিসি বাইক পাওয়ারফুল কিন্তু মাইলেজ একটু কম। সাধারণত এই ক্যাটাগরির বাইক ১ লিটারে ৩৫-৪৫ কিমি দেয়। ইয়ামাহা এফজেড-এস এর মাইলেজ ৪০-৪৫ কিমি। সুজুকি জিক্সার এসএফ দেয় ৪০-৪৩ কিমি। হন্ডা সিবি হর্নেট পাওয়া যায় ৩৮-৪৫ কিমি। বাজাজ পালসার ১৫০ এর মাইলেজ ৪০-৪৫ কিমি। টিভিএস অ্যাপাচি দেয় ৪০-৪৪ কিমি। এই বাইকগুলো স্পোর্টি ডিজাইনের। তাই মাইলেজ একটু কম হয়। কিন্তু পারফরম্যান্স ভালো পাওয়া যায়। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণে মাইলেজ বাড়ানো সম্ভব। ইকো মোড ব্যবহার করলে আরও বেশি মাইলেজ পাবেন।
কম দামে বেশি মাইলেজের মোটরসাইকেল
বাজারে অনেক সাশ্রয়ী মূল্যের বাইক পাওয়া যায়। হিরো স্প্লেন্ডর প্লাস দেয় ৬০-৬৫ কিমি। বাজাজ সিটি ১০০ এর মাইলেজ ৬০-৬৫ কিমি। টিভিএস স্টার সিটি দেয় ৬০-৬৫ কিমি। হন্ডা সিডি ১১০ ড্রিম পাওয়া যায় ৫৫-৬০ কিমি। ওয়াল্টন প্রাইমো এনএক্স ১১০ দেয় ৫৫-৬০ কিমি। রানার সেনচুরি ভেনচার পাওয়া যায় ৫৫-৬০ কিমি। সিম্ফনি এসআর ১০০ এর মাইলেজ ৫৫-৬০ কিমি। এগুলোর দাম ১-১.৫ লাখ টাকা। মেইনটেনেন্স খরচও কম। পার্টস সহজে পাওয়া যায়। দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য পারফেক্ট।
মোটরসাইকেলের মাইলেজ বাড়ানোর উপায়
মোটরসাইকেল মাইলেজ বাড়ানো কঠিন নয়। কিছু সহজ নিয়ম মানলেই হবে। প্রথমত নিয়মিত সার্ভিসিং করুন। ইঞ্জিন অয়েল ২০০০-৩০০০ কিমিতে বদলান। এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার রাখুন। স্পার্ক প্লাগ চেক করুন নিয়মিত। টায়ার প্রেসার সঠিক রাখুন। চেইন লুব্রিকেট করুন প্রতি সপ্তাহে। স্মুথ ড্রাইভিং করুন। হঠাৎ ব্রেক করবেন না। সঠিক গিয়ার ব্যবহার করুন। অতিরিক্ত ওজন বহন করবেন না।
- স্থির গতিতে চালান বাইক
- ইঞ্জিন ওয়ার্ম-আপ করে নিন শীতকালে
- রাস্তার অবস্থা বুঝে গতি নির্ধারণ করুন
- জেনুইন পার্টস ব্যবহার করুন সবসময়
নতুন মোটরসাইকেলের মাইলেজ কম কেন
নতুন বাইকের প্রথম ১০০০-২০০০ কিমি ব্রেকিং পিরিয়ড। এই সময় মাইলেজ কম থাকে। ইঞ্জিন পার্টসগুলো সেটল হতে সময় নেয়। পিস্টন রিং সেট হয়ে যায় ধীরে ধীরে। গিয়ারবক্স স্মুথ হতে কিছু সময় লাগে। তাই শুরুতে মাইলেজ কম পাওয়া স্বাভাবিক। ৩০০০ কিমি চালানোর পর আসল মাইলেজ পাবেন। ব্রেকিং পিরিয়ডে ভারী লোড বহন করবেন না। দ্রুত গতিতে চালাবেন না বাইক। বারবার গিয়ার পরিবর্তন এড়িয়ে চলুন। নিয়মিত সার্ভিস করান এই সময়ে। কোম্পানির নির্দেশনা মেনে চলুন। তাহলে ভবিষ্যতে ভালো মাইলেজ পাবেন।
মোটরসাইকেলের সঠিক মাইলেজ কিভাবে হিসাব করবেন
মাইলেজ হিসাব করা খুবই সহজ। প্রথমে ট্যাংক ফুল করুন সম্পূর্ণ। মিটারের রিডিং নোট করুন। এরপর স্বাভাবিকভাবে বাইক চালান। আবার যখন ট্যাংক খালি হবে তখন পুনরায় ফুল করুন। দেখুন কত লিটার পেট্রোল লেগেছে। মিটার দেখুন কত কিমি চলেছেন। এরপর হিসাব করুন মাইলেজ। মোট কিলোমিটারকে মোট লিটার দিয়ে ভাগ করুন। যে সংখ্যা আসবে সেটাই আপনার মাইলেজ। উদাহরণ দিই একটা। ধরুন আপনি ২০০ কিমি চলেছেন। পেট্রোল লেগেছে ৪ লিটার। তাহলে মাইলেজ হবে ২০০÷৪=৫০ কিমি। এভাবে প্রতি মাসে একবার চেক করুন।
মোটরবাইকের মাইলেজ কমার কারণ
মোটরসাইকেল মাইলেজ কমার অনেক কারণ আছে। পুরনো ইঞ্জিন অয়েল প্রথম কারণ। নোংরা এয়ার ফিল্টারও দায়ী। স্পার্ক প্লাগ খারাপ হলে মাইলেজ কমে। টায়ার প্রেসার কম থাকলে সমস্যা হয়। চেইন ঢিলা বা টাইট হলেও মাইলেজ কমে। জ্বালানি ইনজেক্টর নোংরা হতে পারে। কার্বুরেটর সেটিং ঠিক না থাকলে সমস্যা। ব্রেক ড্র্যাগিং হলে মাইলেজ কমে যায়। ইঞ্জিন কম্প্রেশন কমে গেলেও তা হয়।
- প্রতি ২০০০ কিমিতে ইঞ্জিন অয়েল বদলান
- মাসে একবার টায়ার প্রেসার চেক করুন
- সপ্তাহে একবার চেইন পরিষ্কার করুন
- নিয়মিত স্পার্ক প্লাগ চেক করুন
মোটরসাইকেলের ফুয়েল ইফিশিয়েন্সি টিপস
ভালো ফুয়েল ইফিশিয়েন্সি পেতে স্মার্ট ড্রাইভিং জরুরি। ৪০-৬০ কিমি গতিতে চালালে সবচেয়ে ভালো মাইলেজ পাবেন। ঘন ঘন ব্রেক এড়িয়ে চলুন। এক্সিলারেটর আস্তে চাপুন। হঠাৎ স্পিড বাড়াবেন না কখনো। সঠিক গিয়ার সিলেকশন করুন সবসময়। অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে ফেলুন বাইক থেকে। ক্যারিয়ারে ভারী বোঝা রাখবেন না। ইঞ্জিন আইডলিং কমিয়ে রাখুন। লম্বা সিগন্যালে ইঞ্জিন বন্ধ করুন। সকালে বা সন্ধ্যায় পেট্রোল ভরান। তখন পেট্রোল ঘন থাকে।
| গতি | মাইলেজ | পারফরম্যান্স |
| ৩০-৪০ কিমি | মাঝারি | কম |
| ৪০-৬০ কিমি | সর্বোচ্চ | ভালো |
| ৬০-৮০ কিমি | মাঝারি | বেশি |
| ৮০+ কিমি | সর্বনিম্ন | সর্বোচ্চ |
সেরা মাইলেজের মোটরসাইকেল বাংলাদেশ
বাংলাদেশে সবচেয়ে ভালো মাইলেজ দেয় হিরো স্প্লেন্ডর। এর মাইলেজ ৬৫-৭০ কিমি পর্যন্ত। বাজাজ সিটি ১০০ দেয় ৬০-৬৫ কিমি। হন্ডা সিডি ১১০ ড্রিম পাওয়া যায় ৫৮-৬২ কিমি। টিভিএস স্টার সিটি দেয় ৬০-৬৫ কিমি। হিরো এইচএফ ডিলাক্স এর মাইলেজ ৬০-৬৫ কিমি। সুজুকি হায়াবুসা দেয় ৫৮-৬২ কিমি। ইয়ামাহা সালুটো এর মাইলেজ ৬০-৬৫ কিমি। রানার কার্টিজান ভিএক্স দেয় ৫৫-৬০ কিমি। সিম্ফনি ট্রেনডি ১০০ পাওয়া যায় ৫৫-৬০ কিমি। এসব বাইক ছোট সিসির তাই মাইলেজ বেশি।
১০০ সিসি বাইকের মাইলেজ কত
১০০ সিসি মোটরসাইকেল সবচেয়ে ইকোনমিক্যাল। এই ক্যাটাগরির বাইক ১ লিটারে ৫৫-৬৫ কিমি যায়। হিরো স্প্লেন্ডর প্লাস দেয় ৬৫ কিমি। বাজাজ প্ল্যাটিনা ১০০ এর মাইলেজ ৬০-৬৫ কিমি। টিভিএস স্পোর্ট দেয় ৬০-৬৫ কিমি। হন্ডা লিভো পাওয়া যায় ৫৫-৬০ কিমি। রানার নিউ অ্যাডভেঞ্চার এর মাইলেজ ৫৫-৬০ কিমি। সিম্ফনি এক্সকালিবার ১০০ দেয় ৫৫-৬০ কিমি। ওয়াল্টন এলিও এর মাইলেজ ৫৫-৬০ কিমি। এই বাইকগুলোর দাম ৭০,০০০-১,২০,০০০ টাকা। দৈনন্দিন যাতায়াতের জন্য পারফেক্ট চয়েস।
১ সিলিন্ডার বাইকের মাইলেজ কত
বেশিরভাগ কমিউটার বাইকে ১ সিলিন্ডার ইঞ্জিন থাকে। এগুলোর মাইলেজ নির্ভর করে সিসির ওপর। ১০০ সিসি ১ সিলিন্ডার বাইক দেয় ৫৫-৬৫ কিমি। ১২৫ সিসি ১ সিলিন্ডার পাওয়া যায় ৪৫-৫৫ কিমি। ১৫০ সিসি ১ সিলিন্ডার দেয় ৩৫-৪৫ কিমি। ২০০ সিসি ১ সিলিন্ডার পাওয়া যায় ৩০-৩৮ কিমি। সিঙ্গেল সিলিন্ডার ইঞ্জিন সিম্পল ডিজাইনের। এতে ভালো মাইলেজ পাওয়া যায়। মেইনটেনেন্স খরচও কম হয়।
- সিঙ্গেল সিলিন্ডার বাইক বেশি ফুয়েল এফিশিয়েন্ট
- পার্টস সহজলভ্য এবং সাশ্রয়ী
- মেরামত খরচ অনেক কম
- লম্বা সময় টেকসই
কম CC বাইকের মাইলেজ বেশি কেন
ছোট সিসির বাইকে মাইলেজ বেশি হয় কয়েকটি কারণে। ইঞ্জিন সাইজ ছোট হলে কম জ্বালানি লাগে। ওজন কম থাকায় টেনে নিতে সহজ। কম্প্রেশন রেশিও ভালোভাবে সেট করা। ইঞ্জিন টর্ক লো-এন্ডে বেশি থাকে। এয়ারোডাইনামিক্স ভালো ডিজাইন করা। ছোট ইঞ্জিনে ঘর্ষণ কম হয়। কম গতিতে চালানো হয় বেশিরভাগ সময়। ইকো মোড টেকনোলজি থাকে অনেকে। তাই ১০০ সিসি বাইক দেয় সবচেয়ে বেশি মাইলেজ। ২০০ সিসি বাইকের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ। রানিং কস্টও অনেক কম হয়।
মহিলাদের জন্য ভালো মাইলেজের বাইক
মহিলারা হালকা এবং সহজে চালানো বাইক পছন্দ করেন। ভালো মাইলেজও চান তারা। হন্ডা লিভো মহিলাদের জন্য আদর্শ। এর মাইলেজ ৫৮-৬০ কিমি। ওজন মাত্র ১১০ কেজি। হিরো প্লেজার প্লাস স্টাইলিশ এবং দেয় ৬০ কিমি মাইলেজ। টিভিএস স্কুটি পেপ স্কুটার তবে মাইলেজ ৫৫-৬০ কিমি। বাজাজ অ্যাভেঞ্জার স্ট্রিট ১৬০ স্টাইলিশ কিন্তু মাইলেজ ৪৫-৫০ কিমি। সুজুকি অ্যাক্সেস ১২৫ স্কুটার দেয় ৫০-৫৫ কিমি। হন্ডা এক্টিভা ৬জি স্কুটার পাওয়া যায় ৫০-৫৫ কিমি। এগুলো হালকা ও সহজে চালানো যায়। পার্কিংও সহজ হয়।
মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন অয়েল মাইলেজে প্রভাব
ইঞ্জিন অয়েল মোটরসাইকেল মাইলেজে বড় ভূমিকা রাখে। ভালো মানের অয়েল ইঞ্জিন স্মুথ রাখে। ঘর্ষণ কমিয়ে পারফরম্যান্স বাড়ায়। পুরনো অয়েল ঘন হয়ে যায়। তখন ইঞ্জিন বেশি শক্তি খরচ করে। ফলে মাইলেজ কমে যায় ১০-১৫%। সিন্থেটিক অয়েল সবচেয়ে ভালো ফলাফল দেয়। সেমি-সিন্থেটিক মাঝারি মানের। মিনারেল অয়েল সাশ্রয়ী কিন্তু কম কার্যকর। নিয়মিত অয়েল চেঞ্জ করা জরুরি। ২০০০-৩০০০ কিমিতে একবার বদলান। সঠিক গ্রেডের অয়েল ব্যবহার করুন। কোম্পানির সুপারিশ মেনে চলুন সবসময়।
| অয়েল টাইপ | মাইলেজ প্রভাব | দাম | লাইফ |
| মিনারেল | স্ট্যান্ডার্ড | কম | ছোট |
| সেমি-সিন্থেটিক | ভালো | মাঝারি | মাঝারি |
| সিন্থেটিক | সর্বোচ্চ | বেশি | লম্বা |
| রেসিং গ্রেড | পারফরম্যান্স | খুব বেশি | খুব ছোট |
পেট্রোল বনাম অকটেন মাইলেজ তুলনা
পেট্রোল এবং অকটেনের মধ্যে পার্থক্য আছে। অকটেনে অকটেন রেটিং বেশি থাকে। সাধারণ পেট্রোলে ৮০ অকটেন। প্রিমিয়াম অকটেনে ৯৫ বা তার বেশি। অকটেন দিলে ইঞ্জিন স্মুথ চলে। নকিং কম হয়। পাওয়ার একটু বেশি পাওয়া যায়। কিন্তু মাইলেজ খুব একটা বাড়ে না। মাত্র ১-২ কিমি বেশি পাবেন। অকটেনের দাম পেট্রোলের চেয়ে ১৫-২০ টাকা বেশি। তাই সাধারণ কমিউটার বাইকে অকটেন লাগানো লাভজনক নয়। স্পোর্টস বাইক বা হাই-পারফরম্যান্স বাইকে অকটেন ভালো। কম্প্রেশন রেশিও বেশি হলে অকটেন দিন।
মোটরসাইকেলের মাইলেজ টেস্ট করার নিয়ম
সঠিকভাবে মোটর সাইকেল মাইলেজ টেস্ট করতে কিছু নিয়ম মানতে হবে। প্রথমে বাইক সম্পূর্ণ সার্ভিস করিয়ে নিন। টায়ার প্রেসার চেক করুন। ট্যাংক সম্পূর্ণ ফুল করুন। ওডোমিটার রিডিং নোট করুন। স্বাভাবিক গতিতে চালান বাইক। মিক্সড রোডে টেস্ট করুন। শহর এবং হাইওয়ে উভয় রাস্তায়। দুইজনের বেশি লোড নেবেন না। ঘন ঘন স্টপ এড়িয়ে চলুন। ১০০-১৫০ কিমি চালানোর পর আবার ফুল করুন। দেখুন কত লিটার লেগেছে। তারপর ক্যালকুলেশন করুন। এভাবে তিনবার টেস্ট করুন। তিনটির গড় নিলে সঠিক মাইলেজ পাবেন।
মোটরসাইকেলের মাইলেজ ঠিক রাখতে কি করবেন
মাইলেজ ঠিক রাখা মোটেই কঠিন কাজ নয়। নিয়মিত মেইনটেনেন্স সবচেয়ে জরুরি। প্রতি ১০০০ কিমিতে জেনারেল সার্ভিসিং করুন। ২০০০-৩০০০ কিমিতে ইঞ্জিন অয়েল বদলান। এয়ার ফিল্টার মাসে একবার পরিষ্কার করুন। টায়ার প্রেসার সাপ্তাহিক চেক করুন। চেইন নিয়মিত লুব্রিকেট করুন। স্পার্ক প্লাগ ৫০০০ কিমিতে চেক করুন। ব্রেক সিস্টেম ঠিক রাখুন সবসময়। ক্লাচ সেটিং চেক করুন মাঝেমধ্যে।
- সার্ভিস রেকর্ড ডায়েরিতে লিখে রাখুন
- অথরাইজড সার্ভিস সেন্টারে যান নিয়মিত
- জেনুইন স্পেয়ার পার্টস ব্যবহার করুন
- কোম্পানির গাইডলাইন মেনে চলুন
পুরানো মোটরসাইকেলের মাইলেজ বাড়ানোর টিপস
পুরানো বাইকের মাইলেজও বাড়ানো সম্ভব। প্রথমে ইঞ্জিন ডিকার্বোনাইজেশন করান। কার্বুরেটর ভালো করে পরিষ্কার করুন। স্পার্ক প্লাগ নতুন লাগান। এয়ার ফিল্টার বদলে ফেলুন। ইঞ্জিন অয়েল ভালো মানের দিন। টায়ার পুরনো হলে নতুন লাগান। চেইন স্প্রোকেট চেক করুন। প্রয়োজনে বদলান। ব্রেক প্যাড পরীক্ষা করুন। ক্লাচ প্লেট দেখে নিন। ওয়্যারিং চেক করুন ভালোভাবে। ফুয়েল লাইন পরিষ্কার রাখুন। ইঞ্জিন মাউন্টিং বোল্ট টাইট করুন। এভাবে পুরনো বাইকেও ভালো মাইলেজ পাওয়া যায়।
বাংলাদেশে বেশি মাইলেজের মোটরসাইকেলের লিস্ট
বাংলাদেশে অনেক মোটরসাইকেল পাওয়া যায়। সেরা মাইলেজের একটি লিস্ট দিচ্ছি। হিরো স্প্লেন্ডর প্লাস ৬৫-৭০ কিমি। বাজাজ সিটি ১০০ দেয় ৬০-৬৫ কিমি। টিভিএস স্টার সিটি ৬০-৬৫ কিমি। হন্ডা সিডি ১১০ ড্রিম ৫৮-৬২ কিমি। হিরো এইচএফ ডিলাক্স ৬০-৬৫ কিমি। বাজাজ প্ল্যাটিনা ১০০ দেয় ৬০-৬৫ কিমি। টিভিএস স্পোর্ট ৬০-৬৫ কিমি। হন্ডা লিভো ৫৫-৬০ কিমি। সুজুকি হায়াবুসা ৫৮-৬২ কিমি। ইয়ামাহা সালুটো ৬০-৬৫ কিমি। রানার নিউ অ্যাডভেঞ্চার ৫৫-৬০ কিমি। সিম্ফনি এক্সকালিবার ৫৫-৬০ কিমি।
সর্বোচ্চ মাইলেজের বাইক কোনটি
বর্তমানে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ মাইলেজ দেয় হিরো স্প্লেন্ডর প্লাস। কোম্পানি দাবি করে ৭০ কিমি পর্যন্ত মাইলেজ। বাস্তবে ৬৫-৬৮ কিমি পাওয়া যায়। এটি ১০০ সিসি বাইক। দাম প্রায় ১,৩৫,০০০ টাকা। ইঞ্জিন খুবই ফুয়েল এফিশিয়েন্ট। আইসুপার ইকো টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে আছে বাজাজ সিটি ১০০। এর মাইলেজ ৬৫ কিমি পর্যন্ত। তৃতীয়টি টিভিএস স্টার সিটি প্লাস। মাইলেজ ৬৫ কিমি দেয়। এগুলো সব কমিউটার বাইক। স্পোর্টস বাইকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মাইলেজ দেয় হন্ডা সিবি শাইন। প্রায় ৫৫ কিমি মাইলেজ পাওয়া যায়।
সিটি রাইডে মোটরসাইকেল মাইলেজ
শহরে মোটরসাইকেল মাইলেজ সবসময় কম হয়। যানজটের কারণে এমনটা ঘটে। ঘন ঘন ব্রেক করতে হয়। স্টার্ট-স্টপ বেশি হয়। ইঞ্জিন আইডলিং বেশি থাকে। লো গিয়ারে বেশি চালাতে হয়। তাই সিটি মাইলেজ হাইওয়ে থেকে ২০-৩০% কম। ১০০ সিসি বাইক শহরে দেয় ৪৫-৫৫ কিমি। ১২৫ সিসি বাইক দেয় ৩৫-৪৫ কিমি। ১৫০ সিসি বাইক পায় ৩০-৩৮ কিমি। সিটিতে মাইলেজ বাড়াতে স্মুথ ড্রাইভিং করুন।
- লাল সিগন্যালে ইঞ্জিন বন্ধ করুন
- শর্টকাট রাস্তা ব্যবহার করুন
- পিক আওয়ার এড়িয়ে চলুন যতটা সম্ভব
- ইকো-মোড চালু রাখুন সবসময়
হাইওয়েতে মোটরসাইকেল মাইলেজ
হাইওয়েতে মোটরসাইকেল মাইলেজ সবচেয়ে ভালো পাওয়া যায়। স্থির গতিতে চালানো যায়। স্টপ-স্টার্ট কম হয়। ট্র্যাফিক জ্যাম নেই প্রায়। হাই গিয়ারে চালানো হয় বেশি। তাই মাইলেজ বাড়ে ৩০-৪০%। ১০০ সিসি বাইক হাইওয়েতে দেয় ৬০-৭০ কিমি। ১২৫ সিসি বাইক পায় ৫০-৬০ কিমি। ১৫০ সিসি বাইক দেয় ৪৫-৫৫ কিমি। সবচেয়ে ভালো মাইলেজ পাবেন ৫০-৬০ কিমি গতিতে। এর বেশি বা কম হলে মাইলেজ কমবে। হেলমেট ভাইজার বন্ধ রাখুন। তাতে এয়ার রেজিস্ট্যান্স কমে।
| রাস্তা টাইপ | ১০০সিসি | ১২৫সিসি | ১৫০সিসি |
| সিটি | ৪৫-৫৫ | ৩৫-৪৫ | ৩০-৩৮ |
| হাইওয়ে | ৬০-৭০ | ৫০-৬০ | ৪৫-৫৫ |
| মিক্সড | ৫৫-৬৫ | ৪৫-৫৫ | ৩৫-৪৫ |
| পাহাড়ি | ৪০-৫০ | ৩০-৪০ | ২৮-৩৫ |
মোটরসাইকেল মাইলেজ ক্যালকুলেটর
মাইলেজ হিসাব করার সহজ ফর্মুলা আছে। টোটাল কিলোমিটার ভাগ করুন টোটাল লিটার দিয়ে। উদাহরণ দিয়ে বুঝাই। ধরুন আপনি ২৫০ কিমি চলেছেন। পেট্রোল খরচ হয়েছে ৫ লিটার। তাহলে মাইলেজ = ২৫০ ÷ ৫ = ৫০ কিমি/লিটার। আরেকটা উদাহরণ দেখি। ১৮০ কিমি চলার পর ৩ লিটার লেগেছে। তাহলে মাইলেজ = ১৮০ ÷ ৩ = ৬০ কিমি/লিটার। এভাবে আপনি নিজেই হিসাব করতে পারবেন। প্রতি মাসে একবার চেক করুন মাইলেজ। তাহলে বুঝবেন বাইক ঠিক আছে কিনা।
মোটরসাইকেল মাইলেজ কেন কমে যায়

মাইলেজ কমার অনেক কারণ থাকতে পারে। ইঞ্জিনের সমস্যা প্রধান কারণ। পিস্টন রিং পুরনো হলে কম্প্রেশন কমে। ভালভ সিট ক্ষয়ে গেলে সমস্যা হয়। কার্বুরেটর সেটিং ঠিক না থাকলে তাও হয়। ফুয়েল ইনজেক্টর নোংরা হলে মাইলেজ কমে। এয়ার ফিল্টার ব্লক হয়ে গেলে বাতাস কম যায়। স্পার্ক প্লাগ খারাপ হলে জ্বলন ভালো হয় না। চেইন স্প্রোকেট পুরনো হলেও কমে। ব্রেক ড্র্যাগিং থাকলে ঘর্ষণ বাড়ে। টায়ার প্রেসার কম থাকলেও মাইলেজ কমে। ওজন বেশি বহন করলে তাও হয়।
- ইঞ্জিন ডায়াগনস্টিক করান বছরে একবার
- কম্প্রেশন টেস্ট করুন প্রয়োজনে
- ফুয়েল সিস্টেম পরিষ্কার রাখুন
- ব্রেক সিস্টেম নিয়মিত চেক করুন
সঠিক গিয়ার ব্যবহারে মাইলেজ বৃদ্ধি
সঠিক গিয়ার সিলেকশন মাইলেজে বড় পার্থক্য আনে। লো গিয়ারে বেশি সময় চালালে মাইলেজ কমে। হাই গিয়ারে চালালে মাইলেজ বাড়ে। প্রথম গিয়ার শুধু স্টার্টের জন্য ব্যবহার করুন। ১৫-২০ কিমি গতিতে সেকেন্ড গিয়ার। ৩০-৪০ কিমিতে থার্ড গিয়ার ব্যবহার করুন। ৪৫-৬০ কিমিতে ফোর্থ গিয়ার দিন। ৬০ কিমির বেশি হলে ফিফথ গিয়ার। উঁচু-নিচু রাস্তায় আগেই গিয়ার পরিবর্তন করুন। ইঞ্জিন রেভ বেশি হতে দেবেন না। আরপিএম ৪০০০-৬০০০ এ রাখুন। তাহলে সবচেয়ে ভালো মাইলেজ পাবেন।
ইনজেকশন ইঞ্জিন বাইকের মাইলেজ
ফুয়েল ইনজেকশন টেকনোলজি আধুনিক সিস্টেম। এটি কার্বুরেটরের চেয়ে এডভান্সড। ইসিইউ কন্ট্রোল করে ফুয়েল সাপ্লাই। প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি দেয়। তাই মাইলেজ ১০-১৫% বেশি। কার্বুরেটর বাইকের চেয়ে ভালো পারফরম্যান্স। ঠাণ্ডায় স্টার্ট করা সহজ। ইমিশন কম হয় অনেক। মেইনটেনেন্সও কম লাগে। হন্ডা, ইয়ামাহা, সুজুকির নতুন মডেলে ইনজেকশন আছে। বাজাজ, টিভিএসেও পাওয়া যায়। দাম একটু বেশি হলেও দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক। শহরে ও হাইওয়েতে ভালো মাইলেজ দেয়।
কার্বুরেটর ইঞ্জিনের মাইলেজ
কার্বুরেটর পুরনো টেকনোলজি কিন্তু এখনো জনপ্রিয়। দাম কম হওয়ায় বাজেট বাইকে ব্যবহার হয়। মেকানিক্যাল সিস্টেম তাই মেরামত সহজ। কিন্তু ফুয়েল কনজাম্পশন একটু বেশি। ইনজেকশনের চেয়ে ১০-১৫% কম মাইলেজ দেয়। ঠাণ্ডায় স্টার্ট নিতে একটু সমস্যা। নিয়মিত সেটিং দরকার হয়। এয়ার-ফুয়েল মিক্সার ঠিক রাখা জরুরি। তবে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম। পার্টস সহজে পাওয়া যায়। দেশীয় মেকানিক সব জানেন। তাই গ্রামে-গঞ্জে সুবিধাজনক।
| ফিচার | কার্বুরেটর | ইনজেকশন |
| মাইলেজ | স্ট্যান্ডার্ড | ১০-১৫% বেশি |
| দাম | কম | বেশি |
| মেইনটেনেন্স | সহজ | জটিল |
| পারফরম্যান্স | ভালো | খুব ভালো |
মোটরসাইকেল সার্ভিসিং ও মাইলেজ সম্পর্ক
নিয়মিত সার্ভিসিং মোটরসাইকেল মাইলেজ ঠিক রাখে। প্রথম সার্ভিস হয় ৫০০-১০০০ কিমিতে। এরপর প্রতি ৩০০০ কিমিতে জেনারেল সার্ভিস। সার্ভিসে ইঞ্জিন অয়েল বদলানো হয়। এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার বা বদলানো হয়। স্পার্ক প্লাগ চেক করা হয়। চেইন টেনশন সেট করা হয়। ব্রেক প্যাড দেখা হয়। টায়ার প্রেসার চেক করা হয়। ক্লাচ সেটিং ঠিক করা হয়। কার্বুরেটর ক্লিনিং করা হয়। সব নাট-বোল্ট টাইট করা হয়। এভাবে নিয়মিত সার্ভিস করলে মাইলেজ ১০-২০% বেশি পাবেন। বাইকের লাইফও বাড়বে অনেক।
উপসংহার
মোটরসাইকেল মাইলেজ বাড়ানো একদম সম্ভব। শুধু কিছু সহজ নিয়ম মানতে হবে। নিয়মিত সার্ভিসিং সবচেয়ে জরুরি। সঠিক ড্রাইভিং হ্যাবিট গড়ে তুলুন। ভালো মানের পার্টস ব্যবহার করুন। টায়ার প্রেসার ঠিক রাখুন। ইঞ্জিন অয়েল সময়মতো বদলান। অপ্রয়োজনীয় ওজন বহন করবেন না। স্থির গতিতে চালানোর চেষ্টা করুন। এসব মানলে মাইলেজ ২০-৩০% বাড়বে। আর্থিক সাশ্রয় হবে অনেক। বাইকও ভালো থাকবে দীর্ঘদিন। তাই আজ থেকেই শুরু করুন এই অভ্যাসগুলো। আশা করি এই টিপসগুলো আপনার কাজে লাগবে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)
মোটরসাইকেল মাইলেজ কিভাবে হিসাব করব?
টোটাল কিলোমিটার ভাগ করুন টোটাল লিটার দিয়ে। উদাহরণ: ২০০ কিমি চালিয়ে ৪ লিটার লাগলে মাইলেজ ৫০ কিমি।
নতুন বাইকের মাইলেজ কম কেন?
প্রথম ১০০০-২০০০ কিমি ব্রেকিং পিরিয়ড। ইঞ্জিন পার্টস সেটল হতে সময় নেয়। এরপর মাইলেজ স্বাভাবিক হবে।
কোন সিসির বাইক বেশি মাইলেজ দেয়?
১০০ সিসি বাইক সবচেয়ে বেশি মাইলেজ দেয়। ৬০-৬৫ কিমি পর্যন্ত পাওয়া যায়।
সিটিতে মাইলেজ কম কেন?
যানজট, ঘন ঘন ব্রেক, স্টার্ট-স্টপের কারণে। শহরে মাইলেজ হাইওয়ে থেকে ২০-৩০% কম হয়।
মাইলেজ বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় কি?
নিয়মিত সার্ভিসিং, সঠিক টায়ার প্রেসার, স্মুথ ড্রাইভিং এবং ভালো মানের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করুন।
অকটেন দিলে কি মাইলেজ বাড়ে?
খুব সামান্য বাড়ে মাত্র ১-২ কিমি। কিন্তু দাম বেশি তাই সাধারণ বাইকে লাগানো লাভজনক নয়।
কতদিন পরপর ইঞ্জিন অয়েল বদলাতে হয়?
প্রতি ২০০০-৩০০০ কিমিতে একবার বদলান। সিন্থেটিক অয়েল হলে ৩৫০০-৪০০০ কিমি পর্যন্ত চলবে।
পুরানো বাইকের মাইলেজ কি বাড়ানো যায়?
হ্যাঁ, সম্ভব। ইঞ্জিন ডিকার্বোনাইজেশন, নতুন স্পার্ক প্লাগ, ভালো অয়েল দিয়ে মাইলেজ বাড়ানো যায়।
ইনজেকশন নাকি কার্বুরেটর কোনটা ভালো?
ইনজেকশন ১০-১৫% বেশি মাইলেজ দেয়। কিন্তু দাম বেশি। কার্বুরেটর সাশ্রয়ী ও মেরামত সহজ।
হাইওয়েতে কত গতিতে চালালে ভালো মাইলেজ পাব?
৫০-৬০ কিমি গতিতে চালালে সবচেয়ে ভালো মাইলেজ পাবেন। এর বেশি বা কম হলে মাইলেজ কমবে।
🔥 পোস্টটি শেয়ার করুনঃ 🌍






